০২:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সংকটে এশিয়ার মুদ্রা চাপে, বাড়ছে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ঝুঁকি  দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভিড় বাড়ায় নতুন বাজারে ঝুঁকছে চীনা মিল্ক টি ব্র্যান্ড কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরানে মার্কিন অভিযান শেষ হতে পারে, তবুও চলছেই বিমান হামলা নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অলির গ্রেপ্তার: জেন-জি বিক্ষোভে মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত জোরদার জাভার উপকূল ভাঙনে বিপর্যয়, ৮০ বিলিয়ন ডলারের সমুদ্রপ্রাচীর পরিকল্পনায় ইন্দোনেশিয়া কে-পপ ডেমন হান্টার্স সিক্যুয়েল নিশ্চিত: পরিচালক ও নেটফ্লিক্স আবারও একসঙ্গে  নাসার মঙ্গল রোভার এআই দিয়ে প্রথমবার স্বায়ত্তশাসিত অভিযান সম্পন্ন করল ইউরোপের ২০ বিলিয়ন ইউরোর ‘ডিজিটাল বিচ্ছেদ’: মার্কিন প্রযুক্তি থেকে দূরত্ব নিচ্ছে ইইউ ডেনমার্কে হঠাৎ নির্বাচন: গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পকে রুখে দিয়ে জনপ্রিয়তা পেলেন প্রধানমন্ত্রী ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার বাল্টিক তেল রপ্তানির ৪০ শতাংশ বন্ধ

আরএফকে জুনিয়রের ‘মেক আমেরিকা হেলদি এগেইন’ নীতিতে বদল আসছে খাদ্যাভ্যাসে

আমেরিকানদের জন্য সরকার বহু বছর ধরে যে খাদ্য পরামর্শ দিয়ে আসছে, বিশেষত চর্বিযুক্ত খাবার কম খাওয়ার আহ্বান, তা শিগগিরই বদলে যেতে পারে। নতুন নির্দেশিকায় স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বি খাওয়ার ওপর জোর দেওয়া হতে পারে, যা এক বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।


খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তনের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যসচিব রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়র জুলাই মাসে জানান, সরকার “সাধারণ জ্ঞাননির্ভর খাদ্য নির্দেশিকা” প্রকাশ করবে, যেখানে দুধ, ভালো মাংস, তাজা সবজি এবং বিশেষভাবে স্যাচুরেটেড ফ্যাট খাওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হবে।
গত মাসে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের “মেক আমেরিকা হেলদি এগেইন” বা ‘মাহা’ পরিকল্পনা ঘোষণা করেন, যাতে স্কুলে পূর্ণচর্বিযুক্ত দুধ বা সম্পূর্ণ দুধ ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব রয়েছে। আগস্টে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেনেডি বলেন, তিনি মূলত মাংস, দই এবং কিমচির মতো ফারমেন্টেড সবজিভিত্তিক ‘কার্নিভোর ডায়েট’ অনুসরণ করেন। তিনি গরুর চর্বি (বিফ ট্যালো) ব্যবহারকারী খাদ্য কোম্পানিগুলোকেও প্রশংসা করেন।

বিজ্ঞানীদের উদ্বেগ

এই পরিবর্তনে অনেক বিজ্ঞানী উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সান দিয়েগোর হারবার্ট ওয়ারথাইম স্কুল অব পাবলিক হেলথের অধ্যাপক শেরিল এ. এম. অ্যান্ডারসন বলেন, “বিজ্ঞান এক্ষেত্রে বেশ পরিষ্কার। মাখন, পূর্ণচর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাদ্য ও চর্বিযুক্ত লাল মাংসে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাট এলডিএল কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।”

