পাকিস্তানের আকাশে শনিবার দেখা মিলেছে ২০২৬ সালের প্রথম সুপারমুন। ঐতিহ্যগতভাবে যাকে উলফ মুন বলা হয়, সেই পূর্ণিমার চাঁদ দেশের প্রায় সব অঞ্চলে ছিল স্পষ্ট ও উজ্জ্বল। ইসলামি বর্ষপঞ্জির রজব মাসের চৌদ্দ তারিখের সঙ্গে সময়টি মিলে যাওয়ায় রাতের আকাশে চাঁদের আলো ছিল আরও চোখধাঁধানো।
সুপারমুনের বিরল মুহূর্ত
পাকিস্তান মহাকাশ ও উচ্চ বায়ুমণ্ডল গবেষণা কমিশনের তথ্যমতে, এই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা শুরু হয় সন্ধ্যা পাঁচটা একান্ন মিনিটে। তখন চাঁদের আলোকিত অংশের হার পৌঁছায় প্রায় সম্পূর্ণ মাত্রায়। পৃথিবীর তুলনামূলক কাছাকাছি অবস্থানের কারণে চাঁদকে স্বাভাবিক পূর্ণিমার চেয়ে বড় ও বেশি উজ্জ্বল দেখায়।

আকাশ পরিষ্কার থাকায় সহজেই দৃশ্যমান
শনিবার সন্ধ্যায় আকাশ ছিল মেঘমুক্ত। ফলে সুপারমুন দেখতে কোনো অসুবিধা হয়নি। তবে আগের রাতে পাতলা মেঘ থাকায় চাঁদের চারপাশে আলো ভাঙনের ফলে একটি বড় উজ্জ্বল বলয় তৈরি হয়েছিল, যা অনেকের দৃষ্টি কেড়েছে।
পৃথিবীর সঙ্গে চাঁদের দূরত্ব ও আলোর প্রভাব
ঘটনার সময় পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যবর্তী দূরত্ব ছিল প্রায় তিন লাখ বাষট্টি হাজার কিলোমিটার। এই নৈকট্যের কারণেই চাঁদ স্বাভাবিক পূর্ণিমার তুলনায় প্রায় ছয় থেকে সাত শতাংশ বড় এবং প্রায় দশ শতাংশ বেশি উজ্জ্বল দেখায়।

মহাকাশ প্রেমীদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ
এ সময়েই চূড়ায় পৌঁছেছে কোয়াড্রান্টিড উল্কাবৃষ্টি। ফলে আকাশ পর্যবেক্ষণে আগ্রহীদের জন্য এই রাত হয়ে ওঠে আরও রোমাঞ্চকর। মহাকাশ গবেষণা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, এই সুপারমুন ছিল ২০২৫ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া একটি ধারাবাহিক পর্যায়ের শেষ ঘটনা। সামনে বছরের শেষ ভাগে আবার নতুন করে সুপারমুনের সুযোগ আসবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















