০৩:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
মোংলায় পশুর নদীর তীর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার নগরকান্দায় যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-মাদকসহ আটক ১৮ জিমেইলের নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি সত্যিই অগোছালো ইনবক্সের ত্রাণকর্তা ইউক্রেনে যুদ্ধের সবচেয়ে নিষ্ঠুর শীত, বিদ্যুৎ ও তাপ ব্যবস্থায় রুশ হামলায় বিপর্যস্ত কিয়েভ গ্রিনল্যান্ড ঘিরে শুল্ক হুমকি: বিশ্ব বাণিজ্যে নতুন ধরনের যুদ্ধের ছায়া পূর্ব জেরুজালেমে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিতে ইসরায়েলের অভিযান স্পেনের ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: তদন্তে নতুন মোড়, পাওয়া ধাতব অংশটি কি নিখোঁজ বগি নেটফ্লিক্স ও ওয়ার্নার ব্রাদার্সের সম্ভাব্য জোটে সাবস্ক্রিপশন ক্লান্তি থেকে স্বস্তির আশা দর্শকদের শাবিপ্রবির ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, মেধাতালিকায় ৪০ হাজারের বেশি গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে সুর নরম করলেন ট্রাম্প, ইউরোপের ওপর শুল্ক হুমকি প্রত্যাহার, বাজারে স্বস্তির র‌্যালি

ট্রাম্পের মামদানি-সাক্ষাৎ ও মুসলিম ব্রাদারহুড নির্দেশকে ঘিরে তীব্র বিতর্ক

নিউ ইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সদয় অবস্থান এবং হোয়াইট হাউসে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ রিপাবলিকান শিবিরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। এর মাঝেই প্রেসিডেন্ট মুসলিম ব্রাদারহুডকে লক্ষ্য করে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন, যা সমালোচনা থামাতে ব্যর্থ হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের ভেতরের প্রতিক্রিয়া

সাবেক হোয়াইট হাউস কৌশলবিদ স্টিভ ব্যানন বলেন, ট্রাম্প পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে পারদর্শী। মামদানি সাক্ষাৎ নিয়ে দলে অস্বস্তি তৈরি হলে হোয়াইট হাউস দ্রুত বার্তা পরিবর্তন করে। ব্যাননের ভাষায়, এই ঘটনা স্টেফানিক, এনআরসিসি থেকে শুরু করে ‘অ্যান্টি-শারিয়া’ গোষ্ঠী পর্যন্ত সবাইকে নাড়ে দিয়েছে।

তবে প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, মুসলিম ব্রাদারহুড সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশের সময় নির্ধারণের সঙ্গে মামদানির সাক্ষাৎ-এর কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি আরও বলেন, এই সাক্ষাৎ রিপাবলিকানদের আসন্ন মধ্য-মেয়াদি নির্বাচনে হারানোর কারণ হবে— এমনটি ভাবার ভিত্তি নেই।

নীতির ওপর রাজনৈতিক লড়াই

ওই কর্মকর্তা বলেন, শেষ পর্যন্ত মামদানি যদি তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নীতি বাস্তবায়ন করেন, তবে সেই নীতি ভবিষ্যতে রিপাবলিকানদের রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী যুক্তি হয়ে উঠবে। তাঁর মতে, রিপাবলিকানরা তখন এসব নীতির ফলাফল কে সামনে রেখে প্রচারণা চালাতে পারবে।

ট্রাম্পের অবস্থান: ‘সব আমেরিকানদের প্রেসিডেন্ট’

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ওভাল অফিসে মামদানির সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রমাণ করে ট্রাম্প সব আমেরিকানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বিশেষ করে নিউ ইয়র্কের প্রতি ট্রাম্পের আবেগের কথা উল্লেখ করে বলেন, শহরের উন্নতি দেখতে তিনি সত্যিই আগ্রহী।

লেভিটের ভাষায়, “তিনি নিউ ইয়র্ক সিটিকে ভালোবাসেন। তাঁর সারা জীবনের কাজের বড় অংশই সেখানে। তিনি চান নিউ ইয়র্ক আরও ভালো করুক।”

সমালোচনা কমছে না

তবে হোয়াইট হাউসের ব্যাখ্যা কিংবা নতুন নির্বাহী আদেশ— কোনোটিই ট্রাম্পকে ঘিরে তৈরি হওয়া উত্তেজনা কমাতে পারেনি। লরা লুমারসহ ট্রাম্প পন্থী ‘মাগা’ কর্মীরা বলছেন, ট্রাম্প যে পদক্ষেপ নিয়েছেন তা অপর্যাপ্ত; তিনি মুসলিম ব্রাদারহুডের বিভিন্ন অধ্যায়কে তাৎক্ষণিকভাবে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেননি।

