০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬
এশীয় রান্নাঘরের আট অপরিহার্য সস, স্বাদের গভীরে ইতিহাসের ছোঁয়া উচ্চ অ্যাপার্টমেন্টের গল্প ভবিষ্যতের হাঁটু সুরক্ষায় আজই প্রস্তুতি নিন, ছোট অভ্যাসেই বড় স্বস্তির পথ বীজের তেল নিয়ে ভয় কতটা সত্য, কতটা ভুল: বিজ্ঞান কী বলছে ডিজনির ইতিহাসে নতুন মাইলফলক অ্যানিমেশন দুনিয়ায় রেকর্ড গড়ল জুটোপিয়া টু চীনের কারখানায় ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত, আট মাসের মন্দা ভেঙে ডিসেম্বরে উৎপাদন বাড়ল তাইওয়ান ঘিরে চীনের সামরিক মহড়া, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানের বার্তা ধান রপ্তানিতে ভারতের আধিপত্য, নীরবে গভীর হচ্ছে পানির সংকট সিগারেটে নতুন করের ধাক্কা, ধসে ভারতের তামাক শেয়ার বাজার মার্কিন শ্রমবাজারে বছরের শেষে স্বস্তির ইঙ্গিত, তবে অনিশ্চয়তা কাটেনি

খুচরা সার বিক্রেতাদের মানববন্ধন: লাইসেন্স বাতিল স্থগিত ও টিও নিবন্ধন দাবি

জীবিকার অনিশ্চয়তায় হাজারো খুচরা বিক্রেতা

৭ অক্টোবর ২০২৫, মঙ্গলবার সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর ঢাকা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কেএসবিএবি)।

সংগঠনটি প্রধান উপদেষ্টার নিকট স্মারকলিপি প্রদান করে সারা দেশের খুচরা সার বিক্রেতাদের লাইসেন্স বাতিল প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবি জানিয়েছে। একইসঙ্গে আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ট্রেড লাইসেন্স (টিও) নিবন্ধনের সুযোগ করে দেওয়ারও দাবি জানানো হয়।

সরকারের ঘোষণায় উদ্বেগ

মানববন্ধনে প্রধান সমন্বয়ক মোহা. একরামুল হক সোহেল বলেন, “সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে—দেশজুড়ে লাইসেন্সধারী খুচরা সার বিক্রেতাদের সনদ স্থগিত করা হবে এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধ করা হবে। এই ঘোষণায় দেশের প্রায় ৪৪ হাজার বিক্রেতা ও তাদের পরিবার গভীর উদ্বেগে আছেন।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে কৃষকদের কাছে সার সরবরাহ করে আসছি। অনেকেই ব্যাংক ঋণ নিয়ে এ ব্যবসা টিকিয়ে রেখেছেন। সিন্ডিকেটবিরোধী অবস্থানে থাকার কারণে আমাদের অনেক সময় চাপে পড়তে হয়। নতুন এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে শুধু ব্যবসা নয়, হাজারো পরিবার অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।”

নীতিমালা পুনর্বিবেচনার আহ্বান

খুচরা সার বিক্রেতা সংগঠনের দাবি, তারা তিন দশক ধরে দেশের সার সরবরাহ ব্যবস্থার অংশীদার হিসেবে কাজ করছেন। এই দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতা ও কৃষকদের সঙ্গে সম্পর্কের ভিত্তিতে তারা সরকারের কাছে বর্তমান নীতিমালা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

সংগঠনটির নেতারা বলেন, খুচরা বিক্রেতাদের লাইসেন্স বাতিল হলে সার সরবরাহ প্রক্রিয়া বিপর্যস্ত হতে পারে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে কৃষকের ওপর। তারা মনে করেন, প্রায় ৫ কোটি কৃষক প্রতিনিয়ত খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমেই সার সংগ্রহ করেন—এই চেইন ভেঙে গেলে খাদ্য নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়তে পারে।

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অংশগ্রহণ

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা সমন্বয়ক মো. জসীম উদ্দিন, উত্তরাঞ্চল সমন্বয়ক ওসমান গনি, কক্সবাজারের সমন্বয়ক আনোয়ার হোসেন, লালমনিরহাটের নুরুল দুদু, ফরিদপুরের তাপস পাল, পাবনার সফিউল ইসলাম, মানিকগঞ্জের আওলাদ হোসেন, ময়মনসিংহের ওসমান গনি, জয়পুরহাটের দুলু, খুলনার শরিফুল ইসলাম, কুষ্টিয়ার সাইদুল ইসলাম, রংপুরের ওসমান, ঠাকুরগাঁওয়ের সিরাজ উদ্দিন, পটুয়াখালীর গোলাম মোস্তফা, খাগড়াছড়ির দুলাল মিয়া, বান্দরবনের ফোরকান এবং রাজবাড়ীর জলিলসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত শতাধিক খুচরা সার বিক্রেতা।

