১১:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
হাসির গান থেকে বাক্‌স্বাধীনতার যোদ্ধা—আফ্রোমানের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন নিজের শর্তে পপতারকা, সাফল্যের নতুন গল্প স্লেয়্যাটারের অচেনা বন্দরে নাবিকদের পাশে এক পুরোহিত, বিপন্ন সমুদ্রযাত্রীদের আশ্রয়ের শেষ ভরসা বেস্ট-বিফোর তারিখ পেরোলেই খাবার ফেলে দেবেন না, জানুন কোন খাবার কতদিন ভালো থাকে চোখের সামনে নয়, মনের ভেতরও নয়—প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে জানা ‘অ্যাফ্যান্টাসিয়া’র কথা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ ২০২৯ থেকে বদলাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থবছর, এপ্রিল-মার্চ চক্রে যাচ্ছে সরকার যুদ্ধের দীর্ঘ মিশনে বিপাকে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী, নাবিকদের জীবনযাপন ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ ইউরোপীয় অ্যাথলেটিকসে ব্রিটিশদের সোনালি ঝড়, নতুন তারকা অ্যামি হান্ট পাকিস্তানে আরও প্রদেশ? সিদ্ধান্ত নিক জনগণ

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)

  • Sarakhon Report
  • ০৪:০০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল ২০২৪
  • 172

 

শারীরস্থানবিদদের পরীক্ষার ফলে জানা যায় যে পাণ্ডাদের মুখ এবং দাঁত অন্যান্য মাংসাশী প্রাণীদের থেকে কোনো পার্থক্য নেই। কথায় বলে: “স্বভাব যায় না মলে।” তাই বাঁশবাগানে বা অন্য কোথাও হঠাৎ কোনো বাঁশগেছো ইঁদুর চোখে পড়লে পাণ্ডারা তাদের মাংস খাওয়ার লোভ সামলাতে পারে না। যেকোনভাবে তারা ইঁদুরটাকে ধরে ফেলবেই। তারপর সেটাকে হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ খেলে একসময় খপ্ করে মুখে পুরে দেবে।

 

 

 

 


পাণ্ডারা আবার কুকুরদের মতো হাড় চিবোতেও পছন্দ করে। একটি সত্যি ঘটনার কথা তোমাদের বলছি। সিছুয়ান প্রদেশের একটি পাহাড়ী অঞ্চলে এক কৃষক পরিবার শূকরের হাড় দিয়ে ঝোল রান্না করছিল। তখন একটা পাণ্ডা সেখান দিয়ে যাবার সময় হাড়ের গন্ধ পেয়েই সোজা সেই কৃষকের বাড়িতে গিয়ে হাজির হলো এবং হাবভাবে হাড় খাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করল। কৃষক তখন হাড় বের করে তাকে ভরপেট খেতে দিল এবং তার কাঁধ চাপড়ে বলল, “এখন যাও, কাল আবার এসো।” পাণ্ডা তখন হেলতে-দুলতে সেখান থেকে চলে গেল, যাবার সময় সে একবার মুখ ঘুরিয়ে তাকাল, যেন বোঝাতে চাইল, “ধন্যবাদ, কাল আবার আসব।” পরদিন সে সত্যিই আবার এসেছিল।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-১৯)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-১৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসির গান থেকে বাক্‌স্বাধীনতার যোদ্ধা—আফ্রোমানের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)

০৪:০০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল ২০২৪

 

শারীরস্থানবিদদের পরীক্ষার ফলে জানা যায় যে পাণ্ডাদের মুখ এবং দাঁত অন্যান্য মাংসাশী প্রাণীদের থেকে কোনো পার্থক্য নেই। কথায় বলে: “স্বভাব যায় না মলে।” তাই বাঁশবাগানে বা অন্য কোথাও হঠাৎ কোনো বাঁশগেছো ইঁদুর চোখে পড়লে পাণ্ডারা তাদের মাংস খাওয়ার লোভ সামলাতে পারে না। যেকোনভাবে তারা ইঁদুরটাকে ধরে ফেলবেই। তারপর সেটাকে হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ খেলে একসময় খপ্ করে মুখে পুরে দেবে।

 

 

 

 


পাণ্ডারা আবার কুকুরদের মতো হাড় চিবোতেও পছন্দ করে। একটি সত্যি ঘটনার কথা তোমাদের বলছি। সিছুয়ান প্রদেশের একটি পাহাড়ী অঞ্চলে এক কৃষক পরিবার শূকরের হাড় দিয়ে ঝোল রান্না করছিল। তখন একটা পাণ্ডা সেখান দিয়ে যাবার সময় হাড়ের গন্ধ পেয়েই সোজা সেই কৃষকের বাড়িতে গিয়ে হাজির হলো এবং হাবভাবে হাড় খাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করল। কৃষক তখন হাড় বের করে তাকে ভরপেট খেতে দিল এবং তার কাঁধ চাপড়ে বলল, “এখন যাও, কাল আবার এসো।” পাণ্ডা তখন হেলতে-দুলতে সেখান থেকে চলে গেল, যাবার সময় সে একবার মুখ ঘুরিয়ে তাকাল, যেন বোঝাতে চাইল, “ধন্যবাদ, কাল আবার আসব।” পরদিন সে সত্যিই আবার এসেছিল।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-১৯)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-১৯)