০৫:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
ফরিদপুরে পদ্মায় উল্টে ট্রাক্টর, প্রাণ গেল চালকের আইএসএসে বায়ু লিক আতঙ্ক কাটিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরছেন নভোচারীরা গণতন্ত্র রক্ষায় ষড়যন্ত্র মোকাবিলার আহ্বান ফখরুলের, সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ ভারতে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে পরিচয়পত্র গ্রহণ করলেন ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার দিল্লিতে চিকিৎসা করতে এসে আগুনে পুড়ে মৃত্যু, ‘আরবান ভিলেজ’গুলো কেন অগ্নিকাণ্ডে মরণফাঁদ হয়ে ওঠে? ইংল্যান্ডের ‘ঘরে ফেরানোর’ বিশ্বকাপ দলে কারা কারা আছেন? পদ্মায় বাসডুবি: ফেরিঘাটে নামতে রাজি ছিলেন না অনেক যাত্রী নতুন শ্রমজীবী কারা? অর্থনীতির বদলে যাওয়া বাস্তবতায় এক পুরোনো পরিচয়ের সংকট ছাত্রলীগের মিছিল ঘিরে নোয়াখালীতে উত্তেজনা, বাধা দিয়ে সরে গেলো পুলিশ জন্মদিন

নারায়ণগঞ্জে কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ৭ শ্রমিক

নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার পঞ্চদোনা এলাকায় একটি সীসা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত সাতজন শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। রোববার সকাল ১০টার দিকে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।


পঞ্চদোনা এলাকায় সীসা তৈরির কারখানায় আগুন

সদর থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, হঠাৎ করে কারখানায় আগুন ছড়িয়ে পড়লে কর্মরত শ্রমিকরা ছুটোছুটি শুরু করেন। এতে সাতজন শ্রমিক দগ্ধ হন এবং কারখানার ভেতরের কিছু যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


দ্রুত উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস

ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেন। আগুন নেভাতে সময় লাগে প্রায় এক ঘণ্টা।


আহতদের হাসপাতালে ভর্তি

দগ্ধ শ্রমিকদের প্রথমে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।
তারা হলেন: মোজাম্মেল হোসেন (১৯), কাদির মিয়ার ছেলে; হোসেন আলী (২৪), সাদ্দাম মিয়ার ছেলে; এবং তায়জুল ইসলাম (২৫), সাদ্দাম হোসেনের ছেলে।

বাকি চারজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জে তোয়ালে তৈরির কারখানায় আগুন

চিকিৎসকের বক্তব্য

সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. ফারিদা গুলশন আরা কবির জানান, আহতদের মধ্যে দুইজনের শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ এবং আরেকজনের ৫০ শতাংশ অংশ পুড়ে গেছে। গুরুতর দগ্ধদের দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়েছে যাতে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া যায়।


দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান চলছে

কারখানায় কীভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ ও দমকল বাহিনী যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কারখানার বৈদ্যুতিক সার্কিটে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে।


শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক

দুর্ঘটনার পর কারখানার অন্য শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, কারখানাটিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি ছিল এবং অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জামও পর্যাপ্ত ছিল না। প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্তে যদি অবহেলার প্রমাণ মেলে, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


#নারায়ণগঞ্জ #কারখানায়আগুন #শ্রমিকদগ্ধ #দমকল #সারাক্ষণরিপোর্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুরে পদ্মায় উল্টে ট্রাক্টর, প্রাণ গেল চালকের

নারায়ণগঞ্জে কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ৭ শ্রমিক

০৭:১৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার পঞ্চদোনা এলাকায় একটি সীসা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত সাতজন শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। রোববার সকাল ১০টার দিকে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।


পঞ্চদোনা এলাকায় সীসা তৈরির কারখানায় আগুন

সদর থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, হঠাৎ করে কারখানায় আগুন ছড়িয়ে পড়লে কর্মরত শ্রমিকরা ছুটোছুটি শুরু করেন। এতে সাতজন শ্রমিক দগ্ধ হন এবং কারখানার ভেতরের কিছু যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


দ্রুত উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস

ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেন। আগুন নেভাতে সময় লাগে প্রায় এক ঘণ্টা।


আহতদের হাসপাতালে ভর্তি

দগ্ধ শ্রমিকদের প্রথমে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।
তারা হলেন: মোজাম্মেল হোসেন (১৯), কাদির মিয়ার ছেলে; হোসেন আলী (২৪), সাদ্দাম মিয়ার ছেলে; এবং তায়জুল ইসলাম (২৫), সাদ্দাম হোসেনের ছেলে।

বাকি চারজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জে তোয়ালে তৈরির কারখানায় আগুন

চিকিৎসকের বক্তব্য

সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. ফারিদা গুলশন আরা কবির জানান, আহতদের মধ্যে দুইজনের শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ এবং আরেকজনের ৫০ শতাংশ অংশ পুড়ে গেছে। গুরুতর দগ্ধদের দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়েছে যাতে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া যায়।


দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান চলছে

কারখানায় কীভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ ও দমকল বাহিনী যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কারখানার বৈদ্যুতিক সার্কিটে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে।


শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক

দুর্ঘটনার পর কারখানার অন্য শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, কারখানাটিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি ছিল এবং অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জামও পর্যাপ্ত ছিল না। প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্তে যদি অবহেলার প্রমাণ মেলে, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


#নারায়ণগঞ্জ #কারখানায়আগুন #শ্রমিকদগ্ধ #দমকল #সারাক্ষণরিপোর্ট