০৮:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ: মিরাজ শেখকে উদ্ধারে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাইল আসক ক্ষমতার অসুখ: নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় বিপদ অহংকার নয়, জবাবদিহির অভাব ফরচুন গ্লোবাল ৫০০: আয় ধরে রাখলেও মুনাফায় যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক পিছিয়ে চীনা কোম্পানিগুলো চীনের নতুন রহস্যময় পারমাণবিক সাবমেরিন ঘিরে উদ্বেগ, পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তি বাড়ানোর ইঙ্গিত বাংলাদেশে হামের মৃত্যু বেড়ে ৮৩১, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর প্রাণহানি শিক্ষককে বাদ দিয়ে নয়, প্রযুক্তিকে পাশে নিয়েই শিক্ষা সংস্কার রেড সিতে জাহাজ চলাচলে নতুন ফি আরোপের চিন্তা হুথিদের, বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাড়ছে অনিশ্চয়তা যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি যৌথ হামলায় নতুন মোড়, ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের উত্তাপ চীনের কাছ থেকে ৪০০ কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র পাচ্ছে ইরান, যুদ্ধের মাঝেই ৭০ মিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা চুক্তি সোয়াতে যৌথ অভিযানে চার জঙ্গি নিহত, এলিট ফোর্সের এক কনস্টেবল নিহত

রংপুরের তারাগঞ্জে হিন্দু দম্পতি যোগেশ চন্দ্র রায় ও তার স্ত্রী সুবর্ণা রায়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের উত্তর রহিমাপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় (৭৫) এবং তার স্ত্রী সুবর্ণা রায় (৬০)-এর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রহস্যজনক এই হত্যাকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

নিজ বাড়ি থেকে দম্পতির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পরিবার, প্রতিবেশী ও মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের সদস্যরা ঘটনাটিকে নৃশংস হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছেন।

ঘটনার বিবরণ

রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয়রা দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করেও ঘরের ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে মই বেয়ে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে প্রধান ফটকের চাবি পেয়ে দরজা খুলে তারা দেখতে পান—ডাইনিং রুমে যোগেশ চন্দ্র রায়ের এবং রান্নাঘরে সুবর্ণা রায়ের রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

যাত্রাবাড়ীতে কিশোরের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের  চিহ্ন | The Daily Star Bangla

প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য

বাড়ির দেখাশোনাকারী দীপক চন্দ্র রায় জানান, তাদের পরিবার প্রায় ৪০–৫০ বছর ধরে বাড়িটি দেখভাল করে আসছে। প্রতিদিনের মতো সকালে কাজে গিয়ে তিনি দেখেন, ঘর থেকে কেউ বের হচ্ছেন না। সন্দেহ হওয়ায় ভেতরে ঢোকার পর তিনি মরদেহ দেখতে পান এবং দ্রুত পুলিশকে খবর দেন।

পরিবার ও পেশাগত পরিচয়

স্থানীয়দের মতে, যোগেশ চন্দ্র রায় ছিলেন একজন সম্মানিত শিক্ষক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ২০১৭ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। তাদের দুই ছেলে—বড় ছেলে শোভেন চন্দ্র রায় জয়পুরহাটে থাকেন এবং ছোট ছেলে রাজেশ চন্দ্র রায় ঢাকায় পুলিশের চাকরিতে কর্মরত। গ্রামের বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী দুজনই বসবাস করতেন।

পুলিশে নারী পুরুষ সমানতালে এগিয়ে

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের প্রতিক্রিয়া

তারাগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলী হোসেন ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় উল্লেখ করে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা

তারাগঞ্জ থানার এসআই আবু ছাইয়ুম জানান, দুজনের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে তাদের মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং সব দিক বিবেচনায় কাজ করছে।

 

#রংপুর #হত্যাকাণ্ড #তারাগঞ্জ #মুক্তিযোদ্ধা #বাংলাদেশসংবাদ #সারাক্ষণরিপোর্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ: মিরাজ শেখকে উদ্ধারে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাইল আসক

রংপুরের তারাগঞ্জে হিন্দু দম্পতি যোগেশ চন্দ্র রায় ও তার স্ত্রী সুবর্ণা রায়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

০১:৪৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের উত্তর রহিমাপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় (৭৫) এবং তার স্ত্রী সুবর্ণা রায় (৬০)-এর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রহস্যজনক এই হত্যাকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

নিজ বাড়ি থেকে দম্পতির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পরিবার, প্রতিবেশী ও মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের সদস্যরা ঘটনাটিকে নৃশংস হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছেন।

ঘটনার বিবরণ

রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয়রা দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করেও ঘরের ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে মই বেয়ে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে প্রধান ফটকের চাবি পেয়ে দরজা খুলে তারা দেখতে পান—ডাইনিং রুমে যোগেশ চন্দ্র রায়ের এবং রান্নাঘরে সুবর্ণা রায়ের রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

যাত্রাবাড়ীতে কিশোরের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের  চিহ্ন | The Daily Star Bangla

প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য

বাড়ির দেখাশোনাকারী দীপক চন্দ্র রায় জানান, তাদের পরিবার প্রায় ৪০–৫০ বছর ধরে বাড়িটি দেখভাল করে আসছে। প্রতিদিনের মতো সকালে কাজে গিয়ে তিনি দেখেন, ঘর থেকে কেউ বের হচ্ছেন না। সন্দেহ হওয়ায় ভেতরে ঢোকার পর তিনি মরদেহ দেখতে পান এবং দ্রুত পুলিশকে খবর দেন।

পরিবার ও পেশাগত পরিচয়

স্থানীয়দের মতে, যোগেশ চন্দ্র রায় ছিলেন একজন সম্মানিত শিক্ষক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ২০১৭ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। তাদের দুই ছেলে—বড় ছেলে শোভেন চন্দ্র রায় জয়পুরহাটে থাকেন এবং ছোট ছেলে রাজেশ চন্দ্র রায় ঢাকায় পুলিশের চাকরিতে কর্মরত। গ্রামের বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী দুজনই বসবাস করতেন।

পুলিশে নারী পুরুষ সমানতালে এগিয়ে

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের প্রতিক্রিয়া

তারাগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলী হোসেন ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় উল্লেখ করে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা

তারাগঞ্জ থানার এসআই আবু ছাইয়ুম জানান, দুজনের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে তাদের মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং সব দিক বিবেচনায় কাজ করছে।

 

#রংপুর #হত্যাকাণ্ড #তারাগঞ্জ #মুক্তিযোদ্ধা #বাংলাদেশসংবাদ #সারাক্ষণরিপোর্ট