১০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
রোজার রাতে আমিরাতের ‘ঘাবগা’ ঐতিহ্য: পরিবার-বন্ধুদের মিলনে ভরে ওঠে রাত তেল সরবরাহে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধাক্কা, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে সতর্ক করল আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা কী এই ইরানের সমুদ্র মাইন: যা হয়ে উঠতে পারে এই যুদ্ধে আমেরিকার জন্য ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন ভারতে জ্বালানি ঘাটতির আশঙ্কা নেই, সংসদে আশ্বাস জ্বালানি মন্ত্রীর ইতিবাচক ধারায় সপ্তাহ শেষ করল ডিএসই ও সিএসই সূচক মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী দম্পতির মৃত্যু বাগেরহাটে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: একই পরিবারের ১০ জনসহ নিহত ১২ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিয়ে সৌদি সফরে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধ ভারতের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে: সতর্ক করলেন রাহুল গান্ধী ইসরায়েলের হামলা বন্ধের আহ্বান তুরস্কের

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত : যুক্তিসংগত শাস্তির বিধান প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ সম্পর্কিত মামলাগুলোতে আরও কঠোর ও যুক্তিসংগত শাস্তির বিধান প্রণয়নের বিষয়টি কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না—তা জানতে হাইকোর্ট রুল জারি করেছে।

রুল জারির নির্দেশ
মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া।

রিটের পটভূমি
এর আগে রোববার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগের মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান প্রণয়ন চেয়ে একটি রিট করা হয়।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া জনস্বার্থে এই রিট দায়ের করেন।
রিটে আইন সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ কয়েকজনকে বিবাদী করা হয়েছে।

বর্তমান আইন ও আপত্তির বিষয়
অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া জানান—
বাংলাদেশ পেনাল কোডে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে সর্বোচ্চ দুই বছরের সাজা রয়েছে।
নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনেও একই মেয়াদের সাজার বিধান রাখা হয়েছে।
তার মতে, এই সাজা অপ্রতুল; ফলে বাউল শিল্পী আবুল সরকারের মতো অনেকেই মহান আল্লাহ ও নবীকে নিয়ে কটূক্তি করতে সাহস পাচ্ছেন।

রিটে কী চাওয়া হয়েছে
রিটে দাবি করা হয়েছে—
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে নতুন আইন প্রণয়ন করা হোক।
কঠোর শাস্তির বিধান থাকলে কেউ এমন অপরাধ করতে সাহস করবে না।

হাইকোর্টের এই রুলের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের শাস্তি বাড়ানোর দাবি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এখন রুলের জবাবের পর আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রোজার রাতে আমিরাতের ‘ঘাবগা’ ঐতিহ্য: পরিবার-বন্ধুদের মিলনে ভরে ওঠে রাত

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত : যুক্তিসংগত শাস্তির বিধান প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল

১০:৪৯:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ সম্পর্কিত মামলাগুলোতে আরও কঠোর ও যুক্তিসংগত শাস্তির বিধান প্রণয়নের বিষয়টি কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না—তা জানতে হাইকোর্ট রুল জারি করেছে।

রুল জারির নির্দেশ
মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া।

রিটের পটভূমি
এর আগে রোববার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগের মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান প্রণয়ন চেয়ে একটি রিট করা হয়।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া জনস্বার্থে এই রিট দায়ের করেন।
রিটে আইন সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ কয়েকজনকে বিবাদী করা হয়েছে।

বর্তমান আইন ও আপত্তির বিষয়
অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া জানান—
বাংলাদেশ পেনাল কোডে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে সর্বোচ্চ দুই বছরের সাজা রয়েছে।
নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনেও একই মেয়াদের সাজার বিধান রাখা হয়েছে।
তার মতে, এই সাজা অপ্রতুল; ফলে বাউল শিল্পী আবুল সরকারের মতো অনেকেই মহান আল্লাহ ও নবীকে নিয়ে কটূক্তি করতে সাহস পাচ্ছেন।

রিটে কী চাওয়া হয়েছে
রিটে দাবি করা হয়েছে—
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে নতুন আইন প্রণয়ন করা হোক।
কঠোর শাস্তির বিধান থাকলে কেউ এমন অপরাধ করতে সাহস করবে না।

হাইকোর্টের এই রুলের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের শাস্তি বাড়ানোর দাবি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এখন রুলের জবাবের পর আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।