মানববন্ধন শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টার কাছে লিখিত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

#খুচরা_সার_বিক্রেতা #কৃষি_নীতি #মানববন্ধন #স্মারকলিপি #কৃষক_সংকট #বাংলাদেশ #অ্যাসোসিয়েশন_অব_বাংলাদেশ #সারাক্ষণ_রিপোর্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

এশীয় রান্নাঘরের আট অপরিহার্য সস, স্বাদের গভীরে ইতিহাসের ছোঁয়া

খুচরা সার বিক্রেতাদের মানববন্ধন: লাইসেন্স বাতিল স্থগিত ও টিও নিবন্ধন দাবি

০৭:১৩:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

জীবিকার অনিশ্চয়তায় হাজারো খুচরা বিক্রেতা

৭ অক্টোবর ২০২৫, মঙ্গলবার সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর ঢাকা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কেএসবিএবি)।

সংগঠনটি প্রধান উপদেষ্টার নিকট স্মারকলিপি প্রদান করে সারা দেশের খুচরা সার বিক্রেতাদের লাইসেন্স বাতিল প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবি জানিয়েছে। একইসঙ্গে আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ট্রেড লাইসেন্স (টিও) নিবন্ধনের সুযোগ করে দেওয়ারও দাবি জানানো হয়।

সরকারের ঘোষণায় উদ্বেগ

মানববন্ধনে প্রধান সমন্বয়ক মোহা. একরামুল হক সোহেল বলেন, “সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে—দেশজুড়ে লাইসেন্সধারী খুচরা সার বিক্রেতাদের সনদ স্থগিত করা হবে এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধ করা হবে। এই ঘোষণায় দেশের প্রায় ৪৪ হাজার বিক্রেতা ও তাদের পরিবার গভীর উদ্বেগে আছেন।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে কৃষকদের কাছে সার সরবরাহ করে আসছি। অনেকেই ব্যাংক ঋণ নিয়ে এ ব্যবসা টিকিয়ে রেখেছেন। সিন্ডিকেটবিরোধী অবস্থানে থাকার কারণে আমাদের অনেক সময় চাপে পড়তে হয়। নতুন এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে শুধু ব্যবসা নয়, হাজারো পরিবার অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।”

নীতিমালা পুনর্বিবেচনার আহ্বান

খুচরা সার বিক্রেতা সংগঠনের দাবি, তারা তিন দশক ধরে দেশের সার সরবরাহ ব্যবস্থার অংশীদার হিসেবে কাজ করছেন। এই দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতা ও কৃষকদের সঙ্গে সম্পর্কের ভিত্তিতে তারা সরকারের কাছে বর্তমান নীতিমালা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

সংগঠনটির নেতারা বলেন, খুচরা বিক্রেতাদের লাইসেন্স বাতিল হলে সার সরবরাহ প্রক্রিয়া বিপর্যস্ত হতে পারে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে কৃষকের ওপর। তারা মনে করেন, প্রায় ৫ কোটি কৃষক প্রতিনিয়ত খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমেই সার সংগ্রহ করেন—এই চেইন ভেঙে গেলে খাদ্য নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়তে পারে।

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অংশগ্রহণ

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা সমন্বয়ক মো. জসীম উদ্দিন, উত্তরাঞ্চল সমন্বয়ক ওসমান গনি, কক্সবাজারের সমন্বয়ক আনোয়ার হোসেন, লালমনিরহাটের নুরুল দুদু, ফরিদপুরের তাপস পাল, পাবনার সফিউল ইসলাম, মানিকগঞ্জের আওলাদ হোসেন, ময়মনসিংহের ওসমান গনি, জয়পুরহাটের দুলু, খুলনার শরিফুল ইসলাম, কুষ্টিয়ার সাইদুল ইসলাম, রংপুরের ওসমান, ঠাকুরগাঁওয়ের সিরাজ উদ্দিন, পটুয়াখালীর গোলাম মোস্তফা, খাগড়াছড়ির দুলাল মিয়া, বান্দরবনের ফোরকান এবং রাজবাড়ীর জলিলসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত শতাধিক খুচরা সার বিক্রেতা।

মানববন্ধন শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টার কাছে লিখিত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

#খুচরা_সার_বিক্রেতা #কৃষি_নীতি #মানববন্ধন #স্মারকলিপি #কৃষক_সংকট #বাংলাদেশ #অ্যাসোসিয়েশন_অব_বাংলাদেশ #সারাক্ষণ_রিপোর্ট