১০:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬
নেতৃত্বের আসল পরীক্ষা: যে কথাগুলো না বললে প্রতিষ্ঠানই ক্ষতিগ্রস্ত হয় কাগুজে সম্পদের উল্লম্ফন: বিশ্বের সম্পদ কি বাস্তব অর্থনীতিকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে? মুম্বাইয়ে জেন-জির মুখোমুখি আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত, ছাত্র বিক্ষোভের পর বাড়ছে রাজনৈতিক বিতর্ক দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে সুপারমার্কেটে বিস্ফোরণ: ধর্মীয় আলেম নিহত, লক্ষ্য করেই বোমা পাতা হয়েছিল সন্দেহ জেন জি বিক্ষোভের রেশের মধ্যেই ব্যাংকিপুর-১৫৬ আসনে প্রশান্ত কিশোরের জয়, তিন উপনির্বাচনে দুই ধাক্কা বিজেপির রূপপুর প্রকল্পের আবাসিকে দুই রুশ নাগরিকের সংঘর্ষ, নিহত ১ রাজবাড়ীতে বাস-মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত, একই পরিবারের চার সদস্যসহ আহত ৮ শেখ হাসিনা ফিরলে বিমানবন্দর থেকেই ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে: এনসিপির নাহিদ ইসলামের বক্তব্য গ্যাস সংকট তীব্র: শিল্প উৎপাদন ব্যাহত, রপ্তানি ঝুঁকিতে, দুর্ভোগে নগরজীবন শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য ঠেকাতে ভারতের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

শেরপুরে সংঘর্ষে জামায়াত নেতার মৃত্যু, দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় এক রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Sherpur killing: Jamaat Ameer demands arrest of perpetrators

ঘটনার সূত্রপাত যেভাবে
বুধবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান জানান, শেরপুর-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার উদ্যোগে আয়োজিত এক ইশতেহার উন্মোচন অনুষ্ঠানে বিএনপির কিছু সমর্থক দেরিতে এসে উপস্থিত হন। তারা সেখানে বসার জন্য নির্ধারিত চেয়ারে বসতে গেলে জামায়াত সমর্থকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়।

হামলা ও হতাহতের বিবরণ
ডা. শফিকুর রহমানের অভিযোগ, পরে বিএনপির কর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জামায়াত সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এতে জামায়াতে ইসলামীর অন্তত ৫০ জন নেতা-কর্মী আহত হন। তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।

Jamaat activist dies in clash with BNP in Sherpur

নিহত নেতার পরিচয়
আহতদের মধ্যে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম গুরুতর আহত অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে মারা যান।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
নিহতের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা প্রত্যাশা করে জামায়াত আমির বলেন, দেশের মানুষ এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দিকে তাকিয়ে আছে। তারা জানতে চায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতি কী ধরনের ‘উপহার’ পেতে যাচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে বিলম্ব হলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর প্রায় ৩টার দিকে বসার জায়গা নিয়ে বিরোধ থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সহিংসতার সময় অন্তত ছয়টি মোটরসাইকেল ও শতাধিক চেয়ার ভাঙচুর করা হয় এবং আগুন দেওয়া হয়।

BNP-Jamaat clash leaves 30 injured in Sherpur

অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপট
ঝিনাইগাতীর মিনি স্টেডিয়াম মাঠে শেরপুর-৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ওই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। ঘটনার পর জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা একে অপরের বিরুদ্ধে দায় চাপাচ্ছেন।

এই সহিংস ঘটনার দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতৃত্বের আসল পরীক্ষা: যে কথাগুলো না বললে প্রতিষ্ঠানই ক্ষতিগ্রস্ত হয়

শেরপুরে সংঘর্ষে জামায়াত নেতার মৃত্যু, দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি

১২:১৩:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় এক রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Sherpur killing: Jamaat Ameer demands arrest of perpetrators

ঘটনার সূত্রপাত যেভাবে
বুধবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান জানান, শেরপুর-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার উদ্যোগে আয়োজিত এক ইশতেহার উন্মোচন অনুষ্ঠানে বিএনপির কিছু সমর্থক দেরিতে এসে উপস্থিত হন। তারা সেখানে বসার জন্য নির্ধারিত চেয়ারে বসতে গেলে জামায়াত সমর্থকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়।

হামলা ও হতাহতের বিবরণ
ডা. শফিকুর রহমানের অভিযোগ, পরে বিএনপির কর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জামায়াত সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এতে জামায়াতে ইসলামীর অন্তত ৫০ জন নেতা-কর্মী আহত হন। তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।

Jamaat activist dies in clash with BNP in Sherpur

নিহত নেতার পরিচয়
আহতদের মধ্যে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম গুরুতর আহত অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে মারা যান।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
নিহতের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা প্রত্যাশা করে জামায়াত আমির বলেন, দেশের মানুষ এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দিকে তাকিয়ে আছে। তারা জানতে চায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতি কী ধরনের ‘উপহার’ পেতে যাচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে বিলম্ব হলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর প্রায় ৩টার দিকে বসার জায়গা নিয়ে বিরোধ থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সহিংসতার সময় অন্তত ছয়টি মোটরসাইকেল ও শতাধিক চেয়ার ভাঙচুর করা হয় এবং আগুন দেওয়া হয়।

BNP-Jamaat clash leaves 30 injured in Sherpur

অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপট
ঝিনাইগাতীর মিনি স্টেডিয়াম মাঠে শেরপুর-৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ওই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। ঘটনার পর জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা একে অপরের বিরুদ্ধে দায় চাপাচ্ছেন।

এই সহিংস ঘটনার দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।