১১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

ইউরোপ–মার্কিন সম্পর্ক ভাঙনের সঙ্কটে ইউরোপ: ট্রাম্পের ইউক্রেন চুক্তি নিয়ে গভীর উদ্বেগ

ইউরোপে নিরাপত্তা নিয়ে টানটান সঙ্কটের মুহূর্ত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাক্ষরিত ৩৩ পৃষ্ঠার ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজিতে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে—সংস্কৃতি ও রাজনীতি বদলাতে না পারলে ইউরোপ “মুছে যেতে পারে।” রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের নিষ্পত্তিমূলক পর্যায়ে দাঁড়িয়ে এই সতর্কবার্তা ইউরোপের শীর্ষ নেতাদের নতুন করে নাড়া দিয়েছে। ব্রিটেনের কিয়ার স্টার্মার, ফ্রান্সের ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং জার্মানির ফ্রিডরিখ মেরৎসের মতে, এই মুহূর্তে এই বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

মার্কিন–রাশিয়া খসড়া চুক্তিতে ইউরোপের অস্থিরতা
ওয়াশিংটন যে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা করে ইউক্রেন ইস্যুতে আপসধর্মী খসড়া তৈরি করেছে—এই খবর ইউরোপের আত্মবিশ্বাসে বড় ধাক্কা দিয়েছে। ট্রাম্প অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ওপর আস্থা কমার পাশাপাশি প্রশ্ন উঠছে—ট্রান্সঅ্যাটলান্টিক অ্যালায়েন্স কি ভেঙে পড়ছে? ইউরোপ কি নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম?

ইউরোপীয় কূটনীতিকরা ট্রাম্পের ইউক্রেননীতি সামলানোকে “রোলার কোস্টার” হিসেবে উল্লেখ করেন। কয়েক সপ্তাহ আগেও ইউক্রেনকে সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রকে দৃঢ় মনে হয়েছিল। ট্রাম্প ও ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির ওভাল অফিসে উত্তপ্ত তর্ক, আলাস্কার আ্যাঙ্করোজ সামিটে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথোপকথন—সব কিছুর পরও ওয়াশিংটন কিছুটা কঠোর অবস্থানে ফিরে এসেছিল। রাশিয়ার বড় এনার্জি কোম্পানিগুলোর ওপর স্যাংশন চাপানো সেই ইঙ্গিতই দিয়েছিল।

মধ্যস্থতার অভিযোগে আস্থা সংকট
মার্কিন এনভয় স্টিভ উইটকোফ রাশিয়াকে কীভাবে ইউক্রেন শান্তি প্রস্তাব ট্রাম্পকে বুঝিয়ে বলতে হবে সে বিষয়ে অ্যাডভাইস দিয়েছেন—এই তথ্য ফাঁস হতেই ইউরোপের আস্থা আরও কমেছে। ম্যাক্রোঁ সতর্ক করেছেন—যুক্তরাষ্ট্র “ইউক্রেনকে বেট্রে” করতে পারে। মেরৎস বলেছেন—আমেরিকা “গেমস খেলছে।”

অন্যদিকে মার্কিন স্ট্র্যাটেজি নথিতে বলা হয়েছে, ইউরোপ “অবাস্তব এক্সপেকটেশনস” নিয়ে চলছে এবং রাশিয়া ইস্যুতে তাদের “ল্যাক অফ সেল্ফ কনফিডেন্স” রয়েছে।

ব্রিটেনের বিশেষ সঙ্কট: স্পেশাল রিলেশনশিপে টানাপোড়েন
যুক্তরাজ্যের জন্য পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ। কিয়ার স্টার্মার ইউক্রেনের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ইউরোপীয় মিত্র হিসেবে ব্রিটেনকে প্রতিষ্ঠা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে “স্পেশাল রিলেশনশিপ” লন্ডনের নিরাপত্তা কাঠামোর মূল ভিত্তি। তাই সম্পর্কের ফাটল ব্রিটেনের জন্য কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।

