০১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫
দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েল-সমর্থিত মিলিশিয়া প্রধান নিহত: পোস্ট-যুদ্ধ পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা ইউরোপের নতুন টেকসই আইন নিয়ে উপসাগরীয় উদ্বেগ: ইউরোপে ব্যবসা ঝুঁকিতে পড়তে পারে গালফ কোম্পানিগুলো ইন্দোনেশিয়ায় ধ্বংস হওয়া ধানক্ষেত দ্রুত পুনর্গঠনের ঘোষণা ইমরান খানকে ‘মানসিকভাবে অসুস্থ’ বলল সেনাবাহিনী ভারত মহাসাগরের ঝড়ের তাণ্ডব: ইন্দোনেশিয়া থেকে শ্রীলঙ্কা পর্যন্ত ক্ষতি ৩০ বিলিয়ন ডলার মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়েই ১১ জুন পর্দা উঠছে বিশ্বকাপ ২০২৬ টেসলার জাপানজুড়ে চার্জিং নেটওয়ার্ক বিস্তার: ২০২৭-এর মধ্যে ১,০০০+ সুপারচার্জার ভিয়েতনামের রেকর্ড বাণিজ্য উদ্বৃত্ত: যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি জোয়ারেই নতুন উচ্চতা ভিয়েতনামে বাড়ির দামে দিশেহারা তরুণ প্রজন্ম: হ্যানয়–হো চি মিন সিটিতে বিলাসবহুল কনডোই এখন মূল বাধা মালতি চাহার ফারহানা ভট্টকে আক্রমণ করলেন ‘লেসবিয়ান’ অভিযোগ তুলে 

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত : যুক্তিসংগত শাস্তির বিধান প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ সম্পর্কিত মামলাগুলোতে আরও কঠোর ও যুক্তিসংগত শাস্তির বিধান প্রণয়নের বিষয়টি কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না—তা জানতে হাইকোর্ট রুল জারি করেছে।

রুল জারির নির্দেশ
মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া।

রিটের পটভূমি
এর আগে রোববার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগের মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান প্রণয়ন চেয়ে একটি রিট করা হয়।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া জনস্বার্থে এই রিট দায়ের করেন।
রিটে আইন সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ কয়েকজনকে বিবাদী করা হয়েছে।

বর্তমান আইন ও আপত্তির বিষয়
অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া জানান—
বাংলাদেশ পেনাল কোডে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে সর্বোচ্চ দুই বছরের সাজা রয়েছে।
নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনেও একই মেয়াদের সাজার বিধান রাখা হয়েছে।
তার মতে, এই সাজা অপ্রতুল; ফলে বাউল শিল্পী আবুল সরকারের মতো অনেকেই মহান আল্লাহ ও নবীকে নিয়ে কটূক্তি করতে সাহস পাচ্ছেন।

রিটে কী চাওয়া হয়েছে
রিটে দাবি করা হয়েছে—
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে নতুন আইন প্রণয়ন করা হোক।
কঠোর শাস্তির বিধান থাকলে কেউ এমন অপরাধ করতে সাহস করবে না।

হাইকোর্টের এই রুলের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের শাস্তি বাড়ানোর দাবি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এখন রুলের জবাবের পর আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েল-সমর্থিত মিলিশিয়া প্রধান নিহত: পোস্ট-যুদ্ধ পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত : যুক্তিসংগত শাস্তির বিধান প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল

১০:৪৯:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ সম্পর্কিত মামলাগুলোতে আরও কঠোর ও যুক্তিসংগত শাস্তির বিধান প্রণয়নের বিষয়টি কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না—তা জানতে হাইকোর্ট রুল জারি করেছে।

রুল জারির নির্দেশ
মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া।

রিটের পটভূমি
এর আগে রোববার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগের মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান প্রণয়ন চেয়ে একটি রিট করা হয়।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া জনস্বার্থে এই রিট দায়ের করেন।
রিটে আইন সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ কয়েকজনকে বিবাদী করা হয়েছে।

বর্তমান আইন ও আপত্তির বিষয়
অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া জানান—
বাংলাদেশ পেনাল কোডে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে সর্বোচ্চ দুই বছরের সাজা রয়েছে।
নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনেও একই মেয়াদের সাজার বিধান রাখা হয়েছে।
তার মতে, এই সাজা অপ্রতুল; ফলে বাউল শিল্পী আবুল সরকারের মতো অনেকেই মহান আল্লাহ ও নবীকে নিয়ে কটূক্তি করতে সাহস পাচ্ছেন।

রিটে কী চাওয়া হয়েছে
রিটে দাবি করা হয়েছে—
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে নতুন আইন প্রণয়ন করা হোক।
কঠোর শাস্তির বিধান থাকলে কেউ এমন অপরাধ করতে সাহস করবে না।

হাইকোর্টের এই রুলের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের শাস্তি বাড়ানোর দাবি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এখন রুলের জবাবের পর আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।