০৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে সংবিধানে যা যা বদলে যাবে, নতুন যুক্ত হবে যেসব বিষয় করাচিতে ইতিহাসের চাকা ঘুরল ফ্রেয়ার হলে, দুর্লভ প্রাচীন গাড়ির প্রদর্শনীতে দর্শনার্থীদের ঢল ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির নতুন অধ্যায়, নেতৃত্বে বাস্তববাদী তো লাম শ্রীনগরে তুষারঝড়ে আকাশপথ বন্ধ, বাতিল সব ফ্লাইট, অচল সড়ক ও রেল যোগাযোগ জুলাই আন্দোলনকারীদের আইনি সুরক্ষা দিয়ে অধ্যাদেশ জারি- কী অর্থ বহন করে? ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসের তাণ্ডব, নিখোঁজ ৪২ জনের মধ্যে এলিট মেরিন সদস্য, মৃত ১৭ সংস্কৃতি অবমাননার অভিযোগে রাজনীতির উত্তাপ, গামোছা পরা না-পরা নিয়ে মুখোমুখি বিজেপি–কংগ্রেস ক্যানসার সচেতনতায় ইতিহাস গড়তে আমিরাতে ক্যানসার রান দুই হাজার ছাব্বিশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পথে নতুন দিশা, বিদ্যুৎ গ্রিড রূপান্তরে একাডেমিক পাঠ্যবইয়ের ভূমিকা ফিলিস্তিনি মানবিক সংগঠন তাওউন পেল জায়েদ মানব ভ্রাতৃত্ব পুরস্কার, স্বীকৃতি পেল চার দশকের কাজ

চীন-ভারত সম্পর্কের নতুন বার্তা, ভালো প্রতিবেশী ও অংশীদারত্বের ডাক শি জিনপিংয়ের

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ভারত ও চীনকে ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে বর্ণনা করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি এই বার্তা দেন বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা।

বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধিতে সম্পর্কের গুরুত্ব

শি জিনপিং বলেন, গত এক বছরে চীন-ভারত সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে উন্নত হয়েছে এবং এই সম্পর্ক বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধি রক্ষা ও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, দুই দেশের জন্যই ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে এগিয়ে যাওয়া সঠিক পথ।

শি জিনপিং : প্রেসিডেন্ট নাকি সম্রাট

ড্রাগন ও হাতির একসঙ্গে নাচ

চীন ও ভারতকে তিনি ড্রাগন ও হাতির একসঙ্গে নাচের সঙ্গে তুলনা করেন। শি জিনপিং আশা প্রকাশ করেন, উভয় দেশ পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াবে এবং একে অপরের উদ্বেগের বিষয়গুলো সমাধান করে সম্পর্ককে স্বাস্থ্যকর ও স্থিতিশীল পথে এগিয়ে নেবে।

সীমান্ত বিরোধের বাস্তবতা

চীন ও ভারতের মধ্যে প্রায় তিন হাজার আটশ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে স্পষ্টভাবে নির্ধারিত নয়। উনিশ শতকের পঞ্চাশের দশক থেকেই এই সীমান্ত নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। দুই হাজার বিশ সালে সীমান্তে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের সেনা নিহত হওয়ার পর সম্পর্ক বড় ধরনের চাপের মুখে পড়ে এবং হিমালয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ে।

ভারত ও চীনের মধ্যে শিগগিরই সরাসরি ফ্লাইট চালু

সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ

পরবর্তী সময়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও সফরের মাধ্যমে দুই দেশ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়। দুই হাজার পঁচিশ সালে সরাসরি বিমান চলাচল আবার শুরু হয়। পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর চেষ্টা জোরদার হয়, বৈশ্বিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও দুই দেশ নিজেদের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার পথে হাঁটছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে সংবিধানে যা যা বদলে যাবে, নতুন যুক্ত হবে যেসব বিষয়

চীন-ভারত সম্পর্কের নতুন বার্তা, ভালো প্রতিবেশী ও অংশীদারত্বের ডাক শি জিনপিংয়ের

০৫:০৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ভারত ও চীনকে ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে বর্ণনা করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি এই বার্তা দেন বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা।

বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধিতে সম্পর্কের গুরুত্ব

শি জিনপিং বলেন, গত এক বছরে চীন-ভারত সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে উন্নত হয়েছে এবং এই সম্পর্ক বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধি রক্ষা ও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, দুই দেশের জন্যই ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে এগিয়ে যাওয়া সঠিক পথ।

শি জিনপিং : প্রেসিডেন্ট নাকি সম্রাট

ড্রাগন ও হাতির একসঙ্গে নাচ

চীন ও ভারতকে তিনি ড্রাগন ও হাতির একসঙ্গে নাচের সঙ্গে তুলনা করেন। শি জিনপিং আশা প্রকাশ করেন, উভয় দেশ পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াবে এবং একে অপরের উদ্বেগের বিষয়গুলো সমাধান করে সম্পর্ককে স্বাস্থ্যকর ও স্থিতিশীল পথে এগিয়ে নেবে।

সীমান্ত বিরোধের বাস্তবতা

চীন ও ভারতের মধ্যে প্রায় তিন হাজার আটশ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে স্পষ্টভাবে নির্ধারিত নয়। উনিশ শতকের পঞ্চাশের দশক থেকেই এই সীমান্ত নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। দুই হাজার বিশ সালে সীমান্তে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের সেনা নিহত হওয়ার পর সম্পর্ক বড় ধরনের চাপের মুখে পড়ে এবং হিমালয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ে।

ভারত ও চীনের মধ্যে শিগগিরই সরাসরি ফ্লাইট চালু

সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ

পরবর্তী সময়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও সফরের মাধ্যমে দুই দেশ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়। দুই হাজার পঁচিশ সালে সরাসরি বিমান চলাচল আবার শুরু হয়। পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর চেষ্টা জোরদার হয়, বৈশ্বিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও দুই দেশ নিজেদের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার পথে হাঁটছে।