০৭:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমানিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর অনুমোদন হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই থাইল্যান্ডের জাহাজে হরমুজ প্রণালীতে অজ্ঞাত হামলা, নিখোঁজ তিন নাবিক ইরান যুদ্ধে বেসামরিক ও শিশু মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ পোপ লিওর তেলের বাজারে অস্থিরতা: ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জরুরি মজুত থেকে তেল ছাড়ার সুপারিশ আইইএর ইরানে নতুন করে ‘ব্যাপক হামলা’ শুরু করেছে ইসরাইল, একই সঙ্গে বৈরুতেও আঘাত ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৭টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত প্রয়োজন হলে সৌদি আরবের পাশে থাকবে পাকিস্তান

নতুন বছরে শক্তির সংকল্প: সুস্থ জীবনের পথে শক্তি বাড়ানোর পাঁচ বাস্তব দিশা

নতুন বছর মানেই নতুন প্রতিজ্ঞা। স্বাস্থ্য ভালো রাখার সংকল্পে শক্তি বাড়ানো হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর সিদ্ধান্তগুলোর একটি। নিয়মিত শক্তি অনুশীলন শরীরকে দীর্ঘদিন সক্রিয় রাখে, মন ভালো রাখে, স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে এবং হাড়ের দৃঢ়তা জোরদার করে। শুধু শরীরচর্চার ঘরের ভেতরেই নয়, দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি চলাফেরায় শক্তির প্রভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

দৈনন্দিন জীবনের জন্য শক্তি গড়া
আমাদের প্রতিদিনের কাজকর্মে একাধিক পেশি ও সন্ধি একসঙ্গে কাজ করে। চেয়ার থেকে ওঠা, সিঁড়ি ভাঙা কিংবা বাজারের ব্যাগ তোলা—সবকিছুই শরীরের সমন্বিত শক্তির উপর নির্ভরশীল। তাই অনুশীলনের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন শক্তি তৈরি করা, যা বাস্তব জীবনে কাজে লাগে। সপ্তাহে দুই দিন পুরো শরীর জুড়ে অনুশীলন করলে শরীর ধীরে ধীরে ভারসাম্য ও নিয়ন্ত্রণ শিখে নেয়।

Image

ডেডলিফটের মতো মৌলিক অনুশীলনের গুরুত্ব
মেঝে থেকে ভারী কিছু তুলতে গিয়ে শরীরের কেন্দ্রস্থ শক্তি ঠিকভাবে কাজে লাগানো খুব জরুরি। এই ধরনের অনুশীলন দৈনন্দিন জীবনের ঝুঁকি কমায় এবং দীর্ঘমেয়াদে শরীরকে সুরক্ষিত রাখে। শুরুতে নিজের শরীরের ওজনেই ভঙ্গি ঠিক করা জরুরি। পরে ধীরে ধীরে হালকা ওজন যোগ করলেই নিরাপদ অগ্রগতি সম্ভব।

পরিকল্পনা ও অগ্রগতি নজরে রাখা
পরিকল্পনা ছাড়া অনুশীলন করলে অনেক সময় শরীর অতিরিক্ত চাপে পড়ে যায়। একটি সহজ পরিকল্পনা এবং নিজের অগ্রগতি নিয়মিত খেয়াল রাখলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। কতটা ওজন তুলছেন, কতবার করছেন এবং শরীর কেমন লাগছে—এই তথ্যগুলো মনে রাখলেই পরের ধাপে এগোনো সহজ হয়।

Image

সীমার কাছাকাছি অনুশীলন করা
শক্তি বাড়াতে হলে শরীরকে বর্তমান ক্ষমতার একটু বাইরে নিয়ে যেতে হয়। একই ওজন ও একই অনুশীলনে দীর্ঘদিন থাকলে উন্নতি থেমে যায়। যখন অনুশীলন আর চ্যালেঞ্জ মনে হয় না, তখনই ধীরে ধীরে ওজন বা চাপ বাড়ানোর সময় আসে। এতে পেশি নতুন করে মানিয়ে নিতে শেখে।

Image

বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের গুরুত্ব
শক্তি অনুশীলনের সঙ্গে বিশ্রাম সমান গুরুত্বপূর্ণ। নতুন অনুশীলনে পেশি ক্লান্ত হয় এবং পুনরুদ্ধারের জন্য সময় দরকার। খুব দ্রুত ফল পেতে গিয়ে অতিরিক্ত চাপ দিলে চোটের ঝুঁকি বাড়ে। দুই দিনের বিরতি শরীরকে আবার শক্তি সঞ্চয় করার সুযোগ দেয়। এই সময় হালকা হাঁটা বা সাঁতারের মতো নরম চলাচল শরীরকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