বর্তমান ফেডারেল খাদ্য নির্দেশিকা, যা প্রতি পাঁচ বছর অন্তর হালনাগাদ হয়, দৈনিক মোট ক্যালরির ১০ শতাংশের কম স্যাচুরেটেড ফ্যাট গ্রহণের পরামর্শ দেয়। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন আরও কড়াভাবে এটি ৬ শতাংশের নিচে রাখার পরামর্শ দিয়েছে। তবুও, মার্কিন জনগণের তিন-চতুর্থাংশের বেশি এখনো এই সীমা অতিক্রম করছে।


স্যাচুরেটেড ফ্যাট নিয়ে বৈজ্ঞানিক প্রেক্ষাপট

স্যাচুরেটেড ফ্যাট কমানোর প্রচেষ্টা শুরু হয়েছিল ১৯৬০-এর দশকে। গবেষণায় দেখা যায়, মাংস ও দুগ্ধজাত খাদ্যের স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিবর্তে উদ্ভিজ্জ তেল থেকে প্রাপ্ত পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট গ্রহণ করলে ‘খারাপ’ কোলেস্টেরল (এলডিএল) কমে যায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও হ্রাস পায়।

১৯৭০ ও ৮০-এর দশকে ‘লো-ফ্যাট’ খাদ্যের প্রতি ব্যাপক ঝোঁক দেখা দেয়। খাদ্য শিল্প দ্রুত সাড়া দিয়ে বাজারে বিপুল পরিমাণ ‘লো-ফ্যাট’ খাবার আনতে থাকে—যার অধিকাংশই ছিল উচ্চমাত্রার চিনি ও প্রক্রিয়াজাত উপাদানসমৃদ্ধ। হার্ভার্ড টি. এইচ. চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথের পুষ্টি বিজ্ঞানী এরিক রিম বলেন, “আমরা খাদ্য থেকে খারাপ চর্বি বাদ দিয়েছিলাম, কিন্তু তার জায়গায় ভালো চর্বি আনিনি।” এর ফলেই স্থূলতা ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের হার ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়।


সাম্প্রতিক বিতর্ক

সাম্প্রতিক কিছু গবেষণা এই বিতর্ককে আরও জটিল করেছে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, স্যাচুরেটেড ফ্যাট গ্রহণ সরাসরি হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায় না। কিন্তু রিমের মতে, এসব গবেষণা এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপেক্ষা করেছে—মানুষ স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বদলে কী খাচ্ছে। উদ্ভিজ্জ তেল যেমন সয়াবিন ও ভুট্টার তেল দিয়ে ফ্যাট প্রতিস্থাপন করলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে, কিন্তু তা যদি সাদা পাউরুটি, পিজ্জা বা বেকারি পণ্যের মতো রিফাইনড কার্বোহাইড্রেটে প্রতিস্থাপিত হয়, তাতে কোনো স্বাস্থ্যগত উপকার মেলে না।


দেহে প্রভাব ও জিনগত ভূমিকা

বার্গার বা মাখনের মতো খাবারে থাকা কিছু স্যাচুরেটেড ফ্যাট শরীরে শক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং কিছু জমা থাকে শরীরের চর্বি হিসেবে। কতটা ফ্যাট শরীর সহ্য করতে পারবে তা নির্ভর করে জিন, সার্বিক খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক ফিটনেস ও অন্যান্য উপাদানের ওপর—বলেছেন, ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালের কার্ডিওলজিস্ট ড. রমিত ভট্টাচার্য।

অতিরিক্ত ফ্যাট যকৃতে প্রক্রিয়াজাত হয়ে কোলেস্টেরলে রূপ নেয়, যা রক্তে প্রবাহিত হয়ে ধমনিতে জমতে পারে এবং হৃদয় ও মস্তিষ্কে ব্লক সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া, স্যাচুরেটেড ফ্যাট রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রাও বাড়ায়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি করে।


