০১:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
ফার্নেস অয়েলের দাম নিয়ে বিপিসি-পিডিবির মতবিরোধ সিলেক্টইউএসএ ২০২৬ টেক পিচ প্রতিযোগিতার বিজয়ী ঘোষণা করলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান আবারও পেছাল হাদি হত্যা মামলার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় গণভোটে সরকারি কর্মচারীদের নিরপেক্ষ থাকতে নির্দেশ, ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে প্রচার নিষিদ্ধ নির্বাচনি প্রচারে নারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাবি ছাত্রী সংস্থার সংবাদ সম্মেলন সম্মেলনে ট্রাম্পের হাত ধরে তাকে ‘নম্বর ওয়ান’ ভক্ত বললেন নিকি মিনাজ অরাজক উচ্চশিক্ষার মাঝে নিরাপদ আশ্রয় হয়ে উঠছে উদার শিল্পকলাভিত্তিক কলেজ সলিড-স্টেট ব্যাটারির বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু: বৈদ্যুতিক গাড়ির জন্য এক যুগান্তকারী মুহূর্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় খরচের পরীক্ষা, বিনিয়োগকারীর রায়ে বড় প্রযুক্তির দুই পথ

গণভোটে সরকারি কর্মচারীদের নিরপেক্ষ থাকতে নির্দেশ, ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে প্রচার নিষিদ্ধ

আসন্ন গণভোটকে ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের ভূমিকা স্পষ্ট করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’-এর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। ভোটের আগে বা চলাকালে এমন কোনো কার্যক্রম চালানো যাবে না, যা জনগণকে নির্দিষ্ট কোনো পক্ষের দিকে প্রভাবিত করতে পারে।

নির্দেশনার পটভূমি
বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের স্বাক্ষরে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে গণভোটকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে বিদ্যমান আইন অনুসরণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

আইনি ব্যাখ্যা ও সীমাবদ্ধতা
প্রজ্ঞাপনে গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬-এর কথা উল্লেখ করে বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিরা গণভোট সম্পর্কে জনগণকে তথ্য জানাতে এবং সচেতন করতে পারবেন। তবে তারা কোনোভাবেই ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাতে পারবেন না।

দণ্ডনীয় অপরাধের সতর্কতা
নির্বাচন কমিশন জানায়, সরকারি কর্মচারীদের পক্ষপাতমূলক প্রচারণা গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে। এমন কাজ গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বাস্তবায়নে করণীয়
এই নির্দেশনা যথাযথভাবে কার্যকর করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। উদ্দেশ্য একটাই—গণভোট যেন কোনো ধরনের প্রভাব বা চাপ ছাড়া সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফার্নেস অয়েলের দাম নিয়ে বিপিসি-পিডিবির মতবিরোধ

গণভোটে সরকারি কর্মচারীদের নিরপেক্ষ থাকতে নির্দেশ, ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে প্রচার নিষিদ্ধ

১১:২৭:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন গণভোটকে ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের ভূমিকা স্পষ্ট করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’-এর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। ভোটের আগে বা চলাকালে এমন কোনো কার্যক্রম চালানো যাবে না, যা জনগণকে নির্দিষ্ট কোনো পক্ষের দিকে প্রভাবিত করতে পারে।

নির্দেশনার পটভূমি
বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের স্বাক্ষরে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে গণভোটকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে বিদ্যমান আইন অনুসরণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

আইনি ব্যাখ্যা ও সীমাবদ্ধতা
প্রজ্ঞাপনে গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬-এর কথা উল্লেখ করে বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিরা গণভোট সম্পর্কে জনগণকে তথ্য জানাতে এবং সচেতন করতে পারবেন। তবে তারা কোনোভাবেই ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাতে পারবেন না।

দণ্ডনীয় অপরাধের সতর্কতা
নির্বাচন কমিশন জানায়, সরকারি কর্মচারীদের পক্ষপাতমূলক প্রচারণা গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে। এমন কাজ গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বাস্তবায়নে করণীয়
এই নির্দেশনা যথাযথভাবে কার্যকর করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। উদ্দেশ্য একটাই—গণভোট যেন কোনো ধরনের প্রভাব বা চাপ ছাড়া সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়।