“ইরান এই ধারণা চলতে দিতে পারে না যে আমরা তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ আগেই বুঝে ফেলছি,” বললেন ইসরায়েলের একটি গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা। “তাদেরও দেখাতে হবে, অবাক করার ক্ষমতা তারা রাখে।”
ইসরায়েলে ইরান–বিশ্লেষকদের মধ্যে এখন দুটি মত। একদল মনে করেন, গত দুই বছরের অপমান আর সামরিক ক্ষতির পর ইরান শিগগিরই কোনো আকস্মিক হামলা চালিয়ে নিজের অবস্থান ফের শক্ত করতে চাইবে। অন্যদল বলছেন, জুনের ধ্বংসাত্মক ১২ দিনের বিমানযুদ্ধের পর ইরান এখন নিজের ভেঙে যাওয়া সামরিক ক্ষমতাই পুনর্গঠনে ব্যস্ত।
তবু উভয় পক্ষের মত এক জায়গায় মিলে যায়—ইরান প্রতিশোধ চাইবে। সময়টাই শুধু অজানা।
হিজবুল্লাহকে ফের শক্ত করার চেষ্টা
তেল আবিবের ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের রাজ জিমিট বলছেন, ইরান ইতিমধ্যেই লেবাননের হিজবুল্লাহকে নতুন করে অস্ত্র জোগানোর চেষ্টা করছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীও আশঙ্কায় আছে—ইরান হয়তো এবার ইরাকের প্রক্সিগুলোকে ব্যবহার করে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে উৎসাহিত করবে, যেমন আগে লেবানন থেকে হিজবুল্লাহ করত।

আরেক ভয়—বিদেশে কোনো ইসরায়েলি দূতাবাস বা সম্পর্কিত স্থাপনায় সন্ত্রাসী হামলা।
প্রক্সির মাধ্যমে এসব প্রতিশোধমূলক আঘাতের কৌশল স্পষ্ট: ইসরায়েলের পক্ষে সরাসরি তেহরানকে লক্ষ্য করে প্রত্যাঘাত করা কঠিন করে তোলা।
কৌশল ব্যর্থ হবে—আর এটাই ইরানের জন্য বড় সতর্ক সংকেত
দুটি মতপথের বিশ্লেষকরাই মনে করেন—এই কৌশল কাজ করবে না। ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া হবে দ্রুত, কঠোর এবং সরাসরি ইরানকে লক্ষ্য করে। এই পূর্বাভাসই ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের জন্য বড় সতর্কবার্তা, বিশেষ করে যখন ঘরোয়া সংকট, অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তাদের আগেই চাপে রেখেছে।
তাই এখনকার স্বস্তি যেন অস্থায়ী বিরতি মাত্র—নতুন যুদ্ধের সমীকরণ যে কোনো সময় ফের বদলে যেতে পারে।
#Iran #Israel #MiddleEast #Security #Sarakhon #ThePresentWorld
সারাক্ষণ রিপোর্ট 

















