বাস্তববাদী কূটনীতির প্রত্যাবর্তন
ব্রেক্সিট গণভোটের প্রায় এক দশক পর যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন আবার উচ্চপর্যায়ের বাণিজ্য ও সহযোগিতা আলোচনা শুরু করেছে। মঙ্গলবার উভয় পক্ষ জানায়, শুল্ক ছাড়াও প্রতিরক্ষা সমন্বয়, জ্বালানি নিরাপত্তা ও অনিয়মিত অভিবাসন আলোচনায় এসেছে। অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার চাপে ব্যবসা ও ভোটারদের উদ্বেগ এই পরিবর্তনের পেছনে কাজ করছে।
ব্রিটিশ রপ্তানিকারকেরা শুল্ক প্রক্রিয়া ও ভিন্ন নিয়মকে প্রবৃদ্ধির বাধা হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে ইইউ শ্রম চলাচল ও যৌথ নিরাপত্তায় আরও প্রতিশ্রুতি চাইছে। আলোচকরা বলছেন, লক্ষ্য ব্রেক্সিট বদলানো নয়, বরং এর সবচেয়ে কঠিন প্রভাব কমানো।
কৌশলগত চাপ আলোচনায় গতি এনেছে
ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা বাড়িয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের বিভক্ত নিরাপত্তা কাঠামো যৌথ সক্ষমতাকে দুর্বল করে। একই সঙ্গে চরম আবহাওয়ায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগের চাপ জ্বালানি আলোচনাকে সামনে এনেছে।
বিশ্লেষকেরা সতর্ক করছেন, প্রত্যাশা সীমিত রাখা উচিত। লন্ডনে সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন সংবেদনশীল, আর ব্রাসেলস নিয়ম মানার ওপর জোর দিচ্ছে। তবু এই আলোচনা বছরের পর বছর পর সম্পর্ক উষ্ণ হওয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















