০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই পথ হতে পারে নবায়নযোগ্য শক্তি নিউইয়র্কে মোহন ভাগবতের অনুষ্ঠান আয়োজকদের এক্স অ্যাকাউন্ট স্থগিত ৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ‘টুকু আসে, টুকু যায়’—সংসদে জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে রুমিনের কড়া সমালোচনা কঙ্গোয় ইবোলা মহামারি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, ৩ মাসে মৃত্যু ২,৫০০ ছাড়িয়েছে ‘ইনট্রিনসিক ক্যাপাসিটি’: সুস্থভাবে বার্ধক্য মাপার নতুন বৈজ্ঞানিক সূচক নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত, কবির প্রেরণায় আন্দোলনের কথা স্মরণ কাদের গনি চৌধুরী হলেন বিএসএসের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বাবা-ছেলের মৃত্যু গোপালগঞ্জে ইউএস ওপেনে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় আরিনা সাবালেঙ্কার

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৫০)

আজকের দিনে ঢাকায় ডালপুরি যেগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো খাবার তেমন উপযুক্ত নয়। এখন বাইরের দোকানে ডালপুরি প্রায় পাওয়াই যায় না।

ডাল বাজার

ঢাকার সূত্রাপুরে একটি ছোট বাজার ছিল এখানে, প্রাচীন আমল থেকেই। এখানে শস্য ও ডালের বাজার ছিল। বিভিন্ন জায়গা থেকে এখানে ডাল আসত প্রচুর, সেজন্য এর নাম হয়ে যায় ডাল বাজার। এ বাজারে যে গলিতে ডাল বিক্রি হতো তা পরিচিত ছিল ডালপট্টি নামে। বলা বাহুল্য, সেই ডাল বাজার এখন লুপ্ত কিন্তু নামটি সে সময়ের স্মৃতি বহন করছে।

ডালপুরি

“ডালপুরির জন্য ঢাকা এক সময় বিখ্যাত ছিল। এখনও ঢাকায় ডালপুরি আছে। কিন্তু সেজন্য আর ঢাকা বিখ্যাত নেই। এখন অনেক রকম অন্যান্য খাবার এসে উপস্থিত হয়েছে। ঢাকায় সেকালে ডালপুরি দেখতাম তিন রকম- এক রকম ছিল ময়দা-ঘি দিয়ে ভালো করে মেখে একটু পানি দিয়ে নরম করে সে ময়দার ছোট ছোট বল তৈরি করে তার মধ্যে মসলা দেয়া ডাল দিয়ে মুখ বন্ধ করে বেলে তেলে সেঁকা।

এখনকার ডালপুরি

এতে ডালপুরিটা খুব খাস্তা হতো। অন্য ডালপুরিটা ছিল পানি দিয়ে ময়দা মথে আগের প্রক্রিয়ায় তৈরি করা। এ ডালপুরিটা নরম হতো এবং একটু টেনে ছিঁড়তে হতো। তৃতীয় রকম ডালপুরি ছিল হিন্দুবাড়ির ডালপুরি। ময়দার একটি মাঝারি সাইজের রুটি বানিয়ে তার উপর ভুনা ডাল রাখা হতো এবং আর একটি রুটি নিয়ে এটাকে ঢেকে দুটো রুটির মুখ মুড়ে দেয়া হতো। তারপর সেটাকে তেলে ভাজা হতো।

এ ডালপুরিতে ডাল ছিল প্রধান, ময়দা নয়। আজকের দিনে ঢাকায় ডালপুরি যেগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো খাবার তেমন উপযুক্ত নয়। এখন বাইরের দোকানে ডালপুরি প্রায় পাওয়াই যায় না। বাড়িতে বাড়িতে অবশ্য ডালপুরি তৈরি হয় এবং সেগুলো ভালোই।”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই পথ হতে পারে নবায়নযোগ্য শক্তি

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৫০)

০৭:০০:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

আজকের দিনে ঢাকায় ডালপুরি যেগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো খাবার তেমন উপযুক্ত নয়। এখন বাইরের দোকানে ডালপুরি প্রায় পাওয়াই যায় না।

ডাল বাজার

ঢাকার সূত্রাপুরে একটি ছোট বাজার ছিল এখানে, প্রাচীন আমল থেকেই। এখানে শস্য ও ডালের বাজার ছিল। বিভিন্ন জায়গা থেকে এখানে ডাল আসত প্রচুর, সেজন্য এর নাম হয়ে যায় ডাল বাজার। এ বাজারে যে গলিতে ডাল বিক্রি হতো তা পরিচিত ছিল ডালপট্টি নামে। বলা বাহুল্য, সেই ডাল বাজার এখন লুপ্ত কিন্তু নামটি সে সময়ের স্মৃতি বহন করছে।

ডালপুরি

“ডালপুরির জন্য ঢাকা এক সময় বিখ্যাত ছিল। এখনও ঢাকায় ডালপুরি আছে। কিন্তু সেজন্য আর ঢাকা বিখ্যাত নেই। এখন অনেক রকম অন্যান্য খাবার এসে উপস্থিত হয়েছে। ঢাকায় সেকালে ডালপুরি দেখতাম তিন রকম- এক রকম ছিল ময়দা-ঘি দিয়ে ভালো করে মেখে একটু পানি দিয়ে নরম করে সে ময়দার ছোট ছোট বল তৈরি করে তার মধ্যে মসলা দেয়া ডাল দিয়ে মুখ বন্ধ করে বেলে তেলে সেঁকা।

এখনকার ডালপুরি

এতে ডালপুরিটা খুব খাস্তা হতো। অন্য ডালপুরিটা ছিল পানি দিয়ে ময়দা মথে আগের প্রক্রিয়ায় তৈরি করা। এ ডালপুরিটা নরম হতো এবং একটু টেনে ছিঁড়তে হতো। তৃতীয় রকম ডালপুরি ছিল হিন্দুবাড়ির ডালপুরি। ময়দার একটি মাঝারি সাইজের রুটি বানিয়ে তার উপর ভুনা ডাল রাখা হতো এবং আর একটি রুটি নিয়ে এটাকে ঢেকে দুটো রুটির মুখ মুড়ে দেয়া হতো। তারপর সেটাকে তেলে ভাজা হতো।

এ ডালপুরিতে ডাল ছিল প্রধান, ময়দা নয়। আজকের দিনে ঢাকায় ডালপুরি যেগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো খাবার তেমন উপযুক্ত নয়। এখন বাইরের দোকানে ডালপুরি প্রায় পাওয়াই যায় না। বাড়িতে বাড়িতে অবশ্য ডালপুরি তৈরি হয় এবং সেগুলো ভালোই।”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)