০৯:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
চীনের সামনে এখন সাম্রাজ্যের সেই পুরোনো ফাঁদ দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সবচেয়ে বড় উসকানি’, টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে ক্ষুব্ধ বেইজিং মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতির নতুন প্রতিযোগিতা: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার মধ্যস্থতাকারী কে? বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন শিথিলতা: বাণিজ্য অর্থায়নে বাড়ল ঋণসীমা কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন ভি ডি সতীশন, ১৮ মে শপথের সম্ভাবনা পাকিস্তানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ‘ফাতাহ-৪’ সফল পরীক্ষা, পাল্লা ও নিখুঁত আঘাতের সক্ষমতার দাবি বেইজিং বৈঠকে ইরান ইস্যু, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ বন্ধে ব্রিকসের জোরালো অবস্থান চাইল তেহরান মিয়ানমার নিয়ে বর্ণনার লড়াই: রাষ্ট্র, বৈধতা ও সংবাদমাধ্যমের দায় এল নিনোর শঙ্কায় ফের গম কেনায় ঝুঁকছে এশিয়া, বাড়ছে বৈশ্বিক সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা চীনের সস্তা চিপের চাপে ভারতের সেমিকন্ডাক্টর স্বপ্ন, টাটার নতুন ফ্যাবের সামনে কঠিন লড়াই

ওয়েসিসের রিইউনিয়ন ট্যুরে ভরপুর আবেগ: গ্যালাঘার ভাইদের মিলনেই ফিরল রক দুনিয়ার আনন্দ

ভাইদের পুনর্মিলনে রক ভক্তদের উচ্ছ্বাস
ওয়েসিসের রিইউনিয়ন ট্যুর ২০২৫ শুধু সঙ্গীতপ্রেমীদের ফিরিয়ে নেয়নি নস্টালজিয়ার দিনে, বরং এনে দিয়েছে বহুদিনের তিক্ততা ভুলে এক আবেগঘন মিলনের মুহূর্ত। লিয়াম ও নোয়েল গ্যালাঘার একসঙ্গে মঞ্চে হাঁটছেন, আলিঙ্গন করছেন—এ দৃশ্যই যেন বদলে দিয়েছে পুরোনো খ্যাতিমান রূঢ় রকের ইমেজকে। বিশ্বজুড়ে শোর সাফল্য প্রমাণ করেছে, ভাইদের এই মীমাংসা মানুষকে আবার একত্র করেছে।

স্টেডিয়াম জুড়ে ইতিবাচক পুরুষত্বের দৃশ্য
কনসার্ট ভেন্যুগুলোতে দেখা গেছে বাবা-ছেলে, বাবা-মেয়ে, বন্ধু, প্রেমিক, দম্পতি—সবাইকে। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে লেবার ডে ছুটির শোতে দর্শকদের আচরণ ছিল প্রশংসনীয়। হাসি, আলিঙ্গন, কান্না, একতা—সব মিলিয়ে রক শোতেই যেন পরিবারিক আউটিংয়ের আবহ। অনেকে সন্তানকে প্রথমবার ওয়েসিসের গান শোনাতে নিয়ে এসেছেন, আর শিশুরাও উৎসাহে গান গাইছে, চারপাশের মানুষ তাদের হাই-ফাইভ দিচ্ছে।

গ্যালাঘার ভাইদের পুরোনো ঝগড়া আর আজকের আবেগী মিলন
নব্বই ও ২০০০-এর দশকে গ্যালাঘার ভাইদের রূঢ় মন্তব্য, ঝগড়া, স্টেজ ছেড়ে চলে যাওয়া ছিল নিয়মিত ঘটনা। একে অপরকে অপমান করা, সহশিল্পীদের বিদ্রূপ করা—সব মিলিয়ে বিরোধ দীর্ঘ ১৬ বছর টেনে আনে। ২০০৯ সালে সহিংসতার পর নোয়েল ব্যান্ড ভেঙে দেন।
কিন্তু আজ তারা নিজেদেরই পরিবর্তিত রূপ দেখাচ্ছেন। প্রতিটি শো শুরু হয় তাদের কাঁধে কাঁধ রেখে এগিয়ে যাওয়ার দৃশ্যে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উত্তর ইংল্যান্ডের মানুষ তীব্র আবেগপ্রবণ হলেও অভিমান ও দীর্ঘস্থায়ী হয়। তবুও সময় সবকিছু নরম করে দেয়, আর তাদের পুনর্মিলন ছিল অবশ্যম্ভাবী।

