আগামী জাতীয় নির্বাচনে দেশের মা-বোনেরা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকেই বেছে নেবে বলে দাবি করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তাঁর ভাষায়, নারীদের মধ্যে যে সমর্থনের ধারা তৈরি হচ্ছে, তার লক্ষণ ইতোমধ্যেই স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠক
সোমবার রাজধানীর বসুন্ধরায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। তিনি জানান, দেশের জনগণের ওপর তাঁর শতভাগ আস্থা রয়েছে।
নির্বাচন নিয়ে প্রত্যাশা ও শঙ্কা
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ সুশাসন নিশ্চিত করতে চায়। জামায়াতের একমাত্র দাবি হলো নির্বাচন যেন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়। তবে তিনি আশঙ্কাও প্রকাশ করেন যে নির্বাচন সুষ্ঠু নাও হতে পারে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এ ধরনের শঙ্কা থাকলে প্রথমে তা নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে। সেখানে সমাধান না মিললে বিষয়টি জাতির সামনে তুলে ধরা হবে।
ভোটাধিকার প্রসঙ্গে বক্তব্য
তিনি আরও বলেন, যদি এবার জনগণের হাত থেকে নির্বাচন আবারও ছিনিয়ে নেওয়া হয়, তবে কবে জনগণ তাদের ভোটাধিকার ফিরে পাবে তা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের গণমাধ্যম একটি নির্দিষ্ট দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে বলেও অভিযোগ করেন জামায়াত আমির। তাঁর দাবি, অভ্যুত্থানের সময়েও একই ধরনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ দেখা গেছে।
গণমাধ্যম ও প্রশাসনের প্রতি বার্তা
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত চায় গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করুক। কিন্তু যদি গণমাধ্যম নিজেরাই পরাধীনতার শৃঙ্খল পরে নেয়, তবে তা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল হবে। তিনি বলেন, প্রশাসন ও গণমাধ্যম যে যে ভূমিকা পালন করছে, জনগণ তা সবই মনে রাখছে। জনগণকে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















