০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
স্টারমারের পতন শুধু এক নেতার নয়, ব্রিটিশ মধ্যপন্থী রাজনীতিরও সংকেত আসিয়ান জ্বালানি সংকটে তড়িঘড়ি তেল ভাগাভাগি চুক্তির পথে, হরমুজ ইস্যুতে বাড়ছে উদ্বেগ রেস্তোরাঁ খাত বাঁচাতে কর কমানো ও গ্যাস সংযোগ চালুর দাবি হাওরে ভেজা ধান নিয়ে কৃষকের কান্না, মিলছে না ক্রেতা বা সরকারি সহায়তা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের আসল সংকট সীমান্তে, না অবিশ্বাসে? জ্বালানি সংকটে সংযমের আহ্বান মোদির, আমদানি নির্ভরতা কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর বিজয়ের উত্থান, কংগ্রেসের সংকট এবং ভারতের বিরোধী রাজনীতির নতুন সমীকরণ জাহানারা ইমাম: এক মায়ের শোক থেকে জাতির বিবেক হয়ে ওঠার গল্প টিকের কামড়ে বাড়ছে ঝুঁকি, যুক্তরাষ্ট্রে ছড়াচ্ছে ছয় বিপজ্জনক রোগ ১৯২৬ সালের ব্রিটিশ সাধারণ ধর্মঘট: শ্রমিকদের হার, না কি শাসকশ্রেণির নৈতিক পরাজয়?

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৭টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৭টি সামরিক, কূটনৈতিক ও আকাশ প্রতিরক্ষা স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যাচাই করা স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে নিউইয়র্ক টাইমস।

ক্ষয়ক্ষতির চিত্র স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে
নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার প্রভাব স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। যাচাই করা স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে, অন্তত ১৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, কূটনৈতিক স্থাপনা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা কেন্দ্র বিভিন্ন মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত এসব স্থাপনা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করে আসছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এগুলো বারবার হামলার ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

কোন ধরনের স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, কূটনৈতিক মিশন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনাকারী কেন্দ্র। এসব স্থাপনা সাধারণত আঞ্চলিক নিরাপত্তা, নজরদারি এবং সামরিক অভিযানের জন্য ব্যবহৃত হয়।

স্যাটেলাইট ছবিতে বিভিন্ন স্থানে অবকাঠামোর ক্ষতি, ভবনের অংশ ভেঙে পড়া এবং প্রতিরক্ষা স্থাপনার ওপর আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এসব ক্ষতির মাত্রা স্থানভেদে ভিন্ন হলেও বেশ কয়েকটি স্থানে আঘাত গুরুতর বলে মনে করা হচ্ছে।

সংঘাতের বিস্তৃত প্রভাব
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত শুধু সামরিক ক্ষেত্রেই নয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এ সংঘাতের বিস্তার এবং ঝুঁকির মাত্রা আরও স্পষ্ট করে তুলছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এই হামলাগুলো মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। এর ফলে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্টারমারের পতন শুধু এক নেতার নয়, ব্রিটিশ মধ্যপন্থী রাজনীতিরও সংকেত

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৭টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত

০৬:৪১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৭টি সামরিক, কূটনৈতিক ও আকাশ প্রতিরক্ষা স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যাচাই করা স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে নিউইয়র্ক টাইমস।

ক্ষয়ক্ষতির চিত্র স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে
নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার প্রভাব স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। যাচাই করা স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে, অন্তত ১৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, কূটনৈতিক স্থাপনা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা কেন্দ্র বিভিন্ন মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত এসব স্থাপনা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করে আসছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এগুলো বারবার হামলার ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

কোন ধরনের স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, কূটনৈতিক মিশন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনাকারী কেন্দ্র। এসব স্থাপনা সাধারণত আঞ্চলিক নিরাপত্তা, নজরদারি এবং সামরিক অভিযানের জন্য ব্যবহৃত হয়।

স্যাটেলাইট ছবিতে বিভিন্ন স্থানে অবকাঠামোর ক্ষতি, ভবনের অংশ ভেঙে পড়া এবং প্রতিরক্ষা স্থাপনার ওপর আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এসব ক্ষতির মাত্রা স্থানভেদে ভিন্ন হলেও বেশ কয়েকটি স্থানে আঘাত গুরুতর বলে মনে করা হচ্ছে।

সংঘাতের বিস্তৃত প্রভাব
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত শুধু সামরিক ক্ষেত্রেই নয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এ সংঘাতের বিস্তার এবং ঝুঁকির মাত্রা আরও স্পষ্ট করে তুলছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এই হামলাগুলো মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। এর ফলে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।