০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
বিলুপ্তির মুখে কাকাপো, রিমু ফলেই ফিরছে আশার আলো ডিজিটাল সরকারে আস্থা শক্তিশালী করার পাঁচটি উপায় অ্যাস্টন মার্টিনের দুঃস্বপ্নের শুরু, কম্পনে বিপর্যস্ত গাড়ি, চালকদের শারীরিক ঝুঁকি বাড়ছে শেভ্রোলেটের দখলে উজবেকিস্তান, চীনের বৈদ্যুতিক গাড়ির চাপে বদলাচ্ছে ‘শেভ্রোলেটস্তান’ এশিয়া-প্যাসিফিক অর্থনীতিতে নতুন বাস্তবতা: পরিবর্তনের চাপে নীতি ও বাজারের লড়াই ভরপুর বাজার, তবু সংকটে চীনের খামার শিল্প ব্রাজিলের বায়োফুয়েল শক্তি: জ্বালানি সংকটে এক গোপন ঢাল হার্ট অ্যাটাকে দেরি মানেই মৃত্যু ঝুঁকি, চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্বলতায় বাড়ছে বিপদ আখচাষিদের বকেয়া ৩২ গুণ বৃদ্ধি, কোটি কোটি টাকা আটকে—চাপ বাড়ছে কৃষকের জীবনে উত্তরাখণ্ডে ভাঙন, ছয় নেতা বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে

সোনা বপন [পর্ব-৩]

  • Sarakhon Report
  • ০৪:০০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪
  • 151

আফান্দীর গল্প

সেন্ট্রাল এশিয়ার দেশগুলোতে তাকে নাসিরুদ্দিন হোজ্জা নামে জানে। ভারত উপমহাদেশে তিনি মোল্লা নাসিরুদ্দিন নামে পরিচিত। পৃথিবীর অন্যান্য ভাষায়ও তার এই ধরনের গল্পগুলো নানা নামে পাওয়া যায়। চায়নাতে তাকে পাওয়া যায় আফান্দী নামে। এই হোজ্জা বা মোল্লা নাসিরুদ্দিনের গল্প চায়নায় আফান্দী নামে প্রচলিত থাকলেও গল্পগুলোর ভেতরে একই আমেজ পাওয়া যায়। সারাক্ষণে আফান্দীর গল্পগুলো ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে।

 

 

৫. লোভী জমিদার মনে মনে ভাবল, “আল্লাহ আমাকে বড় লোক হবার সুযোগ করে দিলেন।” তারপর সে হাসিমুখে আফান্দীকে বলল, “ভাই আফান্দী, তোমার বাড়ীতে দেখতে যাবার দরকার নেই। তোমার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। আমি তোমার অংশীদাররূপে সোনার বীজ বপন করবো। সোনা ফললে দশ ভাগের আট ভাগ আনাকে দিলেই চলবে। কারণ এই জমি তো আমারই।”

 

 

৬. আফান্দী খুশী হয়ে বলল, “ঠিক আছে, আমি রাজী আছি। সোনা ফললে দশ ভাগের দুভাগ আমি নেব। তাতেও আমার লাভ ছাড়া লোকসান নেই।”

৭. জমিদার ভাবল, শুধু মুখের কথায় বিশ্বাস না রাখাই ভাল। তাই একজন কাজিকে ‘সাক্ষী হিসেবে ডেকে আনল। কাজি বলল, “আমি তোমাদের কথার সাক্ষী রইলাম। আফান্দী, সোনা যে কোনো জায়গায় তুমি বপন করতে পারো, আসছে রোববার তুমি প্রভুকে আট তোলা সোনা দিয়ে আসবে।”

 

সোনা বপন [পর্ব-২]

সোনা বপন [পর্ব-২]

জনপ্রিয় সংবাদ

বিলুপ্তির মুখে কাকাপো, রিমু ফলেই ফিরছে আশার আলো

সোনা বপন [পর্ব-৩]

০৪:০০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

আফান্দীর গল্প

সেন্ট্রাল এশিয়ার দেশগুলোতে তাকে নাসিরুদ্দিন হোজ্জা নামে জানে। ভারত উপমহাদেশে তিনি মোল্লা নাসিরুদ্দিন নামে পরিচিত। পৃথিবীর অন্যান্য ভাষায়ও তার এই ধরনের গল্পগুলো নানা নামে পাওয়া যায়। চায়নাতে তাকে পাওয়া যায় আফান্দী নামে। এই হোজ্জা বা মোল্লা নাসিরুদ্দিনের গল্প চায়নায় আফান্দী নামে প্রচলিত থাকলেও গল্পগুলোর ভেতরে একই আমেজ পাওয়া যায়। সারাক্ষণে আফান্দীর গল্পগুলো ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে।

 

 

৫. লোভী জমিদার মনে মনে ভাবল, “আল্লাহ আমাকে বড় লোক হবার সুযোগ করে দিলেন।” তারপর সে হাসিমুখে আফান্দীকে বলল, “ভাই আফান্দী, তোমার বাড়ীতে দেখতে যাবার দরকার নেই। তোমার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। আমি তোমার অংশীদাররূপে সোনার বীজ বপন করবো। সোনা ফললে দশ ভাগের আট ভাগ আনাকে দিলেই চলবে। কারণ এই জমি তো আমারই।”

 

 

৬. আফান্দী খুশী হয়ে বলল, “ঠিক আছে, আমি রাজী আছি। সোনা ফললে দশ ভাগের দুভাগ আমি নেব। তাতেও আমার লাভ ছাড়া লোকসান নেই।”

৭. জমিদার ভাবল, শুধু মুখের কথায় বিশ্বাস না রাখাই ভাল। তাই একজন কাজিকে ‘সাক্ষী হিসেবে ডেকে আনল। কাজি বলল, “আমি তোমাদের কথার সাক্ষী রইলাম। আফান্দী, সোনা যে কোনো জায়গায় তুমি বপন করতে পারো, আসছে রোববার তুমি প্রভুকে আট তোলা সোনা দিয়ে আসবে।”

 

সোনা বপন [পর্ব-২]

সোনা বপন [পর্ব-২]