০৩:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
মালদ্বীপে গুহায় ডাইভিংয়ে পাঁচ ইতালীয়র মৃত্যু Google Android-কে “ইন্টেলিজেন্স সিস্টেমে” পরিণত করছে — Gemini এখন সব কাজ করবে BLACKPINK-এর Jennie: নিজের এজেন্সি থেকে আয় ১৭০ কোটি টাকারও বেশি BTS-এর ‘Arirang World Tour’ কাল স্ট্যানফোর্ড থেকে শুরু — সাত বছর পর পূর্ণ দলে ফেরা aespa-র নতুন MV “WDA” মুক্তি পেল G-Dragon-কে নিয়ে — ভক্তদের মধ্যে বিস্ফোরণ OpenAI Apple-এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার পথে — iPhone-এ ChatGPT ইন্টিগ্রেশন নিয়ে তিক্ততা তাইওয়ান নিয়ে শি জিনপিংয়ের কড়া বার্তা: ভুল পদক্ষেপ মানেই যুদ্ধ ইরানকে চাপ দিতে পারমাণবিক সাবমেরিন USS Alaska জিব্রাল্টারে পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র সুনামগঞ্জের হাওরে খড় সংকট, গবাদিপশু বিক্রিতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষকরা ইবোলার নতুন আতঙ্ক: কঙ্গোতে ফের প্রাদুর্ভাব, ইতিহাসের ভয়াবহ সংক্রমণগুলো আবার আলোচনায়

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৫০)

আজকের দিনে ঢাকায় ডালপুরি যেগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো খাবার তেমন উপযুক্ত নয়। এখন বাইরের দোকানে ডালপুরি প্রায় পাওয়াই যায় না।

ডাল বাজার

ঢাকার সূত্রাপুরে একটি ছোট বাজার ছিল এখানে, প্রাচীন আমল থেকেই। এখানে শস্য ও ডালের বাজার ছিল। বিভিন্ন জায়গা থেকে এখানে ডাল আসত প্রচুর, সেজন্য এর নাম হয়ে যায় ডাল বাজার। এ বাজারে যে গলিতে ডাল বিক্রি হতো তা পরিচিত ছিল ডালপট্টি নামে। বলা বাহুল্য, সেই ডাল বাজার এখন লুপ্ত কিন্তু নামটি সে সময়ের স্মৃতি বহন করছে।

ডালপুরি

“ডালপুরির জন্য ঢাকা এক সময় বিখ্যাত ছিল। এখনও ঢাকায় ডালপুরি আছে। কিন্তু সেজন্য আর ঢাকা বিখ্যাত নেই। এখন অনেক রকম অন্যান্য খাবার এসে উপস্থিত হয়েছে। ঢাকায় সেকালে ডালপুরি দেখতাম তিন রকম- এক রকম ছিল ময়দা-ঘি দিয়ে ভালো করে মেখে একটু পানি দিয়ে নরম করে সে ময়দার ছোট ছোট বল তৈরি করে তার মধ্যে মসলা দেয়া ডাল দিয়ে মুখ বন্ধ করে বেলে তেলে সেঁকা।

এখনকার ডালপুরি

এতে ডালপুরিটা খুব খাস্তা হতো। অন্য ডালপুরিটা ছিল পানি দিয়ে ময়দা মথে আগের প্রক্রিয়ায় তৈরি করা। এ ডালপুরিটা নরম হতো এবং একটু টেনে ছিঁড়তে হতো। তৃতীয় রকম ডালপুরি ছিল হিন্দুবাড়ির ডালপুরি। ময়দার একটি মাঝারি সাইজের রুটি বানিয়ে তার উপর ভুনা ডাল রাখা হতো এবং আর একটি রুটি নিয়ে এটাকে ঢেকে দুটো রুটির মুখ মুড়ে দেয়া হতো। তারপর সেটাকে তেলে ভাজা হতো।

এ ডালপুরিতে ডাল ছিল প্রধান, ময়দা নয়। আজকের দিনে ঢাকায় ডালপুরি যেগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো খাবার তেমন উপযুক্ত নয়। এখন বাইরের দোকানে ডালপুরি প্রায় পাওয়াই যায় না। বাড়িতে বাড়িতে অবশ্য ডালপুরি তৈরি হয় এবং সেগুলো ভালোই।”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

মালদ্বীপে গুহায় ডাইভিংয়ে পাঁচ ইতালীয়র মৃত্যু

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৫০)

০৭:০০:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

আজকের দিনে ঢাকায় ডালপুরি যেগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো খাবার তেমন উপযুক্ত নয়। এখন বাইরের দোকানে ডালপুরি প্রায় পাওয়াই যায় না।

ডাল বাজার

ঢাকার সূত্রাপুরে একটি ছোট বাজার ছিল এখানে, প্রাচীন আমল থেকেই। এখানে শস্য ও ডালের বাজার ছিল। বিভিন্ন জায়গা থেকে এখানে ডাল আসত প্রচুর, সেজন্য এর নাম হয়ে যায় ডাল বাজার। এ বাজারে যে গলিতে ডাল বিক্রি হতো তা পরিচিত ছিল ডালপট্টি নামে। বলা বাহুল্য, সেই ডাল বাজার এখন লুপ্ত কিন্তু নামটি সে সময়ের স্মৃতি বহন করছে।

ডালপুরি

“ডালপুরির জন্য ঢাকা এক সময় বিখ্যাত ছিল। এখনও ঢাকায় ডালপুরি আছে। কিন্তু সেজন্য আর ঢাকা বিখ্যাত নেই। এখন অনেক রকম অন্যান্য খাবার এসে উপস্থিত হয়েছে। ঢাকায় সেকালে ডালপুরি দেখতাম তিন রকম- এক রকম ছিল ময়দা-ঘি দিয়ে ভালো করে মেখে একটু পানি দিয়ে নরম করে সে ময়দার ছোট ছোট বল তৈরি করে তার মধ্যে মসলা দেয়া ডাল দিয়ে মুখ বন্ধ করে বেলে তেলে সেঁকা।

এখনকার ডালপুরি

এতে ডালপুরিটা খুব খাস্তা হতো। অন্য ডালপুরিটা ছিল পানি দিয়ে ময়দা মথে আগের প্রক্রিয়ায় তৈরি করা। এ ডালপুরিটা নরম হতো এবং একটু টেনে ছিঁড়তে হতো। তৃতীয় রকম ডালপুরি ছিল হিন্দুবাড়ির ডালপুরি। ময়দার একটি মাঝারি সাইজের রুটি বানিয়ে তার উপর ভুনা ডাল রাখা হতো এবং আর একটি রুটি নিয়ে এটাকে ঢেকে দুটো রুটির মুখ মুড়ে দেয়া হতো। তারপর সেটাকে তেলে ভাজা হতো।

এ ডালপুরিতে ডাল ছিল প্রধান, ময়দা নয়। আজকের দিনে ঢাকায় ডালপুরি যেগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো খাবার তেমন উপযুক্ত নয়। এখন বাইরের দোকানে ডালপুরি প্রায় পাওয়াই যায় না। বাড়িতে বাড়িতে অবশ্য ডালপুরি তৈরি হয় এবং সেগুলো ভালোই।”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)