০২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
রামাদানের খাদ্যসামগ্রী বিক্রিতে দেশের জুড়ে মোবাইল ট্রাক কার্যক্রম শুরু করবে টি সি বি পিকেএসএফ যুবদের দক্ষতা উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত গড়ে তুলছে বিরাট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা “ডেটা সিটি” বিশাখাপত্তনামে, বিশ্ব ডিজিটাল প্রতিযোগিতায় বড় পালা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ‘অস্ত্র’ বানাচ্ছে সাইবার অপরাধীরা, সিঙ্গাপুরে ইন্টারপোলের গোপন যুদ্ধকক্ষ থেকে বিশ্বজুড়ে পাল্টা লড়াই যুক্তরাষ্ট্র–জাপান সম্পর্ক আরও জোরদার, চীনের চাপের মুখে কূটনৈতিক সমীকরণে নতুন বার্তা অভিনেত্রীর ‘ওপেন টু ওয়ার্ক’ পোস্টে উত্তাল ইন্দোনেশিয়া, সামনে এলো তরুণ বেকারত্বের কঠিন বাস্তবতা বিশ্বকাপ সম্প্রচার অধিকারের ব্যয় উদ্বেগ: ২০২৬ সংস্করণে নতুন চমক রেকর্ড নিচে এডিপি বাস্তবায়ন: অর্থনীতি ও উন্নয়নে সঙ্কটের সংকেত টিকা না নিয়েও সিঙ্গাপুরে রুবেলা ছড়ানোর ভয় কম বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: আক্রান্ত শিশুদের জন্য উদ্বিগ্ন মাত্র ওবামা এলিয়েনের অস্তিত্ব নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন

আফগান সীমান্তের কাছে মির আলিতে আত্মঘাতী বোমা ও বন্দুকধারীর হামলা”

সীমান্তে তৎপরতা ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া
উত্তর ওয়াজিরিস্তানের মির আলিতে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি বড় কম্পাউন্ডে আত্মঘাতী গাড়িবোমার আঘাতে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পুলিশ বলছে, পাকিস্তানি তালেবানের (টিটিপি) সমর্থনে হামলাটি চালানো হয়; বিস্ফোরণের অভিঘাতে আশপাশের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং স্থানীয়দের ঘরে অবস্থান করতে বলা হয়। অন্তত ছয় হামলাকারী নিহত হয়েছে—এমন প্রাথমিক তথ্য দিয়েছে পুলিশ; ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চলায় হতাহতের পূর্ণচিত্র এখনো পরিষ্কার নয়। সীমান্তঘেঁষা এ জেলাগুলো কেন ঝুঁকিপূর্ণ—সেটি আবারও সামনে এল; ক্রস-বর্ডার নেটওয়ার্ক, স্থানীয় সেল ও চোরাচালান রুটের দীর্ঘ ইতিহাস এখানে রাষ্ট্রের চ্যালেঞ্জ বাড়িয়ে দেয়। কঠোর অভিযান, আলোচনা ও কাবুলের সঙ্গে সমন্বয়—এই ত্রিমুখী নীতির মধ্যে বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো পাকিস্তানের জন্য কঠিন হয়ে উঠছে।
কেন মির আলি গুরুত্বপূর্ণ, এরপর কী
লজিস্টিক রুটের গিরায় বসা মির আলি বহুদিন ধরেই সংঘাতের কেন্দ্র—সীমান্ত টহল শিথিল হলেই এখানে সশস্ত্র দলগুলো সাহসী পরীক্ষা চালায়। শুক্রবারের কৌশলও পুরোনো: প্রথমে গাড়িবোমায় পরিমাপকৃত গেট ভাঙা, তারপর ছোট ইউনিট নিয়ে অভ্যন্তরে ঢুকে পড়া। এখন তদন্তকারীরা দেখবেন—কীভাবে হামলাকারীরা মোতায়েন হলো, কী অস্ত্র ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করল, আর সুবিধাদাতারা কীভাবে চেকপোস্ট এড়িয়ে গেল। তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ হিসেবে কারফিউ, কর্ডন-অ্যান্ড-সার্চ ও সড়ক নিয়ন্ত্রণ বাড়বে; পাশাপাশি ঘাঁটির নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সমন্বয় নতুন করে পর্যালোচনা হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন—টিটিপি-র স্প্লিন্টার গ্রুপে চাপ বজায় রাখা জরুরি, তবে সীমান্ত নজরদারি ও স্থানীয় অর্থনীতির উন্নতি ছাড়া নিয়োগ-বেস কমানো যাবে না। আপাতত বাসিন্দাদের জন্য বাড়তি টহল, চেকিং আর অনিয়মিত পরিষেবা—এই বাস্তবতাই সামনে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রামাদানের খাদ্যসামগ্রী বিক্রিতে দেশের জুড়ে মোবাইল ট্রাক কার্যক্রম শুরু করবে টি সি বি

