০৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন উত্তেজনা, সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা শুরু ১৫ বছর বয়সেই ইতিহাস, লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দ্রুততম ফিফটির নতুন রেকর্ড সূর্যবংশীর নেটফ্লিক্সের ‘ব্রিজারটন’-এর পেছনের বাস্তব ইতিহাস: কেন রিজেন্সি যুগে ফ্যাশন ছিল সবকিছু ফরিদপুরে বাজারে আগুন নেভাতে গিয়ে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত এক চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক চার টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করল অস্ট্রেলিয়া ধানমন্ডিতে গৃহকর্মী শিশুর মৃত্যু, প্রকৌশলী দম্পতি রিমান্ডে নারী বীরদের অজানা ইতিহাস: ড্রাগনের বিরুদ্ধে লড়াই করা কিংবদন্তি যোদ্ধাদের গল্প আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ: কীভাবে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভেতরেই জন্ম নিয়েছিল বিদ্রোহের বীজ ডায়াপার বদলানো থেকে সন্তান লালনপালন, আধুনিক বাবাদের বদলে যাওয়া গল্প

উন্নয়নশীল অর্থনীতির কার্বন নির্ভরতা বিশ্বজুড়ে রূপান্তর বাধাগ্রস্ত করছে

উন্নয়নশীল অর্থনীতির ভারী শিল্প ও কয়লা নির্ভরতা

উন্নত দেশগুলো যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে দ্রুত এগোচ্ছে, তখন এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ এখনও ইস্পাত, সিমেন্ট ও রাসায়নিক উৎপাদনের মতো পুরোনো শিল্পে ভরসা রাখছে। এসব কারখানায় প্রচুর কয়লা ও গ্যাস লাগে এবং এগুলোর আয়ু দীর্ঘ হওয়ায় দ্রুত পরিবর্তন সম্ভব নয়। রয়টার্সের পরিসংখ্যানে দেখা যায় বৈশ্বিক ইস্পাত ও রাসায়নিক উৎপাদনের বড় অংশ এবং সিমেন্টের অধিকাংশ উত্তরের বাইরে। এই শিল্প কাঠামো কর্মসংস্থান ও সাপ্লাই চেইন তৈরি করে, তাই সরকারগুলো ব্যয়বহুল পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পথে যেতে ইতস্তত করে।

China's new climate target branded 'disappointing', 'underwhelming' |  Climate Crisis News | Al Jazeera

দুই গতি রূপান্তরের ঝুঁকি

উন্নত দেশগুলো ডেটা সেন্টার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ করছে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে নিট‑শূন্য নির্গমন অর্জনের লক্ষ্যে ঘরোয়া কয়লা বিদ্যুৎ বন্ধ করছে। তবে ইন্দোনেশিয়া, ভারত, চীন ও আফ্রিকার কিছু অঞ্চলে এখনও নতুন কয়লা কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে, কারণ এগুলো সাশ্রয়ী। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো মনে করে, প্রযুক্তি যেমন কার্বন ক্যাপচার ও হাইড্রোজেন‑ভিত্তিক ইস্পাত উৎপাদন ভবিষ্যতে নির্গমন কমাতে পারে, কিন্তু বর্তমানে এগুলো ব্যয়বহুল ও সীমিত। নীতি সমন্বয় না হলে ধনী ও দরিদ্র দেশের মধ্যে ‘দুই গতির’ রূপান্তর তৈরি হতে পারে—ধনী দেশগুলো দ্রুত কার্বন কমাবে, আর দরিদ্র দেশগুলো উচ্চ কার্বন বৃদ্ধিতে আটকে থাকবে। উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি দ্রুত বদলালে চাকরি ও স্থিতিশীলতা ঝুঁকিতে পড়তে পারে; আবার ধীরগতিতে এগোলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা Paris চুক্তির সীমা ছাড়িয়ে যাবে। তাই উন্নয়নশীলদের উন্নয়ন চাহিদা মেনে পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তির প্রসার এবং অর্থায়ন নিশ্চিতে নীতিনির্ধারকদের নতুন পরিকল্পনা দরকার।

Countries with the most data centres | The Business Standard

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন উত্তেজনা, সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা শুরু

উন্নয়নশীল অর্থনীতির কার্বন নির্ভরতা বিশ্বজুড়ে রূপান্তর বাধাগ্রস্ত করছে

০৫:০৫:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

উন্নয়নশীল অর্থনীতির ভারী শিল্প ও কয়লা নির্ভরতা

উন্নত দেশগুলো যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে দ্রুত এগোচ্ছে, তখন এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ এখনও ইস্পাত, সিমেন্ট ও রাসায়নিক উৎপাদনের মতো পুরোনো শিল্পে ভরসা রাখছে। এসব কারখানায় প্রচুর কয়লা ও গ্যাস লাগে এবং এগুলোর আয়ু দীর্ঘ হওয়ায় দ্রুত পরিবর্তন সম্ভব নয়। রয়টার্সের পরিসংখ্যানে দেখা যায় বৈশ্বিক ইস্পাত ও রাসায়নিক উৎপাদনের বড় অংশ এবং সিমেন্টের অধিকাংশ উত্তরের বাইরে। এই শিল্প কাঠামো কর্মসংস্থান ও সাপ্লাই চেইন তৈরি করে, তাই সরকারগুলো ব্যয়বহুল পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পথে যেতে ইতস্তত করে।

China's new climate target branded 'disappointing', 'underwhelming' |  Climate Crisis News | Al Jazeera

দুই গতি রূপান্তরের ঝুঁকি

উন্নত দেশগুলো ডেটা সেন্টার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ করছে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে নিট‑শূন্য নির্গমন অর্জনের লক্ষ্যে ঘরোয়া কয়লা বিদ্যুৎ বন্ধ করছে। তবে ইন্দোনেশিয়া, ভারত, চীন ও আফ্রিকার কিছু অঞ্চলে এখনও নতুন কয়লা কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে, কারণ এগুলো সাশ্রয়ী। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো মনে করে, প্রযুক্তি যেমন কার্বন ক্যাপচার ও হাইড্রোজেন‑ভিত্তিক ইস্পাত উৎপাদন ভবিষ্যতে নির্গমন কমাতে পারে, কিন্তু বর্তমানে এগুলো ব্যয়বহুল ও সীমিত। নীতি সমন্বয় না হলে ধনী ও দরিদ্র দেশের মধ্যে ‘দুই গতির’ রূপান্তর তৈরি হতে পারে—ধনী দেশগুলো দ্রুত কার্বন কমাবে, আর দরিদ্র দেশগুলো উচ্চ কার্বন বৃদ্ধিতে আটকে থাকবে। উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি দ্রুত বদলালে চাকরি ও স্থিতিশীলতা ঝুঁকিতে পড়তে পারে; আবার ধীরগতিতে এগোলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা Paris চুক্তির সীমা ছাড়িয়ে যাবে। তাই উন্নয়নশীলদের উন্নয়ন চাহিদা মেনে পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তির প্রসার এবং অর্থায়ন নিশ্চিতে নীতিনির্ধারকদের নতুন পরিকল্পনা দরকার।

Countries with the most data centres | The Business Standard