০১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
আমেরিকার ‘রাজপরিবার’ কাহিনি: কেনেডি প্রেমগাথা সিরিজে বাস্তবের চেয়ে নাটকই বেশি? ওজন কমানোর বড়ি: চিকিৎসায় নতুন যুগ নাকি নতুন ঝুঁকি? মানুষের রক্তেই ঝুঁকছে মশা! বন ধ্বংসে বাড়ছে নতুন বিপদ রোজার রাতে আমিরাতের ‘ঘাবগা’ ঐতিহ্য: পরিবার-বন্ধুদের মিলনে ভরে ওঠে রাত তেল সরবরাহে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধাক্কা, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে সতর্ক করল আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা কী এই ইরানের সমুদ্র মাইন: যা হয়ে উঠতে পারে এই যুদ্ধে আমেরিকার জন্য ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন ভারতে জ্বালানি ঘাটতির আশঙ্কা নেই, সংসদে আশ্বাস জ্বালানি মন্ত্রীর ইতিবাচক ধারায় সপ্তাহ শেষ করল ডিএসই ও সিএসই সূচক মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী দম্পতির মৃত্যু বাগেরহাটে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: একই পরিবারের ১০ জনসহ নিহত ১২

মার্কিন-ভারত ২+২ অন্তর্বর্তীকালীন সংলাপ

ভার্চুয়াল বৈঠকের আয়োজন

২৫ আগস্ট ২০২৫ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বেথানি পি. মরিসন এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তা বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত সহকারী সচিব জেডিদিয়াহ পি. রয়্যাল যৌথভাবে মার্কিন-ভারত ২+২ অন্তর্বর্তীকালীন সংলাপের সহ-সভাপতিত্ব করেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাগারাজ নাইডু কাকানুর এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বিশ্বেশ নেগি এই বৈঠকে অংশ নেন।

দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা

বৈঠকে উভয় দেশের কর্মকর্তারা দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি তারা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা—বিশেষত বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা জোরদার করা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ অনুসন্ধান, মাদকবিরোধী কার্যক্রম এবং সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতাসহ নানা কৌশলগত অগ্রাধিকার নিয়ে মতবিনিময় করেন।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সম্প্রসারণ

উভয় পক্ষ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বৃদ্ধির ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ভারত প্রধান প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের জন্য নতুন দশ বছরের কাঠামো স্বাক্ষর, প্রতিরক্ষা শিল্প, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে অগ্রগতি, যৌথ কার্যক্রম সমন্বয়, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং তথ্য বিনিময়।

কমপ্যাক্ট উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

কর্মকর্তারা জানান, এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতিকে মার্কিন-ভারত কমপ্যাক্ট (Catalyzing Opportunities for Military Partnership, Accelerated Commerce & Technology) উদ্যোগের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করা হবে। এই সহযোগিতা ২১ শতক এবং ভবিষ্যতে উভয় দেশের অংশীদারিত্বকে সমৃদ্ধ করবে।

ইন্দো-প্যাসিফিক ও কোয়াড সহযোগিতা

সভাপতিরা কোয়াডের মাধ্যমে একটি নিরাপদ, শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকের সমাপ্তি

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ ফলপ্রসূ আলোচনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত ও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই সহযোগিতা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের জনগণের জন্য উপকার বয়ে আনবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকার ‘রাজপরিবার’ কাহিনি: কেনেডি প্রেমগাথা সিরিজে বাস্তবের চেয়ে নাটকই বেশি?

মার্কিন-ভারত ২+২ অন্তর্বর্তীকালীন সংলাপ

০৫:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

ভার্চুয়াল বৈঠকের আয়োজন

২৫ আগস্ট ২০২৫ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বেথানি পি. মরিসন এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তা বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত সহকারী সচিব জেডিদিয়াহ পি. রয়্যাল যৌথভাবে মার্কিন-ভারত ২+২ অন্তর্বর্তীকালীন সংলাপের সহ-সভাপতিত্ব করেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাগারাজ নাইডু কাকানুর এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বিশ্বেশ নেগি এই বৈঠকে অংশ নেন।

দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা

বৈঠকে উভয় দেশের কর্মকর্তারা দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি তারা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা—বিশেষত বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা জোরদার করা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ অনুসন্ধান, মাদকবিরোধী কার্যক্রম এবং সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতাসহ নানা কৌশলগত অগ্রাধিকার নিয়ে মতবিনিময় করেন।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সম্প্রসারণ

উভয় পক্ষ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বৃদ্ধির ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ভারত প্রধান প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের জন্য নতুন দশ বছরের কাঠামো স্বাক্ষর, প্রতিরক্ষা শিল্প, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে অগ্রগতি, যৌথ কার্যক্রম সমন্বয়, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং তথ্য বিনিময়।

কমপ্যাক্ট উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

কর্মকর্তারা জানান, এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতিকে মার্কিন-ভারত কমপ্যাক্ট (Catalyzing Opportunities for Military Partnership, Accelerated Commerce & Technology) উদ্যোগের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করা হবে। এই সহযোগিতা ২১ শতক এবং ভবিষ্যতে উভয় দেশের অংশীদারিত্বকে সমৃদ্ধ করবে।

ইন্দো-প্যাসিফিক ও কোয়াড সহযোগিতা

সভাপতিরা কোয়াডের মাধ্যমে একটি নিরাপদ, শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকের সমাপ্তি

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ ফলপ্রসূ আলোচনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত ও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই সহযোগিতা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের জনগণের জন্য উপকার বয়ে আনবে।