প্রেসিডেন্টের আদেশ অনুযায়ী, পররাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবদের—অ্যাটর্নি জেনারেল এবং জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের সঙ্গে পরামর্শ করে—লেবানন, জর্ডান ও মিশর সহ সংশ্লিষ্ট দেশের মুসলিম ব্রাদারহুড অধ্যায়গুলো সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করার বিষয়ে যৌথ প্রতিবেদন তৈরি করতে বলা হয়েছে।


#ট্রাম্প #মামদানি #মুসলিম_ব্রাদারহুড

জনপ্রিয় সংবাদ

মোংলায় পশুর নদীর তীর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

ট্রাম্পের মামদানি-সাক্ষাৎ ও মুসলিম ব্রাদারহুড নির্দেশকে ঘিরে তীব্র বিতর্ক

০১:৫৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

নিউ ইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সদয় অবস্থান এবং হোয়াইট হাউসে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ রিপাবলিকান শিবিরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। এর মাঝেই প্রেসিডেন্ট মুসলিম ব্রাদারহুডকে লক্ষ্য করে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন, যা সমালোচনা থামাতে ব্যর্থ হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের ভেতরের প্রতিক্রিয়া

সাবেক হোয়াইট হাউস কৌশলবিদ স্টিভ ব্যানন বলেন, ট্রাম্প পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে পারদর্শী। মামদানি সাক্ষাৎ নিয়ে দলে অস্বস্তি তৈরি হলে হোয়াইট হাউস দ্রুত বার্তা পরিবর্তন করে। ব্যাননের ভাষায়, এই ঘটনা স্টেফানিক, এনআরসিসি থেকে শুরু করে ‘অ্যান্টি-শারিয়া’ গোষ্ঠী পর্যন্ত সবাইকে নাড়ে দিয়েছে।

তবে প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, মুসলিম ব্রাদারহুড সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশের সময় নির্ধারণের সঙ্গে মামদানির সাক্ষাৎ-এর কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি আরও বলেন, এই সাক্ষাৎ রিপাবলিকানদের আসন্ন মধ্য-মেয়াদি নির্বাচনে হারানোর কারণ হবে— এমনটি ভাবার ভিত্তি নেই।

নীতির ওপর রাজনৈতিক লড়াই

ওই কর্মকর্তা বলেন, শেষ পর্যন্ত মামদানি যদি তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নীতি বাস্তবায়ন করেন, তবে সেই নীতি ভবিষ্যতে রিপাবলিকানদের রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী যুক্তি হয়ে উঠবে। তাঁর মতে, রিপাবলিকানরা তখন এসব নীতির ফলাফল কে সামনে রেখে প্রচারণা চালাতে পারবে।

ট্রাম্পের অবস্থান: ‘সব আমেরিকানদের প্রেসিডেন্ট’

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ওভাল অফিসে মামদানির সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রমাণ করে ট্রাম্প সব আমেরিকানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বিশেষ করে নিউ ইয়র্কের প্রতি ট্রাম্পের আবেগের কথা উল্লেখ করে বলেন, শহরের উন্নতি দেখতে তিনি সত্যিই আগ্রহী।

লেভিটের ভাষায়, “তিনি নিউ ইয়র্ক সিটিকে ভালোবাসেন। তাঁর সারা জীবনের কাজের বড় অংশই সেখানে। তিনি চান নিউ ইয়র্ক আরও ভালো করুক।”

সমালোচনা কমছে না

তবে হোয়াইট হাউসের ব্যাখ্যা কিংবা নতুন নির্বাহী আদেশ— কোনোটিই ট্রাম্পকে ঘিরে তৈরি হওয়া উত্তেজনা কমাতে পারেনি। লরা লুমারসহ ট্রাম্প পন্থী ‘মাগা’ কর্মীরা বলছেন, ট্রাম্প যে পদক্ষেপ নিয়েছেন তা অপর্যাপ্ত; তিনি মুসলিম ব্রাদারহুডের বিভিন্ন অধ্যায়কে তাৎক্ষণিকভাবে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেননি।

প্রেসিডেন্টের আদেশ অনুযায়ী, পররাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবদের—অ্যাটর্নি জেনারেল এবং জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের সঙ্গে পরামর্শ করে—লেবানন, জর্ডান ও মিশর সহ সংশ্লিষ্ট দেশের মুসলিম ব্রাদারহুড অধ্যায়গুলো সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করার বিষয়ে যৌথ প্রতিবেদন তৈরি করতে বলা হয়েছে।


#ট্রাম্প #মামদানি #মুসলিম_ব্রাদারহুড