সর্বশেষ বিজ্ঞান বলছে—স্যাচুরেটেড ফ্যাটকে পুরোপুরি দোষী না করলেও এর সীমিত গ্রহণই নিরাপদ। স্বাস্থ্যসচিব কেনেডির নতুন নীতি সেই বৈজ্ঞানিক অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ করছে। এখন দেখার বিষয়, আমেরিকার পরবর্তী খাদ্য নির্দেশিকায় কীভাবে এই ভারসাম্য রক্ষা করা হয়—বৈজ্ঞানিক সতর্কতা নাকি ‘পূর্ণচর্বিযুক্ত’ স্বাধীনতা।


#মার্কিন_খাদ্য_নীতিমালা #স্যাচুরেটেড_ফ্যাট #রবার্ট_এফ_কেনেডি_জুনিয়র #হৃদরোগ #পুষ্টি_বিজ্ঞান #সারাক্ষণ_রিপোর্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সংকটে এশিয়ার মুদ্রা চাপে, বাড়ছে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ঝুঁকি

আরএফকে জুনিয়রের ‘মেক আমেরিকা হেলদি এগেইন’ নীতিতে বদল আসছে খাদ্যাভ্যাসে

০৫:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

আমেরিকানদের জন্য সরকার বহু বছর ধরে যে খাদ্য পরামর্শ দিয়ে আসছে, বিশেষত চর্বিযুক্ত খাবার কম খাওয়ার আহ্বান, তা শিগগিরই বদলে যেতে পারে। নতুন নির্দেশিকায় স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বি খাওয়ার ওপর জোর দেওয়া হতে পারে, যা এক বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।


খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তনের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যসচিব রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়র জুলাই মাসে জানান, সরকার “সাধারণ জ্ঞাননির্ভর খাদ্য নির্দেশিকা” প্রকাশ করবে, যেখানে দুধ, ভালো মাংস, তাজা সবজি এবং বিশেষভাবে স্যাচুরেটেড ফ্যাট খাওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হবে।
গত মাসে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের “মেক আমেরিকা হেলদি এগেইন” বা ‘মাহা’ পরিকল্পনা ঘোষণা করেন, যাতে স্কুলে পূর্ণচর্বিযুক্ত দুধ বা সম্পূর্ণ দুধ ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব রয়েছে। আগস্টে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেনেডি বলেন, তিনি মূলত মাংস, দই এবং কিমচির মতো ফারমেন্টেড সবজিভিত্তিক ‘কার্নিভোর ডায়েট’ অনুসরণ করেন। তিনি গরুর চর্বি (বিফ ট্যালো) ব্যবহারকারী খাদ্য কোম্পানিগুলোকেও প্রশংসা করেন।

বিজ্ঞানীদের উদ্বেগ

এই পরিবর্তনে অনেক বিজ্ঞানী উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সান দিয়েগোর হারবার্ট ওয়ারথাইম স্কুল অব পাবলিক হেলথের অধ্যাপক শেরিল এ. এম. অ্যান্ডারসন বলেন, “বিজ্ঞান এক্ষেত্রে বেশ পরিষ্কার। মাখন, পূর্ণচর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাদ্য ও চর্বিযুক্ত লাল মাংসে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাট এলডিএল কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।”

বর্তমান ফেডারেল খাদ্য নির্দেশিকা, যা প্রতি পাঁচ বছর অন্তর হালনাগাদ হয়, দৈনিক মোট ক্যালরির ১০ শতাংশের কম স্যাচুরেটেড ফ্যাট গ্রহণের পরামর্শ দেয়। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন আরও কড়াভাবে এটি ৬ শতাংশের নিচে রাখার পরামর্শ দিয়েছে। তবুও, মার্কিন জনগণের তিন-চতুর্থাংশের বেশি এখনো এই সীমা অতিক্রম করছে।


স্যাচুরেটেড ফ্যাট নিয়ে বৈজ্ঞানিক প্রেক্ষাপট

স্যাচুরেটেড ফ্যাট কমানোর প্রচেষ্টা শুরু হয়েছিল ১৯৬০-এর দশকে। গবেষণায় দেখা যায়, মাংস ও দুগ্ধজাত খাদ্যের স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিবর্তে উদ্ভিজ্জ তেল থেকে প্রাপ্ত পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট গ্রহণ করলে ‘খারাপ’ কোলেস্টেরল (এলডিএল) কমে যায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও হ্রাস পায়।