আফগান সীমান্তের কাছে মির আলিতে আত্মঘাতী বোমা ও বন্দুকধারীর হামলা”

০৭:০০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

সীমান্তে তৎপরতা ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া
উত্তর ওয়াজিরিস্তানের মির আলিতে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি বড় কম্পাউন্ডে আত্মঘাতী গাড়িবোমার আঘাতে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পুলিশ বলছে, পাকিস্তানি তালেবানের (টিটিপি) সমর্থনে হামলাটি চালানো হয়; বিস্ফোরণের অভিঘাতে আশপাশের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং স্থানীয়দের ঘরে অবস্থান করতে বলা হয়। অন্তত ছয় হামলাকারী নিহত হয়েছে—এমন প্রাথমিক তথ্য দিয়েছে পুলিশ; ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চলায় হতাহতের পূর্ণচিত্র এখনো পরিষ্কার নয়। সীমান্তঘেঁষা এ জেলাগুলো কেন ঝুঁকিপূর্ণ—সেটি আবারও সামনে এল; ক্রস-বর্ডার নেটওয়ার্ক, স্থানীয় সেল ও চোরাচালান রুটের দীর্ঘ ইতিহাস এখানে রাষ্ট্রের চ্যালেঞ্জ বাড়িয়ে দেয়। কঠোর অভিযান, আলোচনা ও কাবুলের সঙ্গে সমন্বয়—এই ত্রিমুখী নীতির মধ্যে বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো পাকিস্তানের জন্য কঠিন হয়ে উঠছে।
কেন মির আলি গুরুত্বপূর্ণ, এরপর কী
লজিস্টিক রুটের গিরায় বসা মির আলি বহুদিন ধরেই সংঘাতের কেন্দ্র—সীমান্ত টহল শিথিল হলেই এখানে সশস্ত্র দলগুলো সাহসী পরীক্ষা চালায়। শুক্রবারের কৌশলও পুরোনো: প্রথমে গাড়িবোমায় পরিমাপকৃত গেট ভাঙা, তারপর ছোট ইউনিট নিয়ে অভ্যন্তরে ঢুকে পড়া। এখন তদন্তকারীরা দেখবেন—কীভাবে হামলাকারীরা মোতায়েন হলো, কী অস্ত্র ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করল, আর সুবিধাদাতারা কীভাবে চেকপোস্ট এড়িয়ে গেল। তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ হিসেবে কারফিউ, কর্ডন-অ্যান্ড-সার্চ ও সড়ক নিয়ন্ত্রণ বাড়বে; পাশাপাশি ঘাঁটির নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সমন্বয় নতুন করে পর্যালোচনা হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন—টিটিপি-র স্প্লিন্টার গ্রুপে চাপ বজায় রাখা জরুরি, তবে সীমান্ত নজরদারি ও স্থানীয় অর্থনীতির উন্নতি ছাড়া নিয়োগ-বেস কমানো যাবে না। আপাতত বাসিন্দাদের জন্য বাড়তি টহল, চেকিং আর অনিয়মিত পরিষেবা—এই বাস্তবতাই সামনে।