ময়মনসিংহের ভালুকায় তরুণ দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাজধানীর ডেমরা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা এই ব্যক্তির নাম ইয়াসিন আরাফাত। তিনি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার গাজী মিয়ার ছেলে।
ঘটনার পর থেকেই ইয়াসিন আরাফাত পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে ডেমরার সারুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ঘটনার দিন তিনি কারখানার গেটে স্লোগান দিয়ে লোক জড়ো করার প্রধান ভূমিকা পালন করেন।
হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের ভূমিকা
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, দীপু চন্দ্র দাস নিহত হওয়ার পর ইয়াসিন সরাসরি নেতৃত্ব দিয়ে দড়ি বেঁধে মরদেহ টেনে স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় নিয়ে যান এবং সেখানে আগুন দেওয়ার ঘটনায় যুক্ত ছিলেন। এই ঘটনায় সহিংসতা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকাজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

মামলার অগ্রগতি ও গ্রেপ্তার সংখ্যা
এখন পর্যন্ত এই মামলায় একুশ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে নয় জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশ বলছে, তদন্ত চলমান রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কী ঘটেছিল সেদিন
গত ডিসেম্বর মাসের আঠারো তারিখে ভালুকা উপজেলায় কথিত ধর্ম অবমাননার অভিযোগে স্থানীয় একটি কারখানার শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে জনতা পিটিয়ে হত্যা করে। এই ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দা ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