নতুন বছরে শক্তি বাড়ানোর এই যাত্রা কোনো তাড়াহুড়োর নয়। ছোট ছোট নিয়মিত অভ্যাসই ধীরে ধীরে শরীর ও মনকে আরও দৃঢ় করে তোলে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নতুন বছরে শক্তির সংকল্প: সুস্থ জীবনের পথে শক্তি বাড়ানোর পাঁচ বাস্তব দিশা

০৯:০০:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

নতুন বছর মানেই নতুন প্রতিজ্ঞা। স্বাস্থ্য ভালো রাখার সংকল্পে শক্তি বাড়ানো হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর সিদ্ধান্তগুলোর একটি। নিয়মিত শক্তি অনুশীলন শরীরকে দীর্ঘদিন সক্রিয় রাখে, মন ভালো রাখে, স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে এবং হাড়ের দৃঢ়তা জোরদার করে। শুধু শরীরচর্চার ঘরের ভেতরেই নয়, দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি চলাফেরায় শক্তির প্রভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

দৈনন্দিন জীবনের জন্য শক্তি গড়া
আমাদের প্রতিদিনের কাজকর্মে একাধিক পেশি ও সন্ধি একসঙ্গে কাজ করে। চেয়ার থেকে ওঠা, সিঁড়ি ভাঙা কিংবা বাজারের ব্যাগ তোলা—সবকিছুই শরীরের সমন্বিত শক্তির উপর নির্ভরশীল। তাই অনুশীলনের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন শক্তি তৈরি করা, যা বাস্তব জীবনে কাজে লাগে। সপ্তাহে দুই দিন পুরো শরীর জুড়ে অনুশীলন করলে শরীর ধীরে ধীরে ভারসাম্য ও নিয়ন্ত্রণ শিখে নেয়।

Image

ডেডলিফটের মতো মৌলিক অনুশীলনের গুরুত্ব
মেঝে থেকে ভারী কিছু তুলতে গিয়ে শরীরের কেন্দ্রস্থ শক্তি ঠিকভাবে কাজে লাগানো খুব জরুরি। এই ধরনের অনুশীলন দৈনন্দিন জীবনের ঝুঁকি কমায় এবং দীর্ঘমেয়াদে শরীরকে সুরক্ষিত রাখে। শুরুতে নিজের শরীরের ওজনেই ভঙ্গি ঠিক করা জরুরি। পরে ধীরে ধীরে হালকা ওজন যোগ করলেই নিরাপদ অগ্রগতি সম্ভব।

পরিকল্পনা ও অগ্রগতি নজরে রাখা
পরিকল্পনা ছাড়া অনুশীলন করলে অনেক সময় শরীর অতিরিক্ত চাপে পড়ে যায়। একটি সহজ পরিকল্পনা এবং নিজের অগ্রগতি নিয়মিত খেয়াল রাখলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। কতটা ওজন তুলছেন, কতবার করছেন এবং শরীর কেমন লাগছে—এই তথ্যগুলো মনে রাখলেই পরের ধাপে এগোনো সহজ হয়।

Image

সীমার কাছাকাছি অনুশীলন করা
শক্তি বাড়াতে হলে শরীরকে বর্তমান ক্ষমতার একটু বাইরে নিয়ে যেতে হয়। একই ওজন ও একই অনুশীলনে দীর্ঘদিন থাকলে উন্নতি থেমে যায়। যখন অনুশীলন আর চ্যালেঞ্জ মনে হয় না, তখনই ধীরে ধীরে ওজন বা চাপ বাড়ানোর সময় আসে। এতে পেশি নতুন করে মানিয়ে নিতে শেখে।

Image

বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের গুরুত্ব
শক্তি অনুশীলনের সঙ্গে বিশ্রাম সমান গুরুত্বপূর্ণ। নতুন অনুশীলনে পেশি ক্লান্ত হয় এবং পুনরুদ্ধারের জন্য সময় দরকার। খুব দ্রুত ফল পেতে গিয়ে অতিরিক্ত চাপ দিলে চোটের ঝুঁকি বাড়ে। দুই দিনের বিরতি শরীরকে আবার শক্তি সঞ্চয় করার সুযোগ দেয়। এই সময় হালকা হাঁটা বা সাঁতারের মতো নরম চলাচল শরীরকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

নতুন বছরে শক্তি বাড়ানোর এই যাত্রা কোনো তাড়াহুড়োর নয়। ছোট ছোট নিয়মিত অভ্যাসই ধীরে ধীরে শরীর ও মনকে আরও দৃঢ় করে তোলে।