০২:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
ওবায়দুল কাদেরকে জেনারেল সেক্রেটারি করাই ছিলো আওয়ামী লীগের অন্যতম বড় ভুল শাকের পাতায় লুকিয়ে থাকা প্রোটিন, খাদ্য জগতে নতুন সম্ভাবনার নাম রুবিসকো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে আগেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁওয়ে ট্রাক্টরের ধাক্কায় সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে নবম শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু বেলফাস্টে অভিবাসীবিরোধী হামলায় আতঙ্ক, ঘরবন্দি ৩ হাজারের বেশি বাংলাদেশি ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে ব্যাপক বন উজাড় হয়েছে’, মন্তব্য প্রতিমন্ত্রী টুকুর ওনাকে কিনে নিচ্ছে ওপেনএআই, এআই বাজারে নতুন সংযোজন ঢাকায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রান৪আর্থ ম্যারাথন, জলবায়ু সচেতনতার বার্তা ইনভিক্টাস গেমসের মাধ্যমে নতুন জীবন পাচ্ছেন আহত সেনারা: প্রিন্স হ্যারির স্বপ্ন আরও বড় অলিম্পিক সোনা জয়ের পরও আলোচনায় অ্যালিসা লিউ, আনন্দেই খুঁজে পেলেন সাফল্যের নতুন অর্থ

চীন-ভারত সম্পর্কের নতুন বার্তা, ভালো প্রতিবেশী ও অংশীদারত্বের ডাক শি জিনপিংয়ের

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ভারত ও চীনকে ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে বর্ণনা করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি এই বার্তা দেন বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা।

বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধিতে সম্পর্কের গুরুত্ব

শি জিনপিং বলেন, গত এক বছরে চীন-ভারত সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে উন্নত হয়েছে এবং এই সম্পর্ক বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধি রক্ষা ও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, দুই দেশের জন্যই ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে এগিয়ে যাওয়া সঠিক পথ।

শি জিনপিং : প্রেসিডেন্ট নাকি সম্রাট

ড্রাগন ও হাতির একসঙ্গে নাচ

চীন ও ভারতকে তিনি ড্রাগন ও হাতির একসঙ্গে নাচের সঙ্গে তুলনা করেন। শি জিনপিং আশা প্রকাশ করেন, উভয় দেশ পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াবে এবং একে অপরের উদ্বেগের বিষয়গুলো সমাধান করে সম্পর্ককে স্বাস্থ্যকর ও স্থিতিশীল পথে এগিয়ে নেবে।

সীমান্ত বিরোধের বাস্তবতা

চীন ও ভারতের মধ্যে প্রায় তিন হাজার আটশ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে স্পষ্টভাবে নির্ধারিত নয়। উনিশ শতকের পঞ্চাশের দশক থেকেই এই সীমান্ত নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। দুই হাজার বিশ সালে সীমান্তে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের সেনা নিহত হওয়ার পর সম্পর্ক বড় ধরনের চাপের মুখে পড়ে এবং হিমালয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ে।

ভারত ও চীনের মধ্যে শিগগিরই সরাসরি ফ্লাইট চালু

সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ

পরবর্তী সময়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও সফরের মাধ্যমে দুই দেশ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়। দুই হাজার পঁচিশ সালে সরাসরি বিমান চলাচল আবার শুরু হয়। পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর চেষ্টা জোরদার হয়, বৈশ্বিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও দুই দেশ নিজেদের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার পথে হাঁটছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ওবায়দুল কাদেরকে জেনারেল সেক্রেটারি করাই ছিলো আওয়ামী লীগের অন্যতম বড় ভুল

চীন-ভারত সম্পর্কের নতুন বার্তা, ভালো প্রতিবেশী ও অংশীদারত্বের ডাক শি জিনপিংয়ের

০৫:০৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ভারত ও চীনকে ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে বর্ণনা করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি এই বার্তা দেন বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা।

বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধিতে সম্পর্কের গুরুত্ব

শি জিনপিং বলেন, গত এক বছরে চীন-ভারত সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে উন্নত হয়েছে এবং এই সম্পর্ক বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধি রক্ষা ও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, দুই দেশের জন্যই ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে এগিয়ে যাওয়া সঠিক পথ।

শি জিনপিং : প্রেসিডেন্ট নাকি সম্রাট

ড্রাগন ও হাতির একসঙ্গে নাচ

চীন ও ভারতকে তিনি ড্রাগন ও হাতির একসঙ্গে নাচের সঙ্গে তুলনা করেন। শি জিনপিং আশা প্রকাশ করেন, উভয় দেশ পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াবে এবং একে অপরের উদ্বেগের বিষয়গুলো সমাধান করে সম্পর্ককে স্বাস্থ্যকর ও স্থিতিশীল পথে এগিয়ে নেবে।

সীমান্ত বিরোধের বাস্তবতা

চীন ও ভারতের মধ্যে প্রায় তিন হাজার আটশ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে স্পষ্টভাবে নির্ধারিত নয়। উনিশ শতকের পঞ্চাশের দশক থেকেই এই সীমান্ত নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। দুই হাজার বিশ সালে সীমান্তে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের সেনা নিহত হওয়ার পর সম্পর্ক বড় ধরনের চাপের মুখে পড়ে এবং হিমালয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ে।

ভারত ও চীনের মধ্যে শিগগিরই সরাসরি ফ্লাইট চালু

সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ

পরবর্তী সময়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও সফরের মাধ্যমে দুই দেশ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়। দুই হাজার পঁচিশ সালে সরাসরি বিমান চলাচল আবার শুরু হয়। পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর চেষ্টা জোরদার হয়, বৈশ্বিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও দুই দেশ নিজেদের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার পথে হাঁটছে।