০৪:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
নতুন “সিকাডা” কোভিড ভ্যারিয়েন্ট প্রধানত শিশুদের আক্রমণ করছে, বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন টাইগার উডসের মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর গ্রেফতারের বডিক্যাম ভিডিও প্রকাশ ইতালিতে মা-মেয়ের রহস্যজনক মৃত্যু, রিসিন বিষক্রিয়ার সন্দেহে দ্বৈত হত্যা মামলা ইতালিতে মাফিয়া গডফাদার গ্রেফতার, প্রধানমন্ত্রী মেলোনি পুলিশের প্রশংসা করেছেন উত্তরপ্রদেশে মেলায় ৬০ ফুট দোলনা ভেঙে পড়ে ৩০ জনের বেশি আহত, শিশুসহ মোটরসাইকেলের বিক্রয় কমেছে, জ্বালানি সংকটের প্রভাব স্পষ্ট ইরানের দাবী: তিন দিনে তিনটি আমেরিকার সামরিক বিমান ধ্বংস করেছে ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল খাতে হামলা বাড়ানোর হুমকি ইসরায়েলের ইরানের ভেতরে দুঃসাহসিক অভিযানে মার্কিন পাইলট উদ্ধার, যুদ্ধ আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত ভারতের ‘ফলস-ফ্ল্যাগ’ পরিকল্পনার অভিযোগ, কড়া সতর্কবার্তা পাকিস্তানের

বেইলি রোড ট্রাজেডির ঘটনায় তদন্ত ও ক্ষতিপুরণের দাবীতে আইনজীবীগন আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন

  • Sarakhon Report
  • ০৬:৩১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪
  • 252

নিজস্ব প্রতিবেদক

বেইলি রোড ট্রাজেডির ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত  ও ক্ষতিপুরণের দাবীতে  আইনজীবীগণ আদালতের শরনাপন্ন হয়েছেন। সুপ্রীমকোর্টের  দুই জন আইনজীবী হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট দায়ের করেছেন। আর একজন আইনজীবী ক্ষতিগ্রস্থদের প্রত্যেককে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন।  রবিবার এই দুটি রিট ও আইনী নোটিশটি পাঠিয়েছেন।

বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ  আগুনে মৃত্যুর ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে দোষীদের খুঁজে বের করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে রিটে সরকারের গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আদালতে দাখিল করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। রবিবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ্যাডভোকেট ইসরাত জাহান সান্তনা জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটি শুনানির অনুমতি নেওয়া হয়েছে। এদিকে রাজধানীর বেইলি রোডসহ সব আবাসিক স্থাপনায় রেস্টুরেন্ট বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। একইসঙ্গে রিটে বেইলি রোডে অগ্নিকান্ডে প্রকৃত দায়ীদের গ্রেফতার ও আহত, নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এছাড়া বেইলি রোডে অগ্নিকান্ডের ঘটনা তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

রাজ ধানীর বেইলি রোডসহ সব আবাসিক স্থাপনায় রেস্টুরেন্ট বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। একইসঙ্গে গ্রিন কোজি ভবনে অগ্নিকান্ডে প্রকৃত দায়ীদের গ্রেফতার এবং আহত, নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। রবিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ্যাডভোকেট মো. ইউনুছ আলী আকন্দ রিটটি দায়ের করেন। রিটে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজি, রাজউকের চেয়ারম্যান, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

অন্যদিকে বেইলি রোডে একটি ভবনে ভয়াবহ আগুন লেগে ৪৬ জনের মৃত্যুর  ঘটনা তদন্ত করতে করতে বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থদের প্রত্যেককে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের মহাপরিচালক, রাজউকের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা প্রশাসককে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। রবিবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. সোলায়মান তুষার ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠান।

নোটিশে বলা হয়েছে, ভবন কর্তৃপক্ষকে তিনবার সতর্কতা নোটিশ দেওয়া  হলেও কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয় নি। ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়নি। ফলে কর্তৃপক্ষের দায় ও ব্যর্থতা রয়েছে।  কর্তৃপক্ষ কোনোমতেই তাদের দায় এড়াতে  পারে না।সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেকের জীবনধারণের অধিকার রয়েছে  ও ব্যক্তিস্বাধীনতা  রয়েছে।  অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী প্রতিটি নাগরিকের নিরবচ্ছিন্নভাবে চলাফেরার অধিকার  রয়েছে।  একটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা না করায় এবং যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ার কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতার কারণেই এই অগ্নিকান্ডের ঘটনার ঘটছে ।  কর্তৃপক্ষ কোনোক্রমেই তাদের দায় এড়াতে  পারে না। তাই, কার ব্যর্থতার কারণে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা খুঁজতে বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের দাবি করছি। পাশাপাশি ওই ভয়াবহ  অগ্নিকান্ডের ঘটনায় নিহত ও আহতদের চিহ্নিত করে প্রত্যেককে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দেওয়ার দাবি জানাই। নোটিশ গ্রহণের পাঁচ দিনের মধ্যে কী ধরনের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া   হয়েছে , তা লিখিতভাবে নোটিশ দাতাকে জানাতে বলা  হয়েছে।  তবে এসব বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের সহ  আইনি ব্যবস্থা নেওয়া  হবে বলেও নোটিশে জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন “সিকাডা” কোভিড ভ্যারিয়েন্ট প্রধানত শিশুদের আক্রমণ করছে, বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন

