০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬
হরমুজ ও বাব এল-মান্দেবে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক, শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তা কাটেনি তাইওয়ানের বৃহৎ যুদ্ধমহড়া শুরু, যুদ্ধক্ষেত্রের অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় নতুন কৌশলের পরীক্ষা বসনিয়া-হার্জেগোভিনার ইউরোপযাত্রা: স্থিতিশীলতার পরীক্ষায় দেশীয় নেতৃত্ব ও আন্তর্জাতিক আস্থার প্রশ্ন জ্বালানি নিরাপত্তায় ৪২ বিলিয়ন ডলারের তহবিল গড়ছে ভারত, গ্যাস ব্যবহারকারীদের ওপর নতুন শুল্কের পরিকল্পনা ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগ, প্রায় ৫৮ হাজার শিক্ষার্থীকে আবার পরীক্ষা দিতে বলল মেক্সিকোর শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় হরমুজ ও বাব এল-মান্দেবে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক, শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তা কাটেনি সাইবার প্রতারণা দমনে কঠোর আইন, মৃত্যুদণ্ডের বিধান অনুমোদন করল মিয়ানমারের জান্তা যুক্তরাষ্ট্রের ছাতার নিচে কতটা নিরাপদ জাপানের ইয়েন? রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাঁপল কিয়েভ, নিহত অন্তত ১৭ মিয়ানমারের পাহাড়ে শুরু হয়েছে ২১ শতকের নতুন ‘গ্রেট গেম’  ও বাংলাদেশ   

চীন-ভারত সম্পর্কের নতুন বার্তা, ভালো প্রতিবেশী ও অংশীদারত্বের ডাক শি জিনপিংয়ের

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ভারত ও চীনকে ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে বর্ণনা করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি এই বার্তা দেন বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা।

বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধিতে সম্পর্কের গুরুত্ব

শি জিনপিং বলেন, গত এক বছরে চীন-ভারত সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে উন্নত হয়েছে এবং এই সম্পর্ক বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধি রক্ষা ও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, দুই দেশের জন্যই ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে এগিয়ে যাওয়া সঠিক পথ।

শি জিনপিং : প্রেসিডেন্ট নাকি সম্রাট

ড্রাগন ও হাতির একসঙ্গে নাচ

চীন ও ভারতকে তিনি ড্রাগন ও হাতির একসঙ্গে নাচের সঙ্গে তুলনা করেন। শি জিনপিং আশা প্রকাশ করেন, উভয় দেশ পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াবে এবং একে অপরের উদ্বেগের বিষয়গুলো সমাধান করে সম্পর্ককে স্বাস্থ্যকর ও স্থিতিশীল পথে এগিয়ে নেবে।

সীমান্ত বিরোধের বাস্তবতা

চীন ও ভারতের মধ্যে প্রায় তিন হাজার আটশ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে স্পষ্টভাবে নির্ধারিত নয়। উনিশ শতকের পঞ্চাশের দশক থেকেই এই সীমান্ত নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। দুই হাজার বিশ সালে সীমান্তে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের সেনা নিহত হওয়ার পর সম্পর্ক বড় ধরনের চাপের মুখে পড়ে এবং হিমালয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ে।

ভারত ও চীনের মধ্যে শিগগিরই সরাসরি ফ্লাইট চালু

সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ

পরবর্তী সময়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও সফরের মাধ্যমে দুই দেশ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়। দুই হাজার পঁচিশ সালে সরাসরি বিমান চলাচল আবার শুরু হয়। পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর চেষ্টা জোরদার হয়, বৈশ্বিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও দুই দেশ নিজেদের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার পথে হাঁটছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ ও বাব এল-মান্দেবে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক, শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তা কাটেনি

চীন-ভারত সম্পর্কের নতুন বার্তা, ভালো প্রতিবেশী ও অংশীদারত্বের ডাক শি জিনপিংয়ের

০৫:০৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ভারত ও চীনকে ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে বর্ণনা করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি এই বার্তা দেন বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা।

বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধিতে সম্পর্কের গুরুত্ব

শি জিনপিং বলেন, গত এক বছরে চীন-ভারত সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে উন্নত হয়েছে এবং এই সম্পর্ক বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধি রক্ষা ও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, দুই দেশের জন্যই ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে এগিয়ে যাওয়া সঠিক পথ।

শি জিনপিং : প্রেসিডেন্ট নাকি সম্রাট

ড্রাগন ও হাতির একসঙ্গে নাচ

চীন ও ভারতকে তিনি ড্রাগন ও হাতির একসঙ্গে নাচের সঙ্গে তুলনা করেন। শি জিনপিং আশা প্রকাশ করেন, উভয় দেশ পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াবে এবং একে অপরের উদ্বেগের বিষয়গুলো সমাধান করে সম্পর্ককে স্বাস্থ্যকর ও স্থিতিশীল পথে এগিয়ে নেবে।

সীমান্ত বিরোধের বাস্তবতা

চীন ও ভারতের মধ্যে প্রায় তিন হাজার আটশ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে স্পষ্টভাবে নির্ধারিত নয়। উনিশ শতকের পঞ্চাশের দশক থেকেই এই সীমান্ত নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। দুই হাজার বিশ সালে সীমান্তে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের সেনা নিহত হওয়ার পর সম্পর্ক বড় ধরনের চাপের মুখে পড়ে এবং হিমালয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ে।

ভারত ও চীনের মধ্যে শিগগিরই সরাসরি ফ্লাইট চালু

সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ

পরবর্তী সময়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও সফরের মাধ্যমে দুই দেশ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়। দুই হাজার পঁচিশ সালে সরাসরি বিমান চলাচল আবার শুরু হয়। পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর চেষ্টা জোরদার হয়, বৈশ্বিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও দুই দেশ নিজেদের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার পথে হাঁটছে।