ফ্যানদের চোখে এ যেন এক যুগের প্রত্যাবর্তন
শিকাগো, টরন্টো, পাসাডেনা—যেখানেই শো হোক, দর্শকদের প্রতিক্রিয়া একই। অনেকের মতে, এটি নাকি “সাদা ছেলেদের ইরাস ট্যুর”—এতটাই আবেগি, এতটাই উচ্ছ্বাসপূর্ণ। পুরোনো ভক্তরা বলছেন, এই ট্যুরে ফিরে এসেছে সেই সময়, যখন সমাজ এত বিভক্ত ছিল না।
নিউইয়র্কের দুই ভাই ফ্রাঙ্ক ও জোসেফের কথায়, “ওরা ভাই, আমরাও ভাই। তাদের গান আমাদের আরো কাছাকাছি এনেছে।” শোতে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গলা মিলিয়েছেন তারা। প্রথম নোট পড়তেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন—এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই।

‘সব কিছু খারাপ হলেও গান তোমাকে বাঁচিয়ে রাখবে’
ওয়েসিসের গান কর্মজীবী মানুষের স্বপ্ন, বন্ধুত্ব, ভালোবাসা ও কষ্টের গল্প। নোয়েলের লেখা সুরের ভেতর আশা আর দুঃখ মিলেমিশে থাকে, আর লিয়ামের কণ্ঠ তা আরও জীবন্ত করে তোলে। ভক্তদের মতে, দুনিয়ার চারপাশের অস্থিরতার মধ্যে এই গানগুলো মানুষকে একসঙ্গে দাঁড়াতে, হাসতে, আলিঙ্গন করতে এবং বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করেছে যে সব ঠিক হয়ে যাবে।

#ওয়েসিস #রিইউনিয়নট্যুর #গ্যালাঘারভাইরা #রকসংগীত #লাইভকনসার্ট #মিউজিকনস্টালজিয়া #লিয়ামগ্যালাঘার #নোয়েলগ্যালাঘার #ওয়েসিসলাইভ২৫ #সারাক্ষণরিপোর্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের সামনে এখন সাম্রাজ্যের সেই পুরোনো ফাঁদ

ওয়েসিসের রিইউনিয়ন ট্যুরে ভরপুর আবেগ: গ্যালাঘার ভাইদের মিলনেই ফিরল রক দুনিয়ার আনন্দ

০৪:৩৬:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

ভাইদের পুনর্মিলনে রক ভক্তদের উচ্ছ্বাস
ওয়েসিসের রিইউনিয়ন ট্যুর ২০২৫ শুধু সঙ্গীতপ্রেমীদের ফিরিয়ে নেয়নি নস্টালজিয়ার দিনে, বরং এনে দিয়েছে বহুদিনের তিক্ততা ভুলে এক আবেগঘন মিলনের মুহূর্ত। লিয়াম ও নোয়েল গ্যালাঘার একসঙ্গে মঞ্চে হাঁটছেন, আলিঙ্গন করছেন—এ দৃশ্যই যেন বদলে দিয়েছে পুরোনো খ্যাতিমান রূঢ় রকের ইমেজকে। বিশ্বজুড়ে শোর সাফল্য প্রমাণ করেছে, ভাইদের এই মীমাংসা মানুষকে আবার একত্র করেছে।

