০৫:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
বাংলাদেশকে আমেরিকা, ভারতসহ অন্যান্য দেশের গড়ে ওঠা চীনের বিকল্প সাপ্লাই চেইন জোট ‘প্যাক্স সিলিকা’য় যোগ দিতে আহ্বান সার্জিও গরের চট্টগ্রাম ওয়াসার পানির দাম ৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাহারের দাবি, ক্যাবের তীব্র প্রতিবাদ বেনজীর আহমেদ দুবাই কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত, ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা: পারিবারিক সূত্র কুষ্টিয়ার চরে সেতুহীন দুর্ভোগ: পদ্মার বালুচর পেরিয়ে প্রতিদিন জীবনযুদ্ধ, বিচ্ছিন্ন প্রায় এক লাখ মানুষ সুন্দরবনে ছাগল খাচ্ছে লবণপানির কুমির, পর্যটকের ক্যামেরায় বিরল ভিডিও ফরিদপুরে রেললাইনের পাশে ৮ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক ৩ প্রাথমিকের ১৪,৩৮৪ সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক প্রার্থীর অনির্দিষ্টকালের অবস্থান কর্মসূচি, আগস্টেই নিয়োগপত্রের দাবি যশোরে কলেজছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত ৪ অলিখিত নিয়মের পক্ষে: কেন কখনও কখনও ‘নাক গলানো’ও নাগরিক দায়িত্ব

হোটেল শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি কার্যকর না হলে ১৪ জানুয়ারি ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি

সরকার ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি কার্যকর না হলে আগামী ১৪ জানুয়ারি সারা দেশে হোটেল ও রেস্তোরাঁ শ্রমিকরা ধর্মঘটে যাবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে শ্রমিক সংগঠন। ১৩ জানুয়ারির মধ্যে মজুরি বাস্তবায়ন না হলে এই কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।

ন্যূনতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের নেতারা জানান, সরকার ঘোষিত মজুরি এখনো অধিকাংশ হোটেল ও রেস্তোরাঁয় কার্যকর হয়নি। এতে শ্রমিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব-এ সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের আহ্বায়ক আক্তেরুজ্জামান খান এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

ঘোষিত মজুরি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৫ মে সরকার হোটেল ও রেস্তোরাঁ শ্রমিকদের জন্য ১৩ হাজার ৫০ টাকা ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করে এবং গেজেট প্রকাশ করা হয়। কিন্তু গেজেট প্রকাশের পরও দেশের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে সেই মজুরি কার্যকর করা হয়নি। শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, মালিকপক্ষ নানা অজুহাতে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এড়িয়ে চলছেন।

Image

শ্রম আইন মানার দাবি জোরালো

শ্রমিকরা শুধু ন্যূনতম মজুরি নয়, শ্রম আইনে নিশ্চিত করা অন্যান্য অধিকারও অবিলম্বে কার্যকর করার দাবি জানান। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান, আট ঘণ্টা কর্মদিবস নিশ্চিত করা, অতিরিক্ত কাজের ন্যায্য পারিশ্রমিক এবং সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব আইনগত সুবিধা বাস্তবায়ন।

সারা দেশে বিক্ষোভ ও মিছিল

এই দাবিগুলো আদায়ের অংশ হিসেবে রোববার সারা দেশে কর্মসূচি পালন করেন হোটেল ও রেস্তোরাঁ শ্রমিকরা। রাজধানী ঢাকা সহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ, মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শ্রমিক নেতারা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে এবং প্রয়োজনে ধর্মঘটের কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশকে আমেরিকা, ভারতসহ অন্যান্য দেশের গড়ে ওঠা চীনের বিকল্প সাপ্লাই চেইন জোট ‘প্যাক্স সিলিকা’য় যোগ দিতে আহ্বান সার্জিও গরের

হোটেল শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি কার্যকর না হলে ১৪ জানুয়ারি ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি

০৮:০০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

সরকার ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি কার্যকর না হলে আগামী ১৪ জানুয়ারি সারা দেশে হোটেল ও রেস্তোরাঁ শ্রমিকরা ধর্মঘটে যাবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে শ্রমিক সংগঠন। ১৩ জানুয়ারির মধ্যে মজুরি বাস্তবায়ন না হলে এই কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।

ন্যূনতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের নেতারা জানান, সরকার ঘোষিত মজুরি এখনো অধিকাংশ হোটেল ও রেস্তোরাঁয় কার্যকর হয়নি। এতে শ্রমিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব-এ সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের আহ্বায়ক আক্তেরুজ্জামান খান এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

ঘোষিত মজুরি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৫ মে সরকার হোটেল ও রেস্তোরাঁ শ্রমিকদের জন্য ১৩ হাজার ৫০ টাকা ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করে এবং গেজেট প্রকাশ করা হয়। কিন্তু গেজেট প্রকাশের পরও দেশের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে সেই মজুরি কার্যকর করা হয়নি। শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, মালিকপক্ষ নানা অজুহাতে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এড়িয়ে চলছেন।

Image

শ্রম আইন মানার দাবি জোরালো

শ্রমিকরা শুধু ন্যূনতম মজুরি নয়, শ্রম আইনে নিশ্চিত করা অন্যান্য অধিকারও অবিলম্বে কার্যকর করার দাবি জানান। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান, আট ঘণ্টা কর্মদিবস নিশ্চিত করা, অতিরিক্ত কাজের ন্যায্য পারিশ্রমিক এবং সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব আইনগত সুবিধা বাস্তবায়ন।

সারা দেশে বিক্ষোভ ও মিছিল

এই দাবিগুলো আদায়ের অংশ হিসেবে রোববার সারা দেশে কর্মসূচি পালন করেন হোটেল ও রেস্তোরাঁ শ্রমিকরা। রাজধানী ঢাকা সহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ, মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শ্রমিক নেতারা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে এবং প্রয়োজনে ধর্মঘটের কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হবে।