দক্ষিণ কোরিয়ায় মোতায়েন থাকা মার্কিন বাহিনী তাদের কার্যক্রমের পরিধি কোরীয় উপদ্বীপের বাইরে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাইওয়ান ঘিরে সম্ভাব্য যে কোনো সংকট দ্রুত মোকাবিলার সক্ষমতা গড়ে তুলতেই এই নতুন প্রস্তুতি। ওয়াশিংটনের লক্ষ্য উত্তর কোরিয়ার পাশাপাশি ক্রমশ আগ্রাসী হয়ে ওঠা চীনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ শক্তি আরও জোরালো করা।
নতুন কৌশলের পেছনের হিসাব
মার্কিন প্রতিরক্ষা মহলের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কার্যক্রম যুক্ত হলে যৌথ বাহিনীর প্রতিক্রিয়া সময় কমবে এবং সংকটকালে দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানরত বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে উত্তর কোরিয়া-কেন্দ্রিক প্রস্তুতিতে ব্যস্ত থাকলেও এখন তাদের নজর তাইওয়ান প্রণালীর দিকেও বাড়ছে।
চীনের জন্য বাড়তি বার্তা
এই প্রস্তুতিকে বিশ্লেষকেরা চীনের প্রতি স্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখছেন। তাইওয়ানকে ঘিরে সামরিক তৎপরতা বাড়ার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র দেখাতে চাইছে যে, কেবল তাইওয়ানের আশপাশ নয়, গোটা অঞ্চলে তার মিত্রদের সঙ্গে সমন্বিত শক্তি ব্যবহারের ক্ষমতা রয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়া-মার্কিন সহযোগিতা
সিউলের কাছাকাছি এলাকায় যৌথ প্রশিক্ষণ ও মহড়ার মধ্য দিয়ে দুই দেশের বাহিনী এই প্রস্তুতির বাস্তব অনুশীলন করছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, এই উদ্যোগ আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং মিত্রদের মধ্যে সমন্বয় বাড়াবে।
আঞ্চলিক নিরাপত্তার নতুন বাস্তবতা
বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করবে। উত্তর কোরিয়া, চীন এবং তাইওয়ানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই দ্রুত প্রতিক্রিয়া কৌশল ভবিষ্যতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















