১১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
ইরান সংসদ স্পিকারের বিদ্রূপ: ‘রিজিম চেঞ্জ থেকে নেমে এসেছে হেই কেউ কি পাইলট খুঁজে পাচ্ছ প্লিজ?’ চীনের নীতি বদল: অর্থনীতি নয়, এখন কর্তৃত্ব ও আনুগত্যই মূল লক্ষ্য ট্রাম্পের মন্তব্য: যুদ্ধ চলতে পারে কয়েক সপ্তাহ, নিখোঁজ বিমানচালকের বিষয় চুক্তিতে প্রভাব ফেলবে না যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করল ইরান, নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই হাজার ৫৪ বছর পর মানুষ আবার চাঁদের পথে, আর্টেমিস-২ অর্ধেক পথ পেরিয়েছে ইরানের একমাত্র কার্যকরী পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে হামলা: নিরাপত্তা কর্মী নিহত, ইরান সতর্ক ইরানি আকাশে ধ্বংসপ্রাপ্ত F-15E যুদ্ধবিমানের ক্রু উদ্ধার অভিযান ইরানের আকাশে উত্তেজনা: মার্কিন বিমানচালক নিখোঁজ, তেহরানে ইসরায়েলের হামলার আতঙ্ক দেশপ্রেমের এই নমুনা, আমার হাতে হাতকড়া: মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী আসামে আদিবাসী পরিবারকে গরু-ভেড়া দেবেন শাহ, প্রতিশ্রুতি দিলেন বৃহৎ দুধ শিল্প স্থাপনারও

সরকারি খাদ্য গুদামে সাড়ে পাঁচশ মেট্রিক টন ধান-চালের গরমিল, দুদকের অভিযানে অনিয়মের প্রমাণ

কুড়িগ্রাম জেলার সরকারি খাদ্য গুদামে বিপুল পরিমাণ ধান ও চালের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানে গুদামের মজুদের সঙ্গে নথিপত্রের বড় ধরনের অসামঞ্জস্য ধরা পড়েছে। প্রাথমিক হিসাবে প্রায় সাড়ে পাঁচশ মেট্রিক টন ধান ও চালের হদিস মিলছে না বলে জানিয়েছে দুদক।

গুদাম পরিদর্শনে ধরা পড়ল বড় ঘাটতি

রোববার দুপুরে দুদকের একটি দল কুড়িগ্রাম শহরের নতুন রেলস্টেশন এলাকার জেলা খাদ্য গুদামে অভিযান চালায়। সেখানে অবস্থিত আটটি গোডাউন ঘুরে দেখা হয়। পরিদর্শনের সময় দেখা যায়, কাগজে থাকা মজুদের তুলনায় বাস্তবে বিপুল পরিমাণ ধান ও চাল অনুপস্থিত। দুদকের হিসাব অনুযায়ী, ৫২১ মেট্রিক টন ধান ও ৩৫ মেট্রিক টন চালের কোনো সঠিক হিসাব পাওয়া যায়নি।

কুড়িগ্রাম খাদ্য গুদামের ৫২১ মেট্রিক টন ধান ও ৩৫ মেট্রিক টন চাল উধাও

সন্ধ্যায় আবার অভিযান

একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে দুদকের দল কুড়িগ্রাম সদর খাদ্য গুদামে দ্বিতীয় দফা অভিযান শুরু করে। সেখানে আলাদা আলাদা ছয়টি গোডাউন তল্লাশি করা হয়। দুদকের ধারণা, এসব গোডাউনেও খাদ্যশস্যের হিসাবে ঘাটতি থাকতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিস্তারিত যাচাই চলছে।

অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ

দুদক সূত্র জানায়, কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ না করে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিম্নমানের চাল কেনা, নতুন বস্তার পরিবর্তে পুরোনো বস্তা ব্যবহার এবং সরকারি গুদামের ধান ও চাল বাইরে বিক্রি করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। দুদকের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে কুড়িগ্রামে এই অভিযান চালানো হয়।

কুড়িগ্রামে খাদ্যগুদামে দুদকের হানা: ৫২১ মেট্রিক টন ধান ও ৩৫ মেট্রিক টন চাল  উধাও, গুদাম সিলগালা - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবত...

