সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিন্নমতের প্রতি আক্রমণ, নারীর সম্মানহানি এবং প্রযুক্তি ও এআই ব্যবহার করে হেনস্তার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সামাজিক মাধ্যমে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি
বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিন্নমতের প্রতি আক্রমণ, নারীদের সম্মানহানি এবং প্রযুক্তি বা এআই-এর অপব্যবহার করে মানুষকে হেনস্তার প্রবণতাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য মানেই শত্রুতা নয়। মতপার্থক্য ভুলে ঘৃণার বদলে যুক্তি ও শালীনতা দিয়ে সমাজ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
স্ট্যাটাসে আমিরের সতর্কবার্তা
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) নিজ ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ মন্তব্য করেন তিনি।
স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিন্নমতের প্রতি আক্রমণ, নারীদের সম্মানহানি এবং প্রযুক্তি বা এআই-এর অপব্যবহার করে মানুষকে হেনস্তা করার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিশেষ করে কেউ যখন ধর্মীয় পরিচয় বহন করে এমন অশালীনতায় লিপ্ত হন, তা আমাদের মূল্যবোধের ওপর বড় আঘাত।
কুরআন-হাদিসের নির্দেশের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য মানেই শত্রুতা নয়। ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে— “মুমিন কখনো কটূক্তিকারী বা অভিশাপকারী হতে পারে না” (তিরমিজি)।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআয়ালা নির্দেশ দিয়েছেন মানুষের সঙ্গে উত্তম ভাষায় কথা বলতে এবং একে অপরকে উপহাস না করতে।
শালীনতা ও যুক্তিনিষ্ঠ আচরণের আহ্বান
ভিন্নমতকে যুক্তি ও ভদ্রতার সঙ্গে মোকাবিলা করাই প্রকৃত মুসলিমের বৈশিষ্ট্য বলে মন্তব্য করেন তিনি। গালিগালাজ বা চরিত্রহনন কোনো মুসলমানের বা কোনো সভ্য নাগরিকের হাতিয়ার হতে পারে না বলেও উল্লেখ করেন জামায়াত আমির।
শেষে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অনলাইনেও আমাদের ঈমান ও মর্যাদা বজায় রাখতে হবে। কারণ প্রতিটি শব্দই মহান আল্লাহর কাছে সংরক্ষিত হচ্ছে। ঘৃণা নয়, যুক্তি ও শালীনতা দিয়ে সমাজ গড়তে হবে।
#প্রযুক্তি #সাইবারহেনস্তা #ভিন্নমত #নারীরসম্মান #জামায়াত #বাংলাদেশ
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















