১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
তেলের যুদ্ধেই বদলে যাচ্ছে শক্তির হিসাব, নবায়নযোগ্য জ্বালানির উত্থানে নতুন দিশা বৃষ্টি, কালবৈশাখী, ঘূর্ণিঝড়, লঘুচাপ-মে মাসে কেমন থাকবে বাংলাদেশের আবহাওয়া? বর্তমান ইরান ২০১৫ সালের চেয়ে ভিন্ন—এখন আইআরজিসির প্রভাব আরও বেশি ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ, সক্ষমতা আরও জোরালো করল পাকিস্তান সেনাবাহিনী বৃষ্টিতে ডুবল চট্টগ্রাম, বুকসমান পানিতে অচল সড়ক—দুর্ভোগে নগরবাসী যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য ঊর্ধ্বমুখী, ২০২৬ সালে বাড়তে পারে ১৬% চট্টগ্রামে চার সামাজিক সংগঠনের হাতে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার অনুদান, তৃণমূলে উন্নয়নে জোর নেগেরি সেম্বিলানে ক্ষমতার টানাপোড়েন, আনোয়ার জোটে নতুন সংকট ‘দেশে জঙ্গি নেই’—এই বক্তব্য ভুল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে: তথ্য উপদেষ্টা খালি পেটে ৪ ঘরোয়া পানীয়, ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহজ অভ্যাস

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৫০)

আজকের দিনে ঢাকায় ডালপুরি যেগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো খাবার তেমন উপযুক্ত নয়। এখন বাইরের দোকানে ডালপুরি প্রায় পাওয়াই যায় না।

ডাল বাজার

ঢাকার সূত্রাপুরে একটি ছোট বাজার ছিল এখানে, প্রাচীন আমল থেকেই। এখানে শস্য ও ডালের বাজার ছিল। বিভিন্ন জায়গা থেকে এখানে ডাল আসত প্রচুর, সেজন্য এর নাম হয়ে যায় ডাল বাজার। এ বাজারে যে গলিতে ডাল বিক্রি হতো তা পরিচিত ছিল ডালপট্টি নামে। বলা বাহুল্য, সেই ডাল বাজার এখন লুপ্ত কিন্তু নামটি সে সময়ের স্মৃতি বহন করছে।

ডালপুরি

“ডালপুরির জন্য ঢাকা এক সময় বিখ্যাত ছিল। এখনও ঢাকায় ডালপুরি আছে। কিন্তু সেজন্য আর ঢাকা বিখ্যাত নেই। এখন অনেক রকম অন্যান্য খাবার এসে উপস্থিত হয়েছে। ঢাকায় সেকালে ডালপুরি দেখতাম তিন রকম- এক রকম ছিল ময়দা-ঘি দিয়ে ভালো করে মেখে একটু পানি দিয়ে নরম করে সে ময়দার ছোট ছোট বল তৈরি করে তার মধ্যে মসলা দেয়া ডাল দিয়ে মুখ বন্ধ করে বেলে তেলে সেঁকা।

এখনকার ডালপুরি

এতে ডালপুরিটা খুব খাস্তা হতো। অন্য ডালপুরিটা ছিল পানি দিয়ে ময়দা মথে আগের প্রক্রিয়ায় তৈরি করা। এ ডালপুরিটা নরম হতো এবং একটু টেনে ছিঁড়তে হতো। তৃতীয় রকম ডালপুরি ছিল হিন্দুবাড়ির ডালপুরি। ময়দার একটি মাঝারি সাইজের রুটি বানিয়ে তার উপর ভুনা ডাল রাখা হতো এবং আর একটি রুটি নিয়ে এটাকে ঢেকে দুটো রুটির মুখ মুড়ে দেয়া হতো। তারপর সেটাকে তেলে ভাজা হতো।

এ ডালপুরিতে ডাল ছিল প্রধান, ময়দা নয়। আজকের দিনে ঢাকায় ডালপুরি যেগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো খাবার তেমন উপযুক্ত নয়। এখন বাইরের দোকানে ডালপুরি প্রায় পাওয়াই যায় না। বাড়িতে বাড়িতে অবশ্য ডালপুরি তৈরি হয় এবং সেগুলো ভালোই।”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)

তেলের যুদ্ধেই বদলে যাচ্ছে শক্তির হিসাব, নবায়নযোগ্য জ্বালানির উত্থানে নতুন দিশা

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৫০)

০৭:০০:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

আজকের দিনে ঢাকায় ডালপুরি যেগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো খাবার তেমন উপযুক্ত নয়। এখন বাইরের দোকানে ডালপুরি প্রায় পাওয়াই যায় না।

ডাল বাজার

ঢাকার সূত্রাপুরে একটি ছোট বাজার ছিল এখানে, প্রাচীন আমল থেকেই। এখানে শস্য ও ডালের বাজার ছিল। বিভিন্ন জায়গা থেকে এখানে ডাল আসত প্রচুর, সেজন্য এর নাম হয়ে যায় ডাল বাজার। এ বাজারে যে গলিতে ডাল বিক্রি হতো তা পরিচিত ছিল ডালপট্টি নামে। বলা বাহুল্য, সেই ডাল বাজার এখন লুপ্ত কিন্তু নামটি সে সময়ের স্মৃতি বহন করছে।

ডালপুরি

“ডালপুরির জন্য ঢাকা এক সময় বিখ্যাত ছিল। এখনও ঢাকায় ডালপুরি আছে। কিন্তু সেজন্য আর ঢাকা বিখ্যাত নেই। এখন অনেক রকম অন্যান্য খাবার এসে উপস্থিত হয়েছে। ঢাকায় সেকালে ডালপুরি দেখতাম তিন রকম- এক রকম ছিল ময়দা-ঘি দিয়ে ভালো করে মেখে একটু পানি দিয়ে নরম করে সে ময়দার ছোট ছোট বল তৈরি করে তার মধ্যে মসলা দেয়া ডাল দিয়ে মুখ বন্ধ করে বেলে তেলে সেঁকা।

এখনকার ডালপুরি

এতে ডালপুরিটা খুব খাস্তা হতো। অন্য ডালপুরিটা ছিল পানি দিয়ে ময়দা মথে আগের প্রক্রিয়ায় তৈরি করা। এ ডালপুরিটা নরম হতো এবং একটু টেনে ছিঁড়তে হতো। তৃতীয় রকম ডালপুরি ছিল হিন্দুবাড়ির ডালপুরি। ময়দার একটি মাঝারি সাইজের রুটি বানিয়ে তার উপর ভুনা ডাল রাখা হতো এবং আর একটি রুটি নিয়ে এটাকে ঢেকে দুটো রুটির মুখ মুড়ে দেয়া হতো। তারপর সেটাকে তেলে ভাজা হতো।

এ ডালপুরিতে ডাল ছিল প্রধান, ময়দা নয়। আজকের দিনে ঢাকায় ডালপুরি যেগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো খাবার তেমন উপযুক্ত নয়। এখন বাইরের দোকানে ডালপুরি প্রায় পাওয়াই যায় না। বাড়িতে বাড়িতে অবশ্য ডালপুরি তৈরি হয় এবং সেগুলো ভালোই।”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)