গোডাউন সিলগালা, তদন্তের আশ্বাস

কুড়িগ্রাম জেলা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সাবদারুর ইসলাম জানান, যেসব গোডাউনে ধান ও চালের ঘাটতি পাওয়া গেছে, সেগুলো সিলগালা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট খাদ্য গুদাম কর্মকর্তাদের কাছে ঘাটতির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তারা সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তিনি আরও জানান, অভিযানের সময় খাদ্য অনুপযোগী চালও পাওয়া গেছে। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ কাজী হামিদুল হকের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান সংসদ স্পিকারের বিদ্রূপ: ‘রিজিম চেঞ্জ থেকে নেমে এসেছে হেই কেউ কি পাইলট খুঁজে পাচ্ছ প্লিজ?’

সরকারি খাদ্য গুদামে সাড়ে পাঁচশ মেট্রিক টন ধান-চালের গরমিল, দুদকের অভিযানে অনিয়মের প্রমাণ

১১:২৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

কুড়িগ্রাম জেলার সরকারি খাদ্য গুদামে বিপুল পরিমাণ ধান ও চালের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানে গুদামের মজুদের সঙ্গে নথিপত্রের বড় ধরনের অসামঞ্জস্য ধরা পড়েছে। প্রাথমিক হিসাবে প্রায় সাড়ে পাঁচশ মেট্রিক টন ধান ও চালের হদিস মিলছে না বলে জানিয়েছে দুদক।

গুদাম পরিদর্শনে ধরা পড়ল বড় ঘাটতি

রোববার দুপুরে দুদকের একটি দল কুড়িগ্রাম শহরের নতুন রেলস্টেশন এলাকার জেলা খাদ্য গুদামে অভিযান চালায়। সেখানে অবস্থিত আটটি গোডাউন ঘুরে দেখা হয়। পরিদর্শনের সময় দেখা যায়, কাগজে থাকা মজুদের তুলনায় বাস্তবে বিপুল পরিমাণ ধান ও চাল অনুপস্থিত। দুদকের হিসাব অনুযায়ী, ৫২১ মেট্রিক টন ধান ও ৩৫ মেট্রিক টন চালের কোনো সঠিক হিসাব পাওয়া যায়নি।

কুড়িগ্রাম খাদ্য গুদামের ৫২১ মেট্রিক টন ধান ও ৩৫ মেট্রিক টন চাল উধাও

সন্ধ্যায় আবার অভিযান

একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে দুদকের দল কুড়িগ্রাম সদর খাদ্য গুদামে দ্বিতীয় দফা অভিযান শুরু করে। সেখানে আলাদা আলাদা ছয়টি গোডাউন তল্লাশি করা হয়। দুদকের ধারণা, এসব গোডাউনেও খাদ্যশস্যের হিসাবে ঘাটতি থাকতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিস্তারিত যাচাই চলছে।

অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ

দুদক সূত্র জানায়, কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ না করে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিম্নমানের চাল কেনা, নতুন বস্তার পরিবর্তে পুরোনো বস্তা ব্যবহার এবং সরকারি গুদামের ধান ও চাল বাইরে বিক্রি করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। দুদকের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে কুড়িগ্রামে এই অভিযান চালানো হয়।

কুড়িগ্রামে খাদ্যগুদামে দুদকের হানা: ৫২১ মেট্রিক টন ধান ও ৩৫ মেট্রিক টন চাল  উধাও, গুদাম সিলগালা - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবত...

গোডাউন সিলগালা, তদন্তের আশ্বাস

কুড়িগ্রাম জেলা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সাবদারুর ইসলাম জানান, যেসব গোডাউনে ধান ও চালের ঘাটতি পাওয়া গেছে, সেগুলো সিলগালা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট খাদ্য গুদাম কর্মকর্তাদের কাছে ঘাটতির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তারা সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তিনি আরও জানান, অভিযানের সময় খাদ্য অনুপযোগী চালও পাওয়া গেছে। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ কাজী হামিদুল হকের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।