সমকালের একটি শিরোনাম “হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু”
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আরও নয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এসময় নতুন করে হাম শনাক্ত ও উপসর্গ পাওয়া গেছে ১ হাজার ৪৩৫ শিশুর মধ্যে।
শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে মারা যাওয়া নয় শিশুর মধ্যে তিনজন নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে এবং ছয়জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। দেশজুড়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া তিন শিশুই বরিশাল বিভাগের। সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে তিনজন ঢাকা, দুজন খুলনা এবং একজন সিলেট বিভাগের।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ১ হাজার ৪৩৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮৯ জন।
এ নিয়ে গত ৫৫ দিনে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫২ জনে।
আজকের পত্রিকার একটি শিরোনাম”সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৫০,১১১ বাংলাদেশি হজযাত্রী”
পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে এ পর্যন্ত ১২৮টি ফ্লাইটে ৫০ হাজার ১১১ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। বাংলাদেশ হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন বলেন, আজ (শনিবার) সকাল ১০টা পর্যন্ত ১২৮টি ফ্লাইট জেদ্দায় অবতরণ করেছে।
হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ১২ হজযাত্রীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১০ জন পুরুষ এবং ২ জন নারী। হজযাত্রীদের ১০ জন মক্কায় এবং ২ জন মদিনায় মারা গেছেন।
বুলেটিনে আরও জানানো হয়, সৌদি মেডিকেল টিম গতকাল পর্যন্ত ১৮ হাজার ৯৮৭ হজযাত্রীকে চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। এ ছাড়া আইটি হেল্প ডেস্কের মাধ্যমে চিকিৎসা পেয়েছেন ১৩ হাজার ১১ হজযাত্রী।
পরিচালক বলেন, এ বছর বাংলাদেশ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের অনুমতি পেয়েছেন। মোট ৬৬০টি এজেন্সি এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে ৩০টি প্রধান এবং ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি রয়েছে।
এয়ারলাইনসভিত্তিক তথ্যে জানা যায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৫৯টি ফ্লাইটে ২৩ হাজার ৫৬৩ জন; সৌদি এয়ারলাইনসের ৪৭টি ফ্লাইটে ১৮ হাজার ৯২ এবং ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৪৫৬ হজযাত্রী সৌদি আরব গেছেন।
পরিচালক আরও বলেন, অবশিষ্ট ২৮ হাজার ২৬২ হজযাত্রী নির্ধারিত এয়ারলাইনসের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে সৌদি আরব যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪১৮ জন হজযাত্রী নিয়ে প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি ৩০০১) জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
হজ অফিসের তথ্যমতে, মোট হজযাত্রীর মধ্যে ৪ হাজার ৫৬৫ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন।
ঢাকার সৌদি দূতাবাস এ পর্যন্ত ৭৮ হাজার ৩৭৩টি ভিসা ইস্যু করেছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৫৪টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯১৯টি ভিসা দেওয়া হয়েছে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হজ শেষে ৩০ মে জেদ্দা থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। আগামী ৩০ জুন শেষ ফ্লাইট ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে।
বণিক বার্তার একটি শিরোনাম”১৩ ধারার শিক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে জাতীয় ঐক্য সম্ভব নয়”
দেশে বর্তমানে ১৩ ধরনের শিক্ষা ধারা চালু থাকায় জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি বলেছেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে একক কাঠামোর আওতায় না আনলে জাতীয় প্রয়োজনেও সবাইকে একসঙ্গে কাজ করানো কঠিন হবে।
আজ দুপুরে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম বাংলাদেশের আয়োজনে ‘সরকারের অগ্রাধিকার ও শিক্ষা খাত: বাজেট ও বাস্তবতা’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, সরকার বদলায়, কমিশন বদলায়, কিন্তু শিক্ষা ব্যবস্থার মূল কাঠামো বদলায় না। এভাবে চলতে থাকলে জাতীয় ঐকমত্য সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, দেশে প্রাথমিক শিক্ষা, সাধারণ স্কুল, মাদ্রাসা, ইংরেজি মাধ্যম ও কওমিসহ প্রায় ১৩ ধরনের শিক্ষা ধারা রয়েছে। একটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এতগুলো ধারায় পরিচালিত হওয়ার পরও জাতীয় ঐক্য আশা করা বাস্তবসম্মত নয়।
শফিকুল ইসলাম মাসুদ আরো বলেন, বৈষম্য ও জাতিগত অনৈক্য দূর করতে শিক্ষা ব্যবস্থাকে একক নীতির আওতায় আনতে হবে। শিক্ষা একীভূত না হলে জাতীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে সবাইকে একসঙ্গে সম্পৃক্ত করা কঠিন হয়ে যাবে।
সংলাপে তিনি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, অনেক শিক্ষার্থী বাংলা ও ইংরেজিতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না। একই সঙ্গে তাদের অনেকেরই কম্পিউটার ব্যবহারের দক্ষতাও নেই। অথচ চাকরিক্ষেত্রে ন্যূনতম বাংলা, ইংরেজি ও কম্পিউটার পরিচালনার দক্ষতা প্রয়োজন হয়। কিন্তু বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা সেই দক্ষতাও তারা অর্জন করতে পারছে না।
মানবজমিনের একটি শিরোন “তরুণদের সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা বাড়ানো জরুরি”
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন-প্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে তরুণদের মাঝে সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। নতুন প্রজন্মকে রবীন্দ্রচর্চার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে হবে।
সারাক্ষণ ডেস্ক 



















