১১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে অস্বীকার: এরপর কী, কী বলছে নিয়ম পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে চুরির অভিযোগে গাছে বেঁধে নির্যাতন, দুই শিশুকে ঘিরে তোলপাড় গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের আন্দোলন স্থগিত, ঈদের আগেই দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস এপ্রিলে মব ভায়োলেন্সে ২২ নিহত, রাজনৈতিক সংঘাতে আরও ৬: এইচআরএসএস প্রতিবেদন ৩৯ কর্মকর্তার বড় রদবদল, এক দিনে বদলি ৯ ডিআইজি এক ভোটেই হার-জিত: তামিলনাড়ু ভোটে সাবেক মন্ত্রীর পরাজয়, ‘সারকার’-এর বার্তা ফের প্রমাণিত বাংলা-আসাম ফলাফল ঘিরে গণতন্ত্রে হুমকি, ঐক্যের ডাক রাহুল গান্ধীর সংসার যখন চালায় ভাগ্য, তখন অর্থনীতি কোথায় দাঁড়িয়ে? গ্রামেও ভ্যাট বসাতে চায় সরকার, টোকেন কর নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ইন্দোনেশিয়ায় ম্যালেরিয়ার রেকর্ড সংক্রমণ, জলবায়ু ও মানুষের চলাচলে বাড়ছে ঝুঁকি

জার্মান রাষ্ট্রপতির কঠোর অভিযোগ মার্কিন নীতি বিশ্বব্যবস্থা ধ্বংসের মুখে

জার্মান রাষ্ট্রপতি ফ্রাঙ্ক-ওয়াল্টার স্টাইনমায়ার গতকাল আরেকটি বিরল ও শক্তিশালী বক্তৃতায় মার্কিন বিদেশ নীতিকে “বিশ্বব্যবস্থা ধ্বংসকারী” হিসেবে আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেছেন, একসময় এই ব্যবস্থা গঠনে নেতৃত্বদানকারী দেশ এখন সেই মূল্যবোধ ভেঙে দিচ্ছে যা বৈশ্বিক শান্তি ও অর্থনীতির ভিত্তি। স্টাইনমায়ারের এই মন্তব্যে বিশ্ব রাজনীতিতে উত্তেজনা আরও বাড়ছে এবং বহু দেশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

মূল বক্তব্যে স্থায়ী ন্যায় ও শান্তি বজায় রাখার জন্য সক্রিয় আন্তর্জাতিক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ব যেন “ডাকাতদের অভয়ারণ্যে” পরিণত না হয় যেখানে শক্তিশালী দেশ তাদের ইচ্ছামতো অন্য দেশগুলোতে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। স্টাইনমায়ার যুক্তরাষ্ট্রকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে দেখা সত্ত্বেও এখন সেই নীতিমালার ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন।

স্টাইনমায়ারের বক্তব্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একটি সতর্কবার্তা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মান ও মূল্যবোধ রক্ষা করতে বিশ্বকে সতর্ক ও সংহত থাকতে হবে এবং ব্রাজিল, ভারত সহ অন্যান্য প্রভাবশালী দেশগুলোকে এই উদ্দেশ্যে কাজ করার জন্য অনুরোধ করেছেন।

বিশ্ব রাজনীতিতে প্রতিক্রিয়া

স্টাইনমায়ারের এই কঠোর মতামত বিশ্ব নেতৃত্ব ও কূটনীতিকদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। মার্কিন নীতির উপর সমালোচনা পূর্বেও ইউরোপীয় নেতাদের কণ্ঠে শোনা গেছে, যারা বলেছেন যে মার্কিন বাইরেও বিশ্ব অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

কেন এই ঘোষণা গুরুত্বপূর্ণ

স্টাইনমায়ারের মন্তব্য শুধুই বক্তৃতা নয়; এটি বিশ্ববাজার, কূটনীতি ও নিরাপত্তা নীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। ঐতিহাসিকভাবে জার্মান রাষ্ট্রপতির প্রধান ভূমিকা আনুষ্ঠানিক হলেও তার মতামত আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক চেতনা ও সমর্থনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে অস্বীকার: এরপর কী, কী বলছে নিয়ম

জার্মান রাষ্ট্রপতির কঠোর অভিযোগ মার্কিন নীতি বিশ্বব্যবস্থা ধ্বংসের মুখে

০৮:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

জার্মান রাষ্ট্রপতি ফ্রাঙ্ক-ওয়াল্টার স্টাইনমায়ার গতকাল আরেকটি বিরল ও শক্তিশালী বক্তৃতায় মার্কিন বিদেশ নীতিকে “বিশ্বব্যবস্থা ধ্বংসকারী” হিসেবে আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেছেন, একসময় এই ব্যবস্থা গঠনে নেতৃত্বদানকারী দেশ এখন সেই মূল্যবোধ ভেঙে দিচ্ছে যা বৈশ্বিক শান্তি ও অর্থনীতির ভিত্তি। স্টাইনমায়ারের এই মন্তব্যে বিশ্ব রাজনীতিতে উত্তেজনা আরও বাড়ছে এবং বহু দেশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

মূল বক্তব্যে স্থায়ী ন্যায় ও শান্তি বজায় রাখার জন্য সক্রিয় আন্তর্জাতিক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ব যেন “ডাকাতদের অভয়ারণ্যে” পরিণত না হয় যেখানে শক্তিশালী দেশ তাদের ইচ্ছামতো অন্য দেশগুলোতে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। স্টাইনমায়ার যুক্তরাষ্ট্রকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে দেখা সত্ত্বেও এখন সেই নীতিমালার ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন।

স্টাইনমায়ারের বক্তব্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একটি সতর্কবার্তা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মান ও মূল্যবোধ রক্ষা করতে বিশ্বকে সতর্ক ও সংহত থাকতে হবে এবং ব্রাজিল, ভারত সহ অন্যান্য প্রভাবশালী দেশগুলোকে এই উদ্দেশ্যে কাজ করার জন্য অনুরোধ করেছেন।

বিশ্ব রাজনীতিতে প্রতিক্রিয়া

স্টাইনমায়ারের এই কঠোর মতামত বিশ্ব নেতৃত্ব ও কূটনীতিকদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। মার্কিন নীতির উপর সমালোচনা পূর্বেও ইউরোপীয় নেতাদের কণ্ঠে শোনা গেছে, যারা বলেছেন যে মার্কিন বাইরেও বিশ্ব অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

কেন এই ঘোষণা গুরুত্বপূর্ণ

স্টাইনমায়ারের মন্তব্য শুধুই বক্তৃতা নয়; এটি বিশ্ববাজার, কূটনীতি ও নিরাপত্তা নীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। ঐতিহাসিকভাবে জার্মান রাষ্ট্রপতির প্রধান ভূমিকা আনুষ্ঠানিক হলেও তার মতামত আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক চেতনা ও সমর্থনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।