১৯৭০ ও ৮০-এর দশকে ‘লো-ফ্যাট’ খাদ্যের প্রতি ব্যাপক ঝোঁক দেখা দেয়। খাদ্য শিল্প দ্রুত সাড়া দিয়ে বাজারে বিপুল পরিমাণ ‘লো-ফ্যাট’ খাবার আনতে থাকে—যার অধিকাংশই ছিল উচ্চমাত্রার চিনি ও প্রক্রিয়াজাত উপাদানসমৃদ্ধ। হার্ভার্ড টি. এইচ. চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথের পুষ্টি বিজ্ঞানী এরিক রিম বলেন, “আমরা খাদ্য থেকে খারাপ চর্বি বাদ দিয়েছিলাম, কিন্তু তার জায়গায় ভালো চর্বি আনিনি।” এর ফলেই স্থূলতা ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের হার ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়।


সাম্প্রতিক বিতর্ক

সাম্প্রতিক কিছু গবেষণা এই বিতর্ককে আরও জটিল করেছে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, স্যাচুরেটেড ফ্যাট গ্রহণ সরাসরি হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায় না। কিন্তু রিমের মতে, এসব গবেষণা এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপেক্ষা করেছে—মানুষ স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বদলে কী খাচ্ছে। উদ্ভিজ্জ তেল যেমন সয়াবিন ও ভুট্টার তেল দিয়ে ফ্যাট প্রতিস্থাপন করলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে, কিন্তু তা যদি সাদা পাউরুটি, পিজ্জা বা বেকারি পণ্যের মতো রিফাইনড কার্বোহাইড্রেটে প্রতিস্থাপিত হয়, তাতে কোনো স্বাস্থ্যগত উপকার মেলে না।


দেহে প্রভাব ও জিনগত ভূমিকা

বার্গার বা মাখনের মতো খাবারে থাকা কিছু স্যাচুরেটেড ফ্যাট শরীরে শক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং কিছু জমা থাকে শরীরের চর্বি হিসেবে। কতটা ফ্যাট শরীর সহ্য করতে পারবে তা নির্ভর করে জিন, সার্বিক খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক ফিটনেস ও অন্যান্য উপাদানের ওপর—বলেছেন, ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালের কার্ডিওলজিস্ট ড. রমিত ভট্টাচার্য।

অতিরিক্ত ফ্যাট যকৃতে প্রক্রিয়াজাত হয়ে কোলেস্টেরলে রূপ নেয়, যা রক্তে প্রবাহিত হয়ে ধমনিতে জমতে পারে এবং হৃদয় ও মস্তিষ্কে ব্লক সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া, স্যাচুরেটেড ফ্যাট রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রাও বাড়ায়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি করে।


সর্বশেষ বিজ্ঞান বলছে—স্যাচুরেটেড ফ্যাটকে পুরোপুরি দোষী না করলেও এর সীমিত গ্রহণই নিরাপদ। স্বাস্থ্যসচিব কেনেডির নতুন নীতি সেই বৈজ্ঞানিক অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ করছে। এখন দেখার বিষয়, আমেরিকার পরবর্তী খাদ্য নির্দেশিকায় কীভাবে এই ভারসাম্য রক্ষা করা হয়—বৈজ্ঞানিক সতর্কতা নাকি ‘পূর্ণচর্বিযুক্ত’ স্বাধীনতা।


#মার্কিন_খাদ্য_নীতিমালা #স্যাচুরেটেড_ফ্যাট #রবার্ট_এফ_কেনেডি_জুনিয়র #হৃদরোগ #পুষ্টি_বিজ্ঞান #সারাক্ষণ_রিপোর্ট