০৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬
হাসিনার নির্দেশেই সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম, টিএফআই সেলে নির্যাতনের তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য মোদি-যোগী বৈঠকে ২০২৭ উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন: অযোধ্যা, পরীক্ষার ফাঁস ও তরুণদের ক্ষোভে চাপে বিজেপি ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছেন ট্রাম্পের শীর্ষ জেনারেল, বড় হামলা নিয়ে মার্কিন প্রশাসনে উদ্বেগ ইরানের হামলায় হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকারে আগুন, ওমানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্তের পথে ভারতে ইউপিআই লেনদেন থাকবে বিনা খরচে, সীমিত ব্যবসায়িক পেমেন্টে বসতে পারে নামমাত্র ফি ‘ডিগ্রির কোনো মূল্য নেই’ ভারতে, তরুণদের ‘দুঃখ-তথ্য-সম্পদ’ নিয়ে রাহুল গান্ধীর বিস্ফোরক বক্তব্য চীনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দাপট, মানুষের চাকরি কি রোবটের দখলে যাচ্ছে? হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে: ইসলামী আন্দোলন নেতা পাকিস্তানে জামায়াতের দেশব্যাপী বিক্ষোভ, মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি দামের প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ ট্রিলিয়ন ডলারের আর্থিক দুনিয়ায় আমেরিকার নতুন বাজি, ঐকমত্য নয়—উদ্ভাবনেই ভবিষ্যৎ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৫৪)

  • নাঈম হক
  • ০৯:০০:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • 263

এলাহাবাদ থেকে ইভো-র দলটিকেও অন্দলে সরিয়ে আনা হয়। ইভোসহ আরো তিনশজন “জিআই” তখনো ১১০৬ অর্ডন্যান্স গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত এবং এরা সবাই মেরিল্যান্ডের অ্যাবারডীন ট্রেনিং স্কুলে ট্রেনিংপ্রাপ্ত। ১৯৪৩ সালের ১ জানুয়ারি আরেক দফায় প্রমোশন পেয়ে ইভো সার্জেন্ট পদে উন্নীত হন।” অন্দলে আসার দুই সপ্তাহ বাদে নিজের পছন্দমাফিক বিশজনকে সঙ্গে নিয়ে ইতো ৪৯০তম বিএস-এতে যোগদান করেন।

স্মৃতিচারণ করে ইভো বলেন যে শেখায়, বিশেষ করে বি-২৫সি বোমারু প্লেনে কিভাবে নিরাপদে ও নির্ভুলভাবে। “অর্ডন্যান্স গ্রুপ থেকে আসা আমরা এই একুশজন বোমা ‘লোডিং’ টেকনিক ‘লোডিং’ করতে হয়, সেই টেকনিক রপ্ত করায় মনোনিবেশ করি”।

সদ্য গঠিত ৪৯০তম বিএস-এর প্রথম অপারেশনাল ঘাঁটি, ১৯৪৩ সালের জানুয়ারি মাসের শুরুতে ঘাঁটিটি পশ্চিম বঙ্গের অন্দলে সরিয়ে আনা হয়, শান্তিনিকেতন থেকে মাত্র ত্রিশ মাইল পশ্চিমে। 

অন্দলে, ৪৯০তম বিএস-এর প্রথম বোমাবর্ষণ মিশনের সূচনা হয় ১৯৪৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি। ছয়টি বি-২৫ বোমারু বিমানকে পাঠানো হয় “সাগাইং” রেলস্টেশনের (মিয়ানমার) সন্নিহিত জায়গায় বোমাবর্ষণ করতে।

১৯৪২ সালের ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে, ব্রিটিশ ও ভারতীয় বাহিনী চট্টগ্রামের দক্ষিণ দিক থেকে বার্মার (মিয়ানমার) দিকে অগ্রসর হয় এবং আরাকানে জাপানি সেনাবাহিনীকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করে। অবশ্য জাপানিদের সঙ্গে ব্রিটিশরা খুব একটা সুবিধা করতে পারছিল না।

বরং প্রতি জবাব দিতে, ১৯৪৩ সালের ১১ মে বার্মার আরাকান ফ্রন্টে জাপান ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। জাপানিদের প্রচণ্ডতার মুখে ব্রিটিশ বাহিনী কি করি না করি অবস্থায় পড়ে।

এই আরাকান ক্যাম্পেন শেষপর্যন্ত ব্রিটিশ বাহিনীর জন্য ‘ছেড়ে দে মা কেন্দে বাঁচি’ অবস্থার সৃষ্টি করে এবং “ব্রিটিশ ভারত পনেরোশতম” বাহিনী। পশ্চাদপসরণ করে কক্সবাজারে চলে আসতে বাধ্য হয়।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৫৩)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৫৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনার নির্দেশেই সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম, টিএফআই সেলে নির্যাতনের তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৫৪)

০৯:০০:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

এলাহাবাদ থেকে ইভো-র দলটিকেও অন্দলে সরিয়ে আনা হয়। ইভোসহ আরো তিনশজন “জিআই” তখনো ১১০৬ অর্ডন্যান্স গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত এবং এরা সবাই মেরিল্যান্ডের অ্যাবারডীন ট্রেনিং স্কুলে ট্রেনিংপ্রাপ্ত। ১৯৪৩ সালের ১ জানুয়ারি আরেক দফায় প্রমোশন পেয়ে ইভো সার্জেন্ট পদে উন্নীত হন।” অন্দলে আসার দুই সপ্তাহ বাদে নিজের পছন্দমাফিক বিশজনকে সঙ্গে নিয়ে ইতো ৪৯০তম বিএস-এতে যোগদান করেন।

স্মৃতিচারণ করে ইভো বলেন যে শেখায়, বিশেষ করে বি-২৫সি বোমারু প্লেনে কিভাবে নিরাপদে ও নির্ভুলভাবে। “অর্ডন্যান্স গ্রুপ থেকে আসা আমরা এই একুশজন বোমা ‘লোডিং’ টেকনিক ‘লোডিং’ করতে হয়, সেই টেকনিক রপ্ত করায় মনোনিবেশ করি”।

সদ্য গঠিত ৪৯০তম বিএস-এর প্রথম অপারেশনাল ঘাঁটি, ১৯৪৩ সালের জানুয়ারি মাসের শুরুতে ঘাঁটিটি পশ্চিম বঙ্গের অন্দলে সরিয়ে আনা হয়, শান্তিনিকেতন থেকে মাত্র ত্রিশ মাইল পশ্চিমে। 

অন্দলে, ৪৯০তম বিএস-এর প্রথম বোমাবর্ষণ মিশনের সূচনা হয় ১৯৪৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি। ছয়টি বি-২৫ বোমারু বিমানকে পাঠানো হয় “সাগাইং” রেলস্টেশনের (মিয়ানমার) সন্নিহিত জায়গায় বোমাবর্ষণ করতে।

১৯৪২ সালের ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে, ব্রিটিশ ও ভারতীয় বাহিনী চট্টগ্রামের দক্ষিণ দিক থেকে বার্মার (মিয়ানমার) দিকে অগ্রসর হয় এবং আরাকানে জাপানি সেনাবাহিনীকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করে। অবশ্য জাপানিদের সঙ্গে ব্রিটিশরা খুব একটা সুবিধা করতে পারছিল না।

বরং প্রতি জবাব দিতে, ১৯৪৩ সালের ১১ মে বার্মার আরাকান ফ্রন্টে জাপান ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। জাপানিদের প্রচণ্ডতার মুখে ব্রিটিশ বাহিনী কি করি না করি অবস্থায় পড়ে।

এই আরাকান ক্যাম্পেন শেষপর্যন্ত ব্রিটিশ বাহিনীর জন্য ‘ছেড়ে দে মা কেন্দে বাঁচি’ অবস্থার সৃষ্টি করে এবং “ব্রিটিশ ভারত পনেরোশতম” বাহিনী। পশ্চাদপসরণ করে কক্সবাজারে চলে আসতে বাধ্য হয়।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৫৩)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৫৩)