০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬
সিইএস ২০২৬: ‘এআই’ দিয়ে নতুন গ্যাজেট চক্রের ইঙ্গিত বিশ্বাসঘাতকতার অন্ধকার অধ্যায়: সিআইএর ইতিহাসে সবচেয়ে ক্ষতিকর গুপ্তচর অ্যালড্রিচ এমসের মৃত্যু এনভিডিয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গিগা ফ্যাক্টরি, দুই হাজার ছাব্বিশ পর্যন্ত চাহিদা বাড়বে বলে জানাল লেনোভো অজুহাত মানে না কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষক, ফিটনেস রেজল্যুশন টিকিয়ে রাখার নতুন যুদ্ধ ইয়িদান পুরস্কারপ্রাপ্তদের নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে বদলাচ্ছে আধুনিক শিক্ষা ও দক্ষতার ধারণা এক হাতে শক্তি আর বিস্ফোরণ ক্ষমতার চর্চা, সিঙ্গেল আর্ম হ্যাং ক্লিনে বদলান শরীরের ছন্দ ইউরোপজুড়ে তুষার ও বরফের তাণ্ডব, বাতিল শত শত ফ্লাইট, সড়কে প্রাণহানি কুয়াশা কী, কেন হয়? কুয়াশা পড়লে ঠান্ডা বাড়ে নাকি কমে? থাইল্যান্ডের বিমানবন্দর সংযোগ দ্রুতগতি রেল প্রকল্প অনিশ্চয়তায়, রাজনৈতিক টানাপোড়েনে আটকে সাত বিলিয়ন ডলারের উদ্যোগ এক মিনিটেই বদলে যেতে পারে জীবন

আজ কুয়াশার চাদরে ঢেকে যেতে পারে দেশ

টানা ঘন কুয়াশা, শীতের তীব্রতা আর হাড় কাঁপানো ঠান্ডা বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন ও প্রাণিকুল। দিন দিন নামছে তাপমাত্রার পারদ। গত এক দিনে দেশের তাপমাত্রা এক ডিগ্রি কমেছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ঈশ্বরদীতে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ঢাকায় ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশা কত দিন থাকবে
আবহাওয়া বিশ্লেষকদের মতে, চলমান শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশার প্রবণতা আগামী ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। মঙ্গলবার রাত থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশা আরও ঘন হতে শুরু করে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে তাপমাত্রা পাঁচ থেকে সাত ডিগ্রিতে নেমে আসে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, চলতি মাসে দুই থেকে তিন দফা শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। জানুয়ারি মাসে অন্তত এক থেকে দুটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে।

কুয়াশার বিস্তার ও সূর্য দেখার সময়
আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষকদের তথ্যমতে, সোমবার সন্ধ্যার পর থেকেই দেশের আট বিভাগের বিভিন্ন জেলা মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে গেছে। আজ মঙ্গলবার রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় দুপুরের আগে সূর্যের দেখা নাও মিলতে পারে। অন্যদিকে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু জেলায় সকাল দশটার পর ধীরে ধীরে সূর্যের আলো দেখা  যাচ্ছে।

যেসব এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ চলছে
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, আরিচা, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, ঈশ্বরদী, বগুড়া, বদলগাছি, তাড়াশ, বাঘাবাড়ি, দিনাজপুর, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুমারখালির ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং এটি অব্যাহত থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদনদী অববাহিকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। কোথাও কোথাও এই কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে গিয়ে শীতের অনুভূতি আরও বাড়ছে।

জনজীবনে প্রভাব
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশার কারণে সকালবেলা কাজে বের হতে পারছেন না অনেক দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষ। শিশু ও বয়স্করা শীতজনিত অসুস্থতায় বেশি ভুগছেন, বেড়েছে সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টের রোগী। উত্তরাঞ্চলের অনেক এলাকায় খোলা জায়গায় বসবাসকারী মানুষ আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় কর্মজীবী মানুষ ও পণ্য পরিবহনে বাড়তি সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিইএস ২০২৬: ‘এআই’ দিয়ে নতুন গ্যাজেট চক্রের ইঙ্গিত

আজ কুয়াশার চাদরে ঢেকে যেতে পারে দেশ

১০:৫৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

টানা ঘন কুয়াশা, শীতের তীব্রতা আর হাড় কাঁপানো ঠান্ডা বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন ও প্রাণিকুল। দিন দিন নামছে তাপমাত্রার পারদ। গত এক দিনে দেশের তাপমাত্রা এক ডিগ্রি কমেছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ঈশ্বরদীতে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ঢাকায় ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশা কত দিন থাকবে
আবহাওয়া বিশ্লেষকদের মতে, চলমান শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশার প্রবণতা আগামী ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। মঙ্গলবার রাত থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশা আরও ঘন হতে শুরু করে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে তাপমাত্রা পাঁচ থেকে সাত ডিগ্রিতে নেমে আসে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, চলতি মাসে দুই থেকে তিন দফা শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। জানুয়ারি মাসে অন্তত এক থেকে দুটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে।

কুয়াশার বিস্তার ও সূর্য দেখার সময়
আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষকদের তথ্যমতে, সোমবার সন্ধ্যার পর থেকেই দেশের আট বিভাগের বিভিন্ন জেলা মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে গেছে। আজ মঙ্গলবার রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় দুপুরের আগে সূর্যের দেখা নাও মিলতে পারে। অন্যদিকে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু জেলায় সকাল দশটার পর ধীরে ধীরে সূর্যের আলো দেখা  যাচ্ছে।

যেসব এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ চলছে
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, আরিচা, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, ঈশ্বরদী, বগুড়া, বদলগাছি, তাড়াশ, বাঘাবাড়ি, দিনাজপুর, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুমারখালির ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং এটি অব্যাহত থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদনদী অববাহিকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। কোথাও কোথাও এই কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে গিয়ে শীতের অনুভূতি আরও বাড়ছে।

জনজীবনে প্রভাব
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশার কারণে সকালবেলা কাজে বের হতে পারছেন না অনেক দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষ। শিশু ও বয়স্করা শীতজনিত অসুস্থতায় বেশি ভুগছেন, বেড়েছে সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টের রোগী। উত্তরাঞ্চলের অনেক এলাকায় খোলা জায়গায় বসবাসকারী মানুষ আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় কর্মজীবী মানুষ ও পণ্য পরিবহনে বাড়তি সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।