স্টেডিয়াম জুড়ে ইতিবাচক পুরুষত্বের দৃশ্য
কনসার্ট ভেন্যুগুলোতে দেখা গেছে বাবা-ছেলে, বাবা-মেয়ে, বন্ধু, প্রেমিক, দম্পতি—সবাইকে। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে লেবার ডে ছুটির শোতে দর্শকদের আচরণ ছিল প্রশংসনীয়। হাসি, আলিঙ্গন, কান্না, একতা—সব মিলিয়ে রক শোতেই যেন পরিবারিক আউটিংয়ের আবহ। অনেকে সন্তানকে প্রথমবার ওয়েসিসের গান শোনাতে নিয়ে এসেছেন, আর শিশুরাও উৎসাহে গান গাইছে, চারপাশের মানুষ তাদের হাই-ফাইভ দিচ্ছে।

গ্যালাঘার ভাইদের পুরোনো ঝগড়া আর আজকের আবেগী মিলন
নব্বই ও ২০০০-এর দশকে গ্যালাঘার ভাইদের রূঢ় মন্তব্য, ঝগড়া, স্টেজ ছেড়ে চলে যাওয়া ছিল নিয়মিত ঘটনা। একে অপরকে অপমান করা, সহশিল্পীদের বিদ্রূপ করা—সব মিলিয়ে বিরোধ দীর্ঘ ১৬ বছর টেনে আনে। ২০০৯ সালে সহিংসতার পর নোয়েল ব্যান্ড ভেঙে দেন।
কিন্তু আজ তারা নিজেদেরই পরিবর্তিত রূপ দেখাচ্ছেন। প্রতিটি শো শুরু হয় তাদের কাঁধে কাঁধ রেখে এগিয়ে যাওয়ার দৃশ্যে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উত্তর ইংল্যান্ডের মানুষ তীব্র আবেগপ্রবণ হলেও অভিমান ও দীর্ঘস্থায়ী হয়। তবুও সময় সবকিছু নরম করে দেয়, আর তাদের পুনর্মিলন ছিল অবশ্যম্ভাবী।

ফ্যানদের চোখে এ যেন এক যুগের প্রত্যাবর্তন
শিকাগো, টরন্টো, পাসাডেনা—যেখানেই শো হোক, দর্শকদের প্রতিক্রিয়া একই। অনেকের মতে, এটি নাকি “সাদা ছেলেদের ইরাস ট্যুর”—এতটাই আবেগি, এতটাই উচ্ছ্বাসপূর্ণ। পুরোনো ভক্তরা বলছেন, এই ট্যুরে ফিরে এসেছে সেই সময়, যখন সমাজ এত বিভক্ত ছিল না।
নিউইয়র্কের দুই ভাই ফ্রাঙ্ক ও জোসেফের কথায়, “ওরা ভাই, আমরাও ভাই। তাদের গান আমাদের আরো কাছাকাছি এনেছে।” শোতে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গলা মিলিয়েছেন তারা। প্রথম নোট পড়তেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন—এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই।

‘সব কিছু খারাপ হলেও গান তোমাকে বাঁচিয়ে রাখবে’
ওয়েসিসের গান কর্মজীবী মানুষের স্বপ্ন, বন্ধুত্ব, ভালোবাসা ও কষ্টের গল্প। নোয়েলের লেখা সুরের ভেতর আশা আর দুঃখ মিলেমিশে থাকে, আর লিয়ামের কণ্ঠ তা আরও জীবন্ত করে তোলে। ভক্তদের মতে, দুনিয়ার চারপাশের অস্থিরতার মধ্যে এই গানগুলো মানুষকে একসঙ্গে দাঁড়াতে, হাসতে, আলিঙ্গন করতে এবং বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করেছে যে সব ঠিক হয়ে যাবে।

#ওয়েসিস #রিইউনিয়নট্যুর #গ্যালাঘারভাইরা #রকসংগীত #লাইভকনসার্ট #মিউজিকনস্টালজিয়া #লিয়ামগ্যালাঘার #নোয়েলগ্যালাঘার #ওয়েসিসলাইভ২৫ #সারাক্ষণরিপোর্ট