০২:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
‘ধুরন্ধর ২’ পাকিস্তানে নিষিদ্ধ হতে পারে—তবু চিন্তিত নন পরিচালক আদিত্য ধর জার্মানির শিল্পশক্তি ব্যাডেন-ভুর্টেমবার্গে নির্বাচনী আতঙ্ক, গাড়ি শিল্পের সংকটে ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ ব্রিটেনের অর্থনীতিতে ঝড়ের ইঙ্গিত, শান্ত ঘোষণার আড়ালে বাড়ছে বড় সংকটের আশঙ্কা ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন শ্রেণি বিভাজন: মূলধারার দল ছেড়ে জনতার ঝোঁক নতুন শক্তির দিকে ভারতের ‘পিছিয়ে পড়া’ মেয়েদের স্কুলে ফেরানোর লড়াই, সাফিনা হুসাইনের আন্দোলনে বদলাচ্ছে লক্ষ জীবন শিনজিয়াং ও তিব্বতে শক্তি প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন: সীমান্তে বাড়ছে কৌশলগত যোগাযোগ ব্যবস্থা রাশিয়ার যুদ্ধে আফ্রিকার তরুণরা—চাকরির প্রলোভনে ইউক্রেনের রণক্ষেত্রে মৃত্যুফাঁদ স্থিতিশীলতাই অগ্রাধিকার: কৌশলগত সতর্কতার ইঙ্গিত দিলেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভারতের অর্থনীতির নতুন হিসাব: আকার কিছুটা ছোট, কিন্তু প্রবৃদ্ধি আরও দ্রুত যুদ্ধের ছায়ায় দুবাই: নিরাপত্তার ভাবমূর্তি কি টিকিয়ে রাখতে পারবে মরু শহর?

যে ভারী বোঝা নামে না কখনও

আমাদের স্বাধীনতার স্থপতি-
আমাদের স্বাধীনতার অন্য মহানায়ক
জাতীয় নেতাদের কবরে ফুল দিতে যাই না দীর্ঘদিন।
যাই না রায়ের বাজারের বধ্যভূমিতে-
আমাদের গুণী মানুষগুলোর স্মৃতিতে ফুল দিতে।
বরং তাদের ছেলে মেয়েরা যখন যায়-
তখন বুকের ভেতর একটা হাতুড়ি বাড়ি দেয়-
মনে মনে বলি, হায়রে ওই সন্তানরা ঠিকই তো দেখতে পাচ্ছে-
তাদের পিতার জন্ম- মৃত্যু তারিখ-
যা লেখা আছে কবরের ফলকে-
হিসাব মেলালে তাদের সকলের বয়স সন্তানের থেকে কম।
রাষ্ট্রবিপ্লব আর প্রতিবিপ্লবের সব থেকে ভারী বোঝা-
যা কখনো পিঠ থেকে নামানো যায় না।
এমনকি রিসেট বাটনে নামে না-
বুল ডোজারে নামে না।
এই সব বুল ডোজার, এই সব রিসেট বাটন
নর্দমার ময়লার মতো নর্দমাতেই মিশে যায়।

কিন্তু কখনও মিশে যায় না কোনো ধুলা বা বাতাসে
ওই মাটির বা তার পরিবারের প্রজন্মের পরে প্রজন্মের
এক বিস্ময়-
“আসলে ওরা কি পাগল ছিল-
পিতা বা পিতামহ হলেও
ওরা সকলেই আমাদের থেকে বয়সে ছোট”।

হায়রে ব্যর্থতা বার্ধক্যের-
এত বয়স নিয়েও ডিঙানো যায় না তাদের-
ডিঙাতে গেলেই কে যেন ঘাড় ধরে নর্দমায় ফেলে দেয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ধুরন্ধর ২’ পাকিস্তানে নিষিদ্ধ হতে পারে—তবু চিন্তিত নন পরিচালক আদিত্য ধর

যে ভারী বোঝা নামে না কখনও

০৮:২৫:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

আমাদের স্বাধীনতার স্থপতি-
আমাদের স্বাধীনতার অন্য মহানায়ক
জাতীয় নেতাদের কবরে ফুল দিতে যাই না দীর্ঘদিন।
যাই না রায়ের বাজারের বধ্যভূমিতে-
আমাদের গুণী মানুষগুলোর স্মৃতিতে ফুল দিতে।
বরং তাদের ছেলে মেয়েরা যখন যায়-
তখন বুকের ভেতর একটা হাতুড়ি বাড়ি দেয়-
মনে মনে বলি, হায়রে ওই সন্তানরা ঠিকই তো দেখতে পাচ্ছে-
তাদের পিতার জন্ম- মৃত্যু তারিখ-
যা লেখা আছে কবরের ফলকে-
হিসাব মেলালে তাদের সকলের বয়স সন্তানের থেকে কম।
রাষ্ট্রবিপ্লব আর প্রতিবিপ্লবের সব থেকে ভারী বোঝা-
যা কখনো পিঠ থেকে নামানো যায় না।
এমনকি রিসেট বাটনে নামে না-
বুল ডোজারে নামে না।
এই সব বুল ডোজার, এই সব রিসেট বাটন
নর্দমার ময়লার মতো নর্দমাতেই মিশে যায়।

কিন্তু কখনও মিশে যায় না কোনো ধুলা বা বাতাসে
ওই মাটির বা তার পরিবারের প্রজন্মের পরে প্রজন্মের
এক বিস্ময়-
“আসলে ওরা কি পাগল ছিল-
পিতা বা পিতামহ হলেও
ওরা সকলেই আমাদের থেকে বয়সে ছোট”।

হায়রে ব্যর্থতা বার্ধক্যের-
এত বয়স নিয়েও ডিঙানো যায় না তাদের-
ডিঙাতে গেলেই কে যেন ঘাড় ধরে নর্দমায় ফেলে দেয়।