ব্রিটিশ কর্মকর্তারা জানান—ট্রাম্প–পুতিন আলোচনা আপাতত ইউক্রেনের পক্ষে কিছুটা বদলেছে। পুতিন সর্বশেষ মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে জানা যায়। পরিকল্পনাটিও কিছুটা ইউক্রেনের অনুকূলে সংশোধন হয়েছে। কিন্তু ইউরোপীয় ডিপ্লোম্যাটরা বলছেন—এইবার পরিস্থিতির গতি আলাদা, যোগাযোগ কঠিন হয়ে পড়েছে, আর ট্রাম্প যে কোনো মুহূর্তে বিষয়টি “ওয়াক অ্যাওয়ে” করতে পারেন।

ফোরম্যানের সতর্কবার্তা: “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরে গেলে কী হবে?”
ব্রিটেনের সাবেক ডিফেন্স অ্যাটাশে জন ফোরম্যান বলেন, “রিস্ক আছে যে যুক্তরাষ্ট্র পুরো ইস্যু থেকে সরে দাঁড়াতে পারে। তখন ইউরোপকে ঠিক করতে হবে—তারা কি সামর্থ্য রাখে ইউক্রেনকে মিলিটারি ও ফিনান্সিয়ালি সাপোর্ট দিতে।”
এদিকে ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি দেশীয় করাপশন স্ক্যান্ডাল ও মার্কিন চাপ—দ্বৈত সঙ্কটে রয়েছেন। এতে তার টিম দুর্বল হয়ে পড়ছে বলেও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

অর্থায়নের বড় বাধা
রাশিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংকের ফ্রোজেন অ্যাসেট ব্যবহার করে ইউক্রেনকে সাহায্যের ইউরোপীয় পরিকল্পনা বেলজিয়ামের আপত্তি ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতায় থমকে আছে। মেরৎস স্পষ্ট করে বলেছেন—“ইউরোপ যে টাকা মবিলাইজ করবে, তা যুক্তরাষ্ট্র নিতে পারবে না।”

ইউরোপের সবচেয়ে বড় ভয়—ট্রাম্প যদি ইউক্রেনকে দনোবাস অঞ্চল থেকে সৈন্য সরানোর চাপ দেন, আর কোনো সিরিয়াস আমেরিকান সিকিউরিটি গ্যারান্টি না দেন। এতে ন্যায়সংগত শান্তি হবে না; বরং ভবিষ্যতে আরও বড় যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়বে।

সম্ভাব্য সবচেয়ে ভয়াবহ দৃশ্যপট
ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের মতে—
সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে ট্রাম্প—
রাশিয়ার ওপর প্রেসার কমাবেন
ইউক্রেনকে মার্কিন অস্ত্র ব্যবহারে বাধা দেবেন
কিয়েভের সঙ্গে ইন্টেলিজেন্স শেয়ারিং বন্ধ করবেন
এতে ইউরোপ সম্পূর্ণ একা পড়ে যাবে।

“কম খারাপ” চিত্রে ট্রাম্প বলবেন—“এখন এটি ইউরোপের ওয়ার”—তবে ন্যাটো দেশগুলিকে ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র বিক্রি চালিয়ে যেতে দেবেন এবং ইন্টেলিজেন্স রিলেশনশিপ চালু থাকবে।

ইউরোপের দীর্ঘদিনের ভুল: অতিনির্ভরতা
ফোরম্যান বলেন, “ইউরোপ দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন সিকিউরিটি ব্ল্যাঙ্কেটের নিচে ছিল, ইনভেস্ট করেনি, সিগন্যালগুলো উপেক্ষা করেছে।”
তবু মার্কিন নথিতে লেখা—ইউরোপকে “রাইট–অফ” করা যাবে না, কারণ “এটি সেলফ–ডিফিটিং” হবে।

#ইউরোপ #মার্কিনসম্পর্ক #ট্রাম্পনীতি #ইউক্রেনযুদ্ধ #স্টার্মার #ম্যাক্রোঁ #মেরৎস #ট্রান্সঅ্যাটলান্টিকঅ্যালায়েন্স #নিরাপত্তাসঙ্কট #রাশিয়াঈস্যু #ইউরোপকূটনীতি #আন্তর্জাতিকরাজনীতি

