০২:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
চীনের কয়লাখনি বিস্ফোরণ: প্রযুক্তির অগ্রগতির আড়ালে রয়ে গেছে শ্রমিকদের ঝুঁকিপূর্ণ জীবন ৪৫ ডিগ্রি তাপেও থামে না জীবন, দিল্লির শ্রমজীবী মানুষের কাছে বেঁচে থাকাই বড় চ্যালেঞ্জ ভাইরাল নাচে নতুন প্রাণ পাচ্ছে গান, বদলে যাচ্ছে পপসংস্কৃতির চিত্র পেন্টাগনের গোপন ইউএফও নথি প্রকাশ, রহস্য আরও ঘনীভূত চালের দামের রকেট গতি, বাংলাদেশি টাকায় ১১৬ টাকা কেজি দরে ৫ লাখ টন চাল রপ্তানি করছে ইন্দোনেশিয়া দিল্লির সাকেত মেট্রো স্টেশনের কাছে বহুতল ভবন ধস, ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়ার আশঙ্কা টয়োটার বড় সিদ্ধান্ত: স্থগিত হচ্ছে পরবর্তী প্রজন্মের বৈদ্যুতিক গাড়ি প্রকল্প বিতর্কে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ স্থগিত মোদির মিতব্যয়ী বার্তা নিয়ে অসন্তোষ, চাপে ভারতের মধ্যবিত্ত ও করদাতা শ্রেণি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় শক্তিশালী হচ্ছে কর্তৃত্ববাদী শাসন, নেতৃত্বে নতুন মুখের উত্থান

শ্রীমঙ্গলে ৭ ডিগ্রিতে নেমে এলো তাপমাত্রা

পাহাড়ি টিলা ও হাওরবেষ্টিত চায়ের রাজধানী হিসেবে পরিচিত মৌলভীবাজারের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। কনকনে ঠান্ডায় কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জেলার স্বাভাবিক জনজীবন। বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। এদিন সকালবেলা সেখানে তাপমাত্রা নেমে আসে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মো. আনিছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এর আগের দিন বুধবার শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত কয়েক দিন ধরে মধ্যরাতের পর থেকেই ঘন কুয়াশা পড়ছে। সঙ্গে বইছে কনকনে ঠান্ডা বাতাস। অনেক এলাকায় দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না। ফলে শীতের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষিজীবী ও শ্রমজীবী মানুষ। বিশেষ করে হাওর এলাকার বোরো চাষি এবং চা বাগানের শ্রমিকদের জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ঠান্ডা থেকে রক্ষা পেতে অনেকেই খড়কুটা জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছেন। একই সঙ্গে শীতে গৃহপালিত পশুপাখিও মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছে।

হঠাৎ করে তাপমাত্রা দ্রুত কমে যাওয়ায় সকাল থেকে কাজে বের হওয়া সাধারণ মানুষ, দিনমজুর ও চা শ্রমিকদের কষ্ট আরও বেড়েছে। ঘন কুয়াশায় দুপুর পর্যন্ত ঢাকা থাকছে সড়ক-মহাসড়ক, চা বাগান ও পাহাড়ি জনপদ। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দূরপাল্লার যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে।

এদিকে শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডাজনিত রোগবালাইও বাড়ছে। জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীদের ভিড় বাড়ছে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গোপালগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, ফেনী, খুলনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়াসহ রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই শৈত্যপ্রবাহ আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের কয়লাখনি বিস্ফোরণ: প্রযুক্তির অগ্রগতির আড়ালে রয়ে গেছে শ্রমিকদের ঝুঁকিপূর্ণ জীবন

শ্রীমঙ্গলে ৭ ডিগ্রিতে নেমে এলো তাপমাত্রা

০৮:০৫:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

পাহাড়ি টিলা ও হাওরবেষ্টিত চায়ের রাজধানী হিসেবে পরিচিত মৌলভীবাজারের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। কনকনে ঠান্ডায় কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জেলার স্বাভাবিক জনজীবন। বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। এদিন সকালবেলা সেখানে তাপমাত্রা নেমে আসে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মো. আনিছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এর আগের দিন বুধবার শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত কয়েক দিন ধরে মধ্যরাতের পর থেকেই ঘন কুয়াশা পড়ছে। সঙ্গে বইছে কনকনে ঠান্ডা বাতাস। অনেক এলাকায় দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না। ফলে শীতের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষিজীবী ও শ্রমজীবী মানুষ। বিশেষ করে হাওর এলাকার বোরো চাষি এবং চা বাগানের শ্রমিকদের জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ঠান্ডা থেকে রক্ষা পেতে অনেকেই খড়কুটা জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছেন। একই সঙ্গে শীতে গৃহপালিত পশুপাখিও মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছে।

হঠাৎ করে তাপমাত্রা দ্রুত কমে যাওয়ায় সকাল থেকে কাজে বের হওয়া সাধারণ মানুষ, দিনমজুর ও চা শ্রমিকদের কষ্ট আরও বেড়েছে। ঘন কুয়াশায় দুপুর পর্যন্ত ঢাকা থাকছে সড়ক-মহাসড়ক, চা বাগান ও পাহাড়ি জনপদ। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দূরপাল্লার যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে।

এদিকে শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডাজনিত রোগবালাইও বাড়ছে। জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীদের ভিড় বাড়ছে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গোপালগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, ফেনী, খুলনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়াসহ রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই শৈত্যপ্রবাহ আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।