বেইলি রোড ট্রাজেডির ঘটনায় তদন্ত ও ক্ষতিপুরণের দাবীতে আইনজীবীগন আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন

০৬:৩১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

বেইলি রোড ট্রাজেডির ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত  ও ক্ষতিপুরণের দাবীতে  আইনজীবীগণ আদালতের শরনাপন্ন হয়েছেন। সুপ্রীমকোর্টের  দুই জন আইনজীবী হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট দায়ের করেছেন। আর একজন আইনজীবী ক্ষতিগ্রস্থদের প্রত্যেককে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন।  রবিবার এই দুটি রিট ও আইনী নোটিশটি পাঠিয়েছেন।

বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ  আগুনে মৃত্যুর ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে দোষীদের খুঁজে বের করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে রিটে সরকারের গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আদালতে দাখিল করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। রবিবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ্যাডভোকেট ইসরাত জাহান সান্তনা জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটি শুনানির অনুমতি নেওয়া হয়েছে। এদিকে রাজধানীর বেইলি রোডসহ সব আবাসিক স্থাপনায় রেস্টুরেন্ট বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। একইসঙ্গে রিটে বেইলি রোডে অগ্নিকান্ডে প্রকৃত দায়ীদের গ্রেফতার ও আহত, নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এছাড়া বেইলি রোডে অগ্নিকান্ডের ঘটনা তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

রাজ ধানীর বেইলি রোডসহ সব আবাসিক স্থাপনায় রেস্টুরেন্ট বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। একইসঙ্গে গ্রিন কোজি ভবনে অগ্নিকান্ডে প্রকৃত দায়ীদের গ্রেফতার এবং আহত, নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। রবিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ্যাডভোকেট মো. ইউনুছ আলী আকন্দ রিটটি দায়ের করেন। রিটে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজি, রাজউকের চেয়ারম্যান, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

অন্যদিকে বেইলি রোডে একটি ভবনে ভয়াবহ আগুন লেগে ৪৬ জনের মৃত্যুর  ঘটনা তদন্ত করতে করতে বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থদের প্রত্যেককে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের মহাপরিচালক, রাজউকের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা প্রশাসককে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। রবিবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. সোলায়মান তুষার ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠান।

নোটিশে বলা হয়েছে, ভবন কর্তৃপক্ষকে তিনবার সতর্কতা নোটিশ দেওয়া  হলেও কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয় নি। ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়নি। ফলে কর্তৃপক্ষের দায় ও ব্যর্থতা রয়েছে।  কর্তৃপক্ষ কোনোমতেই তাদের দায় এড়াতে  পারে না।সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেকের জীবনধারণের অধিকার রয়েছে  ও ব্যক্তিস্বাধীনতা  রয়েছে।  অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী প্রতিটি নাগরিকের নিরবচ্ছিন্নভাবে চলাফেরার অধিকার  রয়েছে।  একটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা না করায় এবং যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ার কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতার কারণেই এই অগ্নিকান্ডের ঘটনার ঘটছে ।  কর্তৃপক্ষ কোনোক্রমেই তাদের দায় এড়াতে  পারে না। তাই, কার ব্যর্থতার কারণে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা খুঁজতে বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের দাবি করছি। পাশাপাশি ওই ভয়াবহ  অগ্নিকান্ডের ঘটনায় নিহত ও আহতদের চিহ্নিত করে প্রত্যেককে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দেওয়ার দাবি জানাই। নোটিশ গ্রহণের পাঁচ দিনের মধ্যে কী ধরনের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া   হয়েছে , তা লিখিতভাবে নোটিশ দাতাকে জানাতে বলা  হয়েছে।  তবে এসব বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের সহ  আইনি ব্যবস্থা নেওয়া  হবে বলেও নোটিশে জানানো হয়েছে।