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউরোপ–মার্কিন সম্পর্ক ভাঙনের সঙ্কটে ইউরোপ: ট্রাম্পের ইউক্রেন চুক্তি নিয়ে গভীর উদ্বেগ

১২:৩৯:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

ইউরোপে নিরাপত্তা নিয়ে টানটান সঙ্কটের মুহূর্ত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাক্ষরিত ৩৩ পৃষ্ঠার ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজিতে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে—সংস্কৃতি ও রাজনীতি বদলাতে না পারলে ইউরোপ “মুছে যেতে পারে।” রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের নিষ্পত্তিমূলক পর্যায়ে দাঁড়িয়ে এই সতর্কবার্তা ইউরোপের শীর্ষ নেতাদের নতুন করে নাড়া দিয়েছে। ব্রিটেনের কিয়ার স্টার্মার, ফ্রান্সের ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং জার্মানির ফ্রিডরিখ মেরৎসের মতে, এই মুহূর্তে এই বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

মার্কিন–রাশিয়া খসড়া চুক্তিতে ইউরোপের অস্থিরতা
ওয়াশিংটন যে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা করে ইউক্রেন ইস্যুতে আপসধর্মী খসড়া তৈরি করেছে—এই খবর ইউরোপের আত্মবিশ্বাসে বড় ধাক্কা দিয়েছে। ট্রাম্প অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ওপর আস্থা কমার পাশাপাশি প্রশ্ন উঠছে—ট্রান্সঅ্যাটলান্টিক অ্যালায়েন্স কি ভেঙে পড়ছে? ইউরোপ কি নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম?

ইউরোপীয় কূটনীতিকরা ট্রাম্পের ইউক্রেননীতি সামলানোকে “রোলার কোস্টার” হিসেবে উল্লেখ করেন। কয়েক সপ্তাহ আগেও ইউক্রেনকে সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রকে দৃঢ় মনে হয়েছিল। ট্রাম্প ও ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির ওভাল অফিসে উত্তপ্ত তর্ক, আলাস্কার আ্যাঙ্করোজ সামিটে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথোপকথন—সব কিছুর পরও ওয়াশিংটন কিছুটা কঠোর অবস্থানে ফিরে এসেছিল। রাশিয়ার বড় এনার্জি কোম্পানিগুলোর ওপর স্যাংশন চাপানো সেই ইঙ্গিতই দিয়েছিল।

মধ্যস্থতার অভিযোগে আস্থা সংকট
মার্কিন এনভয় স্টিভ উইটকোফ রাশিয়াকে কীভাবে ইউক্রেন শান্তি প্রস্তাব ট্রাম্পকে বুঝিয়ে বলতে হবে সে বিষয়ে অ্যাডভাইস দিয়েছেন—এই তথ্য ফাঁস হতেই ইউরোপের আস্থা আরও কমেছে। ম্যাক্রোঁ সতর্ক করেছেন—যুক্তরাষ্ট্র “ইউক্রেনকে বেট্রে” করতে পারে। মেরৎস বলেছেন—আমেরিকা “গেমস খেলছে।”

অন্যদিকে মার্কিন স্ট্র্যাটেজি নথিতে বলা হয়েছে, ইউরোপ “অবাস্তব এক্সপেকটেশনস” নিয়ে চলছে এবং রাশিয়া ইস্যুতে তাদের “ল্যাক অফ সেল্ফ কনফিডেন্স” রয়েছে।

ব্রিটেনের বিশেষ সঙ্কট: স্পেশাল রিলেশনশিপে টানাপোড়েন
যুক্তরাজ্যের জন্য পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ। কিয়ার স্টার্মার ইউক্রেনের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ইউরোপীয় মিত্র হিসেবে ব্রিটেনকে প্রতিষ্ঠা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে “স্পেশাল রিলেশনশিপ” লন্ডনের নিরাপত্তা কাঠামোর মূল ভিত্তি। তাই সম্পর্কের ফাটল ব্রিটেনের জন্য কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।

