০২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
গুয়াতেমালার কারাগারে জিম্মি সংকটের অবসান, সহিংসতার জেরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চরম ডানপন্থার উত্থান, রান অফে মুখোমুখি সমাজতন্ত্রী সেগুরো ও ভেনচুরা পেন্টাগনের প্রস্তুতি, মিনেসোটায় সেনা নামানোর ইঙ্গিত ঘিরে তীব্র উদ্বেগ ইরানে বিক্ষোভে পাঁচ হাজার প্রাণহানি, যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া সতর্কবার্তা তেহরানের এলন মাস্কের ১৩৪ বিলিয়ন ডলারের দাবি, ওপেনএআই ও মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক আইনি লড়াই চিলিতে দাবানলে মৃত্যু অন্তত আঠারো, দক্ষিণাঞ্চলে বিপর্যয় ঘোষণা ড্রাগন নেই, তবু রক্ত-মাটিতে ভেজা বীরত্বের গল্প ট্রাম্পকে নিয়ে জন মিয়ারশাইমার; কেন ইরান ভেনিজুয়েলা নয় এবং ভেনিজুয়েলা পানামা নয় জীবনের অন্য এক রূপে জোডি ফস্টার, ফ্রান্সে গোপনীয়তাই তাঁর মুক্তি ইরানে বেশি ক্ষতির ঝুঁকি থাকলেও কেন সরাসরি হস্তক্ষেপে যাচ্ছে না চীন

মধ্যপন্থী রাজনৈতিক দল ধ্বংস করা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর

  • Sarakhon Report
  • ০৬:৫১:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • 399

যে কোনো দেশই হোক—গণতান্ত্রিক, সমাজতান্ত্রিক বা অথরিটেরিয়ান যেকোনো শাসন পদ্ধতিরই হোক না কেন—রাষ্ট্র সবসময়ই পরিচালিত হয় রাষ্ট্রের সঙ্গে পরিচিত মধ্যবিত্ত এলিটদের মাধ্যমে। এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এলিট বা অথরিটেরিয়ান সরকার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণী বা নিম্নবর্গীয় মানুষ মিলে যে সকল সফল বিপ্লব করেছে, তার নেতৃত্বও ছিল এই মধ্যবিত্ত এলিটদের হাতে। যেমন রাশিয়ার বিপ্লবে লেনিন, কিউবার বিপ্লবে ফিদেল কাস্ত্রো, এমনকি চীনের বিপ্লবে মাও দেজে-ডং।

অন্যদিকে কোনো রাষ্ট্রে যখন মধ্যবিত্ত এলিটের শাসন ভেঙ্গে পড়ে—সেটা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হোক বা অন্য কোনো পদ্ধতির শাসন ব্যবস্থা হোক—তখন রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সামরিক এলিটদের এগিয়ে আসতে হয়। কারণ মধ্যবিত্ত এলিট অর্থাৎ সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের মাধ্যমে গড়ে ওঠা শ্রেণী ছাড়া কখনই রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল করা সম্ভব নয়।

রাষ্ট্র যদি দীর্ঘকালীন অস্থিতিশীলতায় পড়ে, তখন স্বাভাবিকভাবেই রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল করতে সামরিক বাহিনীকে এগিয়ে আসতে হয়। তবে সামরিক শাসন সবসময়ই সাময়িক; এক পর্যায়ে তারা সিভিল শাসন প্রতিষ্ঠা করে, এমনকি নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেও ফিরে আসে, যার ফলে রাষ্ট্র আবার স্বাভাবিক ধারাবাহিকতায় ফিরে যায়। কিন্তু প্রকৃত অর্থে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হলে মধ্যপন্থী রাজনৈতিক দলের উপরই নির্ভর করতে হয়—কারণ তারা সমাজের বড় অংশ, মধ্যবিত্তের প্রতিনিধি।

সুতরাং কোনো রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, ধারাবাহিক উন্নয়ন ও শাসন পরিচালনার জন্য মধ্যপন্থী রাজনৈতিক দলকে ধ্বংস করার প্রচেষ্টা মূলত রাষ্ট্রকে কোনো না কোনো খাদে ফেলে দেয়ার প্রচেষ্টা মাত্র।

জনপ্রিয় সংবাদ

গুয়াতেমালার কারাগারে জিম্মি সংকটের অবসান, সহিংসতার জেরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা

মধ্যপন্থী রাজনৈতিক দল ধ্বংস করা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর

০৬:৫১:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

যে কোনো দেশই হোক—গণতান্ত্রিক, সমাজতান্ত্রিক বা অথরিটেরিয়ান যেকোনো শাসন পদ্ধতিরই হোক না কেন—রাষ্ট্র সবসময়ই পরিচালিত হয় রাষ্ট্রের সঙ্গে পরিচিত মধ্যবিত্ত এলিটদের মাধ্যমে। এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এলিট বা অথরিটেরিয়ান সরকার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণী বা নিম্নবর্গীয় মানুষ মিলে যে সকল সফল বিপ্লব করেছে, তার নেতৃত্বও ছিল এই মধ্যবিত্ত এলিটদের হাতে। যেমন রাশিয়ার বিপ্লবে লেনিন, কিউবার বিপ্লবে ফিদেল কাস্ত্রো, এমনকি চীনের বিপ্লবে মাও দেজে-ডং।

অন্যদিকে কোনো রাষ্ট্রে যখন মধ্যবিত্ত এলিটের শাসন ভেঙ্গে পড়ে—সেটা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হোক বা অন্য কোনো পদ্ধতির শাসন ব্যবস্থা হোক—তখন রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সামরিক এলিটদের এগিয়ে আসতে হয়। কারণ মধ্যবিত্ত এলিট অর্থাৎ সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের মাধ্যমে গড়ে ওঠা শ্রেণী ছাড়া কখনই রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল করা সম্ভব নয়।

রাষ্ট্র যদি দীর্ঘকালীন অস্থিতিশীলতায় পড়ে, তখন স্বাভাবিকভাবেই রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল করতে সামরিক বাহিনীকে এগিয়ে আসতে হয়। তবে সামরিক শাসন সবসময়ই সাময়িক; এক পর্যায়ে তারা সিভিল শাসন প্রতিষ্ঠা করে, এমনকি নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেও ফিরে আসে, যার ফলে রাষ্ট্র আবার স্বাভাবিক ধারাবাহিকতায় ফিরে যায়। কিন্তু প্রকৃত অর্থে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হলে মধ্যপন্থী রাজনৈতিক দলের উপরই নির্ভর করতে হয়—কারণ তারা সমাজের বড় অংশ, মধ্যবিত্তের প্রতিনিধি।

সুতরাং কোনো রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, ধারাবাহিক উন্নয়ন ও শাসন পরিচালনার জন্য মধ্যপন্থী রাজনৈতিক দলকে ধ্বংস করার প্রচেষ্টা মূলত রাষ্ট্রকে কোনো না কোনো খাদে ফেলে দেয়ার প্রচেষ্টা মাত্র।