রাজধানীর বাড্ডায় একটি ভবনের ছাদ থেকে পড়ে ব্যাংক কর্মকর্তা সুবীর বিশ্বাসের মৃত্যু ঘিরে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। এটি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি আত্মহত্যা—সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পরিবার কিংবা পুলিশ। হঠাৎ এই মৃত্যুর পেছনে কী কারণ ছিল, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার পটভূমি
রাজধানীর বাড্ডা এলাকার একতা সোসাইটিতে বোনের বাসায় অবস্থান করছিলেন সুবীর বিশ্বাস। পারিবারিক সূত্র জানায়, কয়েক দিন আগে তিনি সেখানে বেড়াতে আসেন। শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তিনি ওই ভবনের ছাদ থেকে নিচে পড়ে যান। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হলেও ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

পুলিশের বক্তব্য
বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক আরাফাত হোসাইন জানান, বিকেলে জরুরি সেবা নম্বরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভবনের সামনে থেকে সুবীর বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক আইনগত প্রক্রিয়া শেষে রাত নয়টার দিকে মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

পরিবারের সংশয়
নিহতের মামাতো ভাই নির্মল বাড়ৈ জানান, সুবীর বিশ্বাস সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার সোনা মিয়া মার্কেট এলাকায় বসবাস করতেন। তিনি কেন ভবনের ছাদ থেকে পড়ে গেলেন, কিংবা এর পেছনে কোনো মানসিক চাপ বা অন্য কারণ ছিল কি না—সে বিষয়ে পরিবার এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পায়নি। বিষয়টি পরিবারকে গভীর দুশ্চিন্তায় ফেলেছে।
ব্যক্তিগত পরিচয়
সুবীর বিশ্বাস নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অবস্থিত জনতা ব্যাংকের একজন ক্যাশ অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বয়স ছিল ৩০ বছর। তিনি মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার বাউনগাতী গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম সচিন বিশ্বাস।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