ব্রিটিশ কর্মকর্তারা জানান—ট্রাম্প–পুতিন আলোচনা আপাতত ইউক্রেনের পক্ষে কিছুটা বদলেছে। পুতিন সর্বশেষ মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে জানা যায়। পরিকল্পনাটিও কিছুটা ইউক্রেনের অনুকূলে সংশোধন হয়েছে। কিন্তু ইউরোপীয় ডিপ্লোম্যাটরা বলছেন—এইবার পরিস্থিতির গতি আলাদা, যোগাযোগ কঠিন হয়ে পড়েছে, আর ট্রাম্প যে কোনো মুহূর্তে বিষয়টি “ওয়াক অ্যাওয়ে” করতে পারেন।

ফোরম্যানের সতর্কবার্তা: “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরে গেলে কী হবে?”
ব্রিটেনের সাবেক ডিফেন্স অ্যাটাশে জন ফোরম্যান বলেন, “রিস্ক আছে যে যুক্তরাষ্ট্র পুরো ইস্যু থেকে সরে দাঁড়াতে পারে। তখন ইউরোপকে ঠিক করতে হবে—তারা কি সামর্থ্য রাখে ইউক্রেনকে মিলিটারি ও ফিনান্সিয়ালি সাপোর্ট দিতে।”
এদিকে ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি দেশীয় করাপশন স্ক্যান্ডাল ও মার্কিন চাপ—দ্বৈত সঙ্কটে রয়েছেন। এতে তার টিম দুর্বল হয়ে পড়ছে বলেও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

অর্থায়নের বড় বাধা
রাশিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংকের ফ্রোজেন অ্যাসেট ব্যবহার করে ইউক্রেনকে সাহায্যের ইউরোপীয় পরিকল্পনা বেলজিয়ামের আপত্তি ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতায় থমকে আছে। মেরৎস স্পষ্ট করে বলেছেন—“ইউরোপ যে টাকা মবিলাইজ করবে, তা যুক্তরাষ্ট্র নিতে পারবে না।”

ইউরোপের সবচেয়ে বড় ভয়—ট্রাম্প যদি ইউক্রেনকে দনোবাস অঞ্চল থেকে সৈন্য সরানোর চাপ দেন, আর কোনো সিরিয়াস আমেরিকান সিকিউরিটি গ্যারান্টি না দেন। এতে ন্যায়সংগত শান্তি হবে না; বরং ভবিষ্যতে আরও বড় যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়বে।

সম্ভাব্য সবচেয়ে ভয়াবহ দৃশ্যপট
ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের মতে—
সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে ট্রাম্প—
রাশিয়ার ওপর প্রেসার কমাবেন
ইউক্রেনকে মার্কিন অস্ত্র ব্যবহারে বাধা দেবেন
কিয়েভের সঙ্গে ইন্টেলিজেন্স শেয়ারিং বন্ধ করবেন
এতে ইউরোপ সম্পূর্ণ একা পড়ে যাবে।

“কম খারাপ” চিত্রে ট্রাম্প বলবেন—“এখন এটি ইউরোপের ওয়ার”—তবে ন্যাটো দেশগুলিকে ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র বিক্রি চালিয়ে যেতে দেবেন এবং ইন্টেলিজেন্স রিলেশনশিপ চালু থাকবে।

ইউরোপের দীর্ঘদিনের ভুল: অতিনির্ভরতা
ফোরম্যান বলেন, “ইউরোপ দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন সিকিউরিটি ব্ল্যাঙ্কেটের নিচে ছিল, ইনভেস্ট করেনি, সিগন্যালগুলো উপেক্ষা করেছে।”
তবু মার্কিন নথিতে লেখা—ইউরোপকে “রাইট–অফ” করা যাবে না, কারণ “এটি সেলফ–ডিফিটিং” হবে।

#ইউরোপ #মার্কিনসম্পর্ক #ট্রাম্পনীতি #ইউক্রেনযুদ্ধ #স্টার্মার #ম্যাক্রোঁ #মেরৎস #ট্রান্সঅ্যাটলান্টিকঅ্যালায়েন্স #নিরাপত্তাসঙ্কট #রাশিয়াঈস্যু #ইউরোপকূটনীতি #আন্তর্জাতিকরাজনীতি