১০:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রাণনাশের আশঙ্কা থাকলেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা: এএফপিকে জানালেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব অর্থনীতির নতুন বিপদ: বাণিজ্য নয়, ভারসাম্যহীনতার গভীর সংকট ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ৫০; হাসপাতালে ভর্তি ১৪,৬৯০ আসামে বন্যায় মৃত বেড়ে ৭৫, ক্ষতিগ্রস্ত ১১ লাখের বেশি মানুষ একীভূত পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা এখন জরুরি প্রয়োজনে তুলতে পারবেন ১০ লাখ টাকা নেপালে বাঘের সংখ্যা বেড়ে ৪২৯, ২০১০ সালের তুলনায় প্রায় চার গুণ কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ: মিরাজ শেখকে উদ্ধারে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাইল আসক ক্ষমতার অসুখ: নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় বিপদ অহংকার নয়, জবাবদিহির অভাব ফরচুন গ্লোবাল ৫০০: আয় ধরে রাখলেও মুনাফায় যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক পিছিয়ে চীনা কোম্পানিগুলো চীনের নতুন রহস্যময় পারমাণবিক সাবমেরিন ঘিরে উদ্বেগ, পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তি বাড়ানোর ইঙ্গিত

গাজীপুরে ফিনিক্স কয়েল কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, নিরাপদে সরানো হয়েছে ৫০০ শ্রমিক

গাজীপুর সদরের ব্যাগের বাজার এলাকায় ফিনিক্স কয়েল কারখানায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বুধবার দুপুরে কারখানার ভেতর আগুন লাগে এবং দ্রুত পাশের প্রিন্টিং ফ্যাক্টরি ও একটি বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দমকলের নয়টি ইউনিট টানা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।


অগ্নিকাণ্ড কীভাবে শুরু হলো
দমকল ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক কাজী নাজমুজ্জামান জানান, দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে কারখানার কেমিক্যাল সেকশনে আগুনের সূত্রপাত হয়। এখানে মশার কয়েল তৈরির রাসায়নিক পদার্থ মেশানোর সময় একটি ড্রামে বিস্ফোরণ ঘটে বলে শ্রমিকরা জানান।
এতে মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে দুইতলা ভবনসহ আশপাশের স্থাপনা প্রভাবিত হয়।


শ্রমিকদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া
আগুন লাগার সময় ভবনে প্রায় ৫০০ শ্রমিক ছিলেন। দুইটি গেট দিয়ে তাদের দ্রুত বের করে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়।
কারখানা কর্তৃপক্ষ ও আশপাশের মানুষ প্রথমে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন।


দমকলের অভিযান
সংবাদ পেয়ে দমকলের নয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায়, দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরবর্তী কয়েক ঘণ্টা ধরে কুলিং ও ডাম্পিং কার্যক্রম চলতে থাকে যাতে আগুন আবার না জ্বলে ওঠে।


ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ
কারখানার ভেতরে থাকা প্রায় সবকিছু পুড়ে যায়—

  • মশার কয়েল
  • ক্লিনিং এজেন্ট
  • প্রস্তুত পণ্য
  • অফিস উপকরণ

আগুন পাশের প্রিন্টিং ফ্যাক্টরি ও একটি বসতবাড়িতেও ক্ষতি করে। এলাকায় থাকা একটি ফিলিং স্টেশন খুব কাছে থাকায় পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারত বলে জানান কাজী নাজমুজ্জামান।


আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা
আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর আশপাশের বাড়ির মানুষদের সরিয়ে নেওয়া হয়।
ঘটনাস্থলে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র‌্যাব মোতায়েন করা হয়, কারণ সড়কে ভিড় বাড়তে থাকায় ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।


অগ্নি নিরাপত্তার ঘাটতি
দমকলের সহকারী পরিচালক জানান, কারখানাটিতে যথাযথ অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না।
তিনি বলেন, “ফিলিং স্টেশনটি পাশে থাকায় পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। আমাদের ফায়ার ফাইটাররা সাহস ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ না করলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারত।”


তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপ
আগুনে মোট কত ক্ষতি হয়েছে তা তদন্তের পর নির্ধারণ করা হবে। তদন্ত শেষে কারণ, ক্ষয়ক্ষতি ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা হবে বলে কর্মকর্তারা জানান।


#tags: গাজীপুর_আগুন গাজীপুর_কারখানা_দুর্ঘটনা ফিনিক্স_কয়েল_ফ্যাক্টরি অগ্নিকাণ্ড বাংলাদেশ_সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাণনাশের আশঙ্কা থাকলেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা: এএফপিকে জানালেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী

গাজীপুরে ফিনিক্স কয়েল কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, নিরাপদে সরানো হয়েছে ৫০০ শ্রমিক

০৭:৫০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

গাজীপুর সদরের ব্যাগের বাজার এলাকায় ফিনিক্স কয়েল কারখানায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বুধবার দুপুরে কারখানার ভেতর আগুন লাগে এবং দ্রুত পাশের প্রিন্টিং ফ্যাক্টরি ও একটি বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দমকলের নয়টি ইউনিট টানা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।


অগ্নিকাণ্ড কীভাবে শুরু হলো
দমকল ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক কাজী নাজমুজ্জামান জানান, দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে কারখানার কেমিক্যাল সেকশনে আগুনের সূত্রপাত হয়। এখানে মশার কয়েল তৈরির রাসায়নিক পদার্থ মেশানোর সময় একটি ড্রামে বিস্ফোরণ ঘটে বলে শ্রমিকরা জানান।
এতে মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে দুইতলা ভবনসহ আশপাশের স্থাপনা প্রভাবিত হয়।


শ্রমিকদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া
আগুন লাগার সময় ভবনে প্রায় ৫০০ শ্রমিক ছিলেন। দুইটি গেট দিয়ে তাদের দ্রুত বের করে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়।
কারখানা কর্তৃপক্ষ ও আশপাশের মানুষ প্রথমে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন।


দমকলের অভিযান
সংবাদ পেয়ে দমকলের নয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায়, দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরবর্তী কয়েক ঘণ্টা ধরে কুলিং ও ডাম্পিং কার্যক্রম চলতে থাকে যাতে আগুন আবার না জ্বলে ওঠে।


ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ
কারখানার ভেতরে থাকা প্রায় সবকিছু পুড়ে যায়—

  • মশার কয়েল
  • ক্লিনিং এজেন্ট
  • প্রস্তুত পণ্য
  • অফিস উপকরণ

আগুন পাশের প্রিন্টিং ফ্যাক্টরি ও একটি বসতবাড়িতেও ক্ষতি করে। এলাকায় থাকা একটি ফিলিং স্টেশন খুব কাছে থাকায় পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারত বলে জানান কাজী নাজমুজ্জামান।


আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা
আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর আশপাশের বাড়ির মানুষদের সরিয়ে নেওয়া হয়।
ঘটনাস্থলে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র‌্যাব মোতায়েন করা হয়, কারণ সড়কে ভিড় বাড়তে থাকায় ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।


অগ্নি নিরাপত্তার ঘাটতি
দমকলের সহকারী পরিচালক জানান, কারখানাটিতে যথাযথ অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না।
তিনি বলেন, “ফিলিং স্টেশনটি পাশে থাকায় পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। আমাদের ফায়ার ফাইটাররা সাহস ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ না করলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারত।”


তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপ
আগুনে মোট কত ক্ষতি হয়েছে তা তদন্তের পর নির্ধারণ করা হবে। তদন্ত শেষে কারণ, ক্ষয়ক্ষতি ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা হবে বলে কর্মকর্তারা জানান।


#tags: গাজীপুর_আগুন গাজীপুর_কারখানা_দুর্ঘটনা ফিনিক্স_কয়েল_ফ্যাক্টরি অগ্নিকাণ্ড বাংলাদেশ_সংবাদ