০২:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
অ্যাস্টন মার্টিনের দুঃস্বপ্নের শুরু, কম্পনে বিপর্যস্ত গাড়ি, চালকদের শারীরিক ঝুঁকি বাড়ছে শেভ্রোলেটের দখলে উজবেকিস্তান, চীনের বৈদ্যুতিক গাড়ির চাপে বদলাচ্ছে ‘শেভ্রোলেটস্তান’ এশিয়া-প্যাসিফিক অর্থনীতিতে নতুন বাস্তবতা: পরিবর্তনের চাপে নীতি ও বাজারের লড়াই ভরপুর বাজার, তবু সংকটে চীনের খামার শিল্প ব্রাজিলের বায়োফুয়েল শক্তি: জ্বালানি সংকটে এক গোপন ঢাল হার্ট অ্যাটাকে দেরি মানেই মৃত্যু ঝুঁকি, চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্বলতায় বাড়ছে বিপদ আখচাষিদের বকেয়া ৩২ গুণ বৃদ্ধি, কোটি কোটি টাকা আটকে—চাপ বাড়ছে কৃষকের জীবনে উত্তরাখণ্ডে ভাঙন, ছয় নেতা বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে ৮ জেলায় তেল সংকট: শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে জ্বালানি সরবরাহ থমকে গেছে জনসংখ্যা বদল থামাতে বিজেপিই শেষ ভরসা, তৃণমূলকে ঘিরে শাহের বিস্ফোরক চার্জশিট

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)

  • Sarakhon Report
  • ০৪:০০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল ২০২৪
  • 125

 

শারীরস্থানবিদদের পরীক্ষার ফলে জানা যায় যে পাণ্ডাদের মুখ এবং দাঁত অন্যান্য মাংসাশী প্রাণীদের থেকে কোনো পার্থক্য নেই। কথায় বলে: “স্বভাব যায় না মলে।” তাই বাঁশবাগানে বা অন্য কোথাও হঠাৎ কোনো বাঁশগেছো ইঁদুর চোখে পড়লে পাণ্ডারা তাদের মাংস খাওয়ার লোভ সামলাতে পারে না। যেকোনভাবে তারা ইঁদুরটাকে ধরে ফেলবেই। তারপর সেটাকে হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ খেলে একসময় খপ্ করে মুখে পুরে দেবে।

 

 

 

 


পাণ্ডারা আবার কুকুরদের মতো হাড় চিবোতেও পছন্দ করে। একটি সত্যি ঘটনার কথা তোমাদের বলছি। সিছুয়ান প্রদেশের একটি পাহাড়ী অঞ্চলে এক কৃষক পরিবার শূকরের হাড় দিয়ে ঝোল রান্না করছিল। তখন একটা পাণ্ডা সেখান দিয়ে যাবার সময় হাড়ের গন্ধ পেয়েই সোজা সেই কৃষকের বাড়িতে গিয়ে হাজির হলো এবং হাবভাবে হাড় খাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করল। কৃষক তখন হাড় বের করে তাকে ভরপেট খেতে দিল এবং তার কাঁধ চাপড়ে বলল, “এখন যাও, কাল আবার এসো।” পাণ্ডা তখন হেলতে-দুলতে সেখান থেকে চলে গেল, যাবার সময় সে একবার মুখ ঘুরিয়ে তাকাল, যেন বোঝাতে চাইল, “ধন্যবাদ, কাল আবার আসব।” পরদিন সে সত্যিই আবার এসেছিল।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-১৯)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-১৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাস্টন মার্টিনের দুঃস্বপ্নের শুরু, কম্পনে বিপর্যস্ত গাড়ি, চালকদের শারীরিক ঝুঁকি বাড়ছে

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)

০৪:০০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল ২০২৪

 

শারীরস্থানবিদদের পরীক্ষার ফলে জানা যায় যে পাণ্ডাদের মুখ এবং দাঁত অন্যান্য মাংসাশী প্রাণীদের থেকে কোনো পার্থক্য নেই। কথায় বলে: “স্বভাব যায় না মলে।” তাই বাঁশবাগানে বা অন্য কোথাও হঠাৎ কোনো বাঁশগেছো ইঁদুর চোখে পড়লে পাণ্ডারা তাদের মাংস খাওয়ার লোভ সামলাতে পারে না। যেকোনভাবে তারা ইঁদুরটাকে ধরে ফেলবেই। তারপর সেটাকে হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ খেলে একসময় খপ্ করে মুখে পুরে দেবে।

 

 

 

 


পাণ্ডারা আবার কুকুরদের মতো হাড় চিবোতেও পছন্দ করে। একটি সত্যি ঘটনার কথা তোমাদের বলছি। সিছুয়ান প্রদেশের একটি পাহাড়ী অঞ্চলে এক কৃষক পরিবার শূকরের হাড় দিয়ে ঝোল রান্না করছিল। তখন একটা পাণ্ডা সেখান দিয়ে যাবার সময় হাড়ের গন্ধ পেয়েই সোজা সেই কৃষকের বাড়িতে গিয়ে হাজির হলো এবং হাবভাবে হাড় খাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করল। কৃষক তখন হাড় বের করে তাকে ভরপেট খেতে দিল এবং তার কাঁধ চাপড়ে বলল, “এখন যাও, কাল আবার এসো।” পাণ্ডা তখন হেলতে-দুলতে সেখান থেকে চলে গেল, যাবার সময় সে একবার মুখ ঘুরিয়ে তাকাল, যেন বোঝাতে চাইল, “ধন্যবাদ, কাল আবার আসব।” পরদিন সে সত্যিই আবার এসেছিল।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-১৯)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-১৯)