০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রান্তিক নাটকের মায়াবী উপাসিকা অ্যাঞ্জেলিকা লিডেলের মৃত্যু রচনা: ‘ত্রয়ী শেষকৃত্য’-এ উন্মোচিত নতুন অনুভূতি নির্বাচন আগে তৃণমূলের নিরাপত্তা পরীক্ষা: কমিশনের কঠোর নির্দেশের নেপথ্য মহাকাব্যের নারীরা নতুন দৃষ্টিতে: ‘রেবেল রানিস’ উন্মোচন করছে নারীর নিজের কাহিনি ইরান সংসদ স্পিকারের বিদ্রূপ: ‘রিজিম চেঞ্জ থেকে নেমে এসেছে হেই কেউ কি পাইলট খুঁজে পাচ্ছ প্লিজ?’ চীনের নীতি বদল: অর্থনীতি নয়, এখন কর্তৃত্ব ও আনুগত্যই মূল লক্ষ্য ট্রাম্পের মন্তব্য: যুদ্ধ চলতে পারে কয়েক সপ্তাহ, নিখোঁজ বিমানচালকের বিষয় চুক্তিতে প্রভাব ফেলবে না যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করল ইরান, নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই হাজার ৫৪ বছর পর মানুষ আবার চাঁদের পথে, আর্টেমিস-২ অর্ধেক পথ পেরিয়েছে ইরানের একমাত্র কার্যকরী পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে হামলা: নিরাপত্তা কর্মী নিহত, ইরান সতর্ক ইরানি আকাশে ধ্বংসপ্রাপ্ত F-15E যুদ্ধবিমানের ক্রু উদ্ধার অভিযান

নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়: বদিউল আলম মজুমদার

নির্বাচনি প্রক্রিয়া এগোচ্ছে, তবে শঙ্কা এখনো কাটেনি—এমন মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। তাঁর মতে, নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া দেশে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা ও রাজনৈতিক আচরণ
সোমবার দুপুরে বরিশালে সুজন আয়োজিত বিভাগীয় সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ড. বদিউল আলম বলেন, নির্বাচনি ট্রেন ট্র্যাকে উঠেছে ঠিকই, কিন্তু শঙ্কা রয়ে গেছে। এই প্রক্রিয়াকে ট্র্যাকচ্যুত করতে পারেন রাজনীতিবিদ ও তাঁদের মনোনীত প্রার্থীরা। তবে সবাই যদি সদাচরণ করেন, উত্তেজনা কমান এবং সহিংসতা থেকে বিরত থাকেন, তাহলে ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে।

সুষ্ঠু নির্বাচনের শর্ত কী
ড. বদিউল আলম মজুমদারের বক্তব্যে উঠে আসে, এমপি হওয়ার জন্য অপকৌশল বন্ধ করা এবং দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণই সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রধান শর্ত। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার বাইরে দেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়।

গণতন্ত্র ও সুশাসনের প্রশ্ন
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, সুশাসন নিশ্চিত করা না হলে জনগণকে প্রতিবারই সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে নামতে হবে। এতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আস্থা কমবে।

সংলাপে অংশগ্রহণ ও মতামত
বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার প্রতিনিধিরা সংলাপে অংশ নেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও নেতারা তাঁদের মতামত তুলে ধরেন। আলোচনায় বক্তারা বলেন, নির্বাচন গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলেও একমাত্র শর্ত নয়। নির্বাচনের পর গণতন্ত্র কার্যকর করতে স্বাধীন ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা জরুরি।

নির্বাচনী সংস্কার ও আস্থা পুনর্গঠন
বক্তাদের মতে, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছাই গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে পারে। জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচনী ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন জরুরি। সেই সঙ্গে নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলোকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রান্তিক নাটকের মায়াবী উপাসিকা অ্যাঞ্জেলিকা লিডেলের মৃত্যু রচনা: ‘ত্রয়ী শেষকৃত্য’-এ উন্মোচিত নতুন অনুভূতি

নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়: বদিউল আলম মজুমদার

০৮:০৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনি প্রক্রিয়া এগোচ্ছে, তবে শঙ্কা এখনো কাটেনি—এমন মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। তাঁর মতে, নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া দেশে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা ও রাজনৈতিক আচরণ
সোমবার দুপুরে বরিশালে সুজন আয়োজিত বিভাগীয় সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ড. বদিউল আলম বলেন, নির্বাচনি ট্রেন ট্র্যাকে উঠেছে ঠিকই, কিন্তু শঙ্কা রয়ে গেছে। এই প্রক্রিয়াকে ট্র্যাকচ্যুত করতে পারেন রাজনীতিবিদ ও তাঁদের মনোনীত প্রার্থীরা। তবে সবাই যদি সদাচরণ করেন, উত্তেজনা কমান এবং সহিংসতা থেকে বিরত থাকেন, তাহলে ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে।

সুষ্ঠু নির্বাচনের শর্ত কী
ড. বদিউল আলম মজুমদারের বক্তব্যে উঠে আসে, এমপি হওয়ার জন্য অপকৌশল বন্ধ করা এবং দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণই সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রধান শর্ত। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার বাইরে দেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়।

গণতন্ত্র ও সুশাসনের প্রশ্ন
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, সুশাসন নিশ্চিত করা না হলে জনগণকে প্রতিবারই সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে নামতে হবে। এতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আস্থা কমবে।

সংলাপে অংশগ্রহণ ও মতামত
বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার প্রতিনিধিরা সংলাপে অংশ নেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও নেতারা তাঁদের মতামত তুলে ধরেন। আলোচনায় বক্তারা বলেন, নির্বাচন গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলেও একমাত্র শর্ত নয়। নির্বাচনের পর গণতন্ত্র কার্যকর করতে স্বাধীন ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা জরুরি।

নির্বাচনী সংস্কার ও আস্থা পুনর্গঠন
বক্তাদের মতে, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছাই গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে পারে। জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচনী ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন জরুরি। সেই সঙ্গে নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলোকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে।