০১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
গার্দিওলার বিদায় মঞ্চে মাইকেল জর্ডানের আবেগঘন বার্তা, কেঁদে ফেললেন ম্যানসিটি কোচ চীনের মহাকাশে ইতিহাস, প্রথমবারের মতো হংকংয়ের নারী নভোচারীর যাত্রা আফগানিস্তানে মেয়েদের স্বপ্ন এখন বিয়ের খাঁচায় বন্দি সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০: স্বপ্নের মেগা প্রকল্পে ধাক্কা, বাস্তবতার মুখে নতুন হিসাব ৪৫০ টাকার বিরোধে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে তরুণ নিহত, রাজশাহীতে চাঞ্চল্য আফগানিস্তানে মেয়েদের স্বপ্ন থামিয়ে দিচ্ছে বাল্যবিয়ে, বন্ধ স্কুলে বাড়ছে হতাশা খরার জমিতে কাস্টার্ড আপেলের জয়, কৃষকদের আয়ে খুলছে নতুন সম্ভাবনা আফগানিস্তানে মেয়েদের শিক্ষাবন্দি জীবন, বিয়েই এখন অনেকের একমাত্র ভবিষ্যৎ দিল্লির ঐতিহ্যবাহী জিমখানা ক্লাব বন্ধের শঙ্কা, উত্তাল বিতর্কে ক্ষমতা-ঐতিহ্য-অভিজাত সংস্কৃতি লাওসের গুহায় এক সপ্তাহ ধরে আটকা ৭ গ্রামবাসী, চলছে প্রাণপণ উদ্ধার অভিযান

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)

  • Sarakhon Report
  • ০৪:০০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল ২০২৪
  • 146

 

শারীরস্থানবিদদের পরীক্ষার ফলে জানা যায় যে পাণ্ডাদের মুখ এবং দাঁত অন্যান্য মাংসাশী প্রাণীদের থেকে কোনো পার্থক্য নেই। কথায় বলে: “স্বভাব যায় না মলে।” তাই বাঁশবাগানে বা অন্য কোথাও হঠাৎ কোনো বাঁশগেছো ইঁদুর চোখে পড়লে পাণ্ডারা তাদের মাংস খাওয়ার লোভ সামলাতে পারে না। যেকোনভাবে তারা ইঁদুরটাকে ধরে ফেলবেই। তারপর সেটাকে হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ খেলে একসময় খপ্ করে মুখে পুরে দেবে।

 

 

 

 


পাণ্ডারা আবার কুকুরদের মতো হাড় চিবোতেও পছন্দ করে। একটি সত্যি ঘটনার কথা তোমাদের বলছি। সিছুয়ান প্রদেশের একটি পাহাড়ী অঞ্চলে এক কৃষক পরিবার শূকরের হাড় দিয়ে ঝোল রান্না করছিল। তখন একটা পাণ্ডা সেখান দিয়ে যাবার সময় হাড়ের গন্ধ পেয়েই সোজা সেই কৃষকের বাড়িতে গিয়ে হাজির হলো এবং হাবভাবে হাড় খাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করল। কৃষক তখন হাড় বের করে তাকে ভরপেট খেতে দিল এবং তার কাঁধ চাপড়ে বলল, “এখন যাও, কাল আবার এসো।” পাণ্ডা তখন হেলতে-দুলতে সেখান থেকে চলে গেল, যাবার সময় সে একবার মুখ ঘুরিয়ে তাকাল, যেন বোঝাতে চাইল, “ধন্যবাদ, কাল আবার আসব।” পরদিন সে সত্যিই আবার এসেছিল।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-১৯)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-১৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

গার্দিওলার বিদায় মঞ্চে মাইকেল জর্ডানের আবেগঘন বার্তা, কেঁদে ফেললেন ম্যানসিটি কোচ

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)

০৪:০০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল ২০২৪

 

শারীরস্থানবিদদের পরীক্ষার ফলে জানা যায় যে পাণ্ডাদের মুখ এবং দাঁত অন্যান্য মাংসাশী প্রাণীদের থেকে কোনো পার্থক্য নেই। কথায় বলে: “স্বভাব যায় না মলে।” তাই বাঁশবাগানে বা অন্য কোথাও হঠাৎ কোনো বাঁশগেছো ইঁদুর চোখে পড়লে পাণ্ডারা তাদের মাংস খাওয়ার লোভ সামলাতে পারে না। যেকোনভাবে তারা ইঁদুরটাকে ধরে ফেলবেই। তারপর সেটাকে হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ খেলে একসময় খপ্ করে মুখে পুরে দেবে।

 

 

 

 


পাণ্ডারা আবার কুকুরদের মতো হাড় চিবোতেও পছন্দ করে। একটি সত্যি ঘটনার কথা তোমাদের বলছি। সিছুয়ান প্রদেশের একটি পাহাড়ী অঞ্চলে এক কৃষক পরিবার শূকরের হাড় দিয়ে ঝোল রান্না করছিল। তখন একটা পাণ্ডা সেখান দিয়ে যাবার সময় হাড়ের গন্ধ পেয়েই সোজা সেই কৃষকের বাড়িতে গিয়ে হাজির হলো এবং হাবভাবে হাড় খাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করল। কৃষক তখন হাড় বের করে তাকে ভরপেট খেতে দিল এবং তার কাঁধ চাপড়ে বলল, “এখন যাও, কাল আবার এসো।” পাণ্ডা তখন হেলতে-দুলতে সেখান থেকে চলে গেল, যাবার সময় সে একবার মুখ ঘুরিয়ে তাকাল, যেন বোঝাতে চাইল, “ধন্যবাদ, কাল আবার আসব।” পরদিন সে সত্যিই আবার এসেছিল।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-১৯)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-১৯)