শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে ছয়টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং শতাধিক চেয়ার নষ্ট হয়।
ঘটনার সূত্রপাত
বুধবার বিকেল তিনটার দিকে ঝিনাইগাতীর মিনি স্টেডিয়াম মাঠে শেরপুর–৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত ইশতেহার পাঠ কর্মসূচি চলছিল। এ কর্মসূচি চলাকালেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং তা দ্রুত সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষের কারণ
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বসার ব্যবস্থা নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে চেয়ার ছোড়াছুড়ি শুরু হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। মাঠটি কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
আহত ও চিকিৎসা
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা শেরপুর সদর এলাকার বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সংঘর্ষের সময় ছয়টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয় এবং আগুন দেওয়া হয়। পাশাপাশি মাঠে থাকা শতাধিক চেয়ার ভেঙে ফেলা হয়।
দায় চাপানো ও প্রশাসনের ভূমিকা
ঘটনার জন্য বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা পরস্পরকে দায়ী করেছেন। এ বিষয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে সম্ভব হয়নি।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা
পরিস্থিতি শান্ত রাখতে এলাকায় সেনাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়, যাতে আর কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।
প্রতিক্রিয়া
সন্ধ্যায় ঝিনাইগাতীতে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল এ ঘটনার নিন্দা জানান। তিনি দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে শাস্তির দাবি করেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















