০৬:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ১৬ দেশ থেকে আসছেন ৫৭ পর্যবেক্ষক নির্বাচনে না থাকলেও ভোটের মাঠে কাদের সিদ্দিকী পূর্ব ইউক্রেনের তিন গ্রাম দখলের দাবি রাশিয়ার পুরোনো রপ্তানি নির্ভরতা কাটিয়ে নতুন প্রবৃদ্ধির খাত খুঁজছে জার্মানি সুন্দরবনে ক্ষুধার্ত বাঘ ইরানকে ঘিরে উত্তেজনার মাঝেই আলোচনার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প ম্যাংগ্রোভের পথে যাত্রা: প্রকৃতি ও অনুপ্রেরণার চার দিনের অভিজ্ঞতা রেকর্ড দামের পরদিনই বাংলাদেশে ভরিতে ১৪,৬৩৮ টাকা কমল সোনার দাম ফ্লোরিডায় বিরল শীত– প্রাণীদের উষ্ণ আশ্রয় খোঁজার চেষ্টা শিশু-কিশোরদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বয়সভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ ভাবছে ভারত সরকার

উন্নয়নশীল অর্থনীতির কার্বন নির্ভরতা বিশ্বজুড়ে রূপান্তর বাধাগ্রস্ত করছে

উন্নয়নশীল অর্থনীতির ভারী শিল্প ও কয়লা নির্ভরতা

উন্নত দেশগুলো যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে দ্রুত এগোচ্ছে, তখন এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ এখনও ইস্পাত, সিমেন্ট ও রাসায়নিক উৎপাদনের মতো পুরোনো শিল্পে ভরসা রাখছে। এসব কারখানায় প্রচুর কয়লা ও গ্যাস লাগে এবং এগুলোর আয়ু দীর্ঘ হওয়ায় দ্রুত পরিবর্তন সম্ভব নয়। রয়টার্সের পরিসংখ্যানে দেখা যায় বৈশ্বিক ইস্পাত ও রাসায়নিক উৎপাদনের বড় অংশ এবং সিমেন্টের অধিকাংশ উত্তরের বাইরে। এই শিল্প কাঠামো কর্মসংস্থান ও সাপ্লাই চেইন তৈরি করে, তাই সরকারগুলো ব্যয়বহুল পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পথে যেতে ইতস্তত করে।

China's new climate target branded 'disappointing', 'underwhelming' |  Climate Crisis News | Al Jazeera

দুই গতি রূপান্তরের ঝুঁকি

উন্নত দেশগুলো ডেটা সেন্টার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ করছে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে নিট‑শূন্য নির্গমন অর্জনের লক্ষ্যে ঘরোয়া কয়লা বিদ্যুৎ বন্ধ করছে। তবে ইন্দোনেশিয়া, ভারত, চীন ও আফ্রিকার কিছু অঞ্চলে এখনও নতুন কয়লা কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে, কারণ এগুলো সাশ্রয়ী। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো মনে করে, প্রযুক্তি যেমন কার্বন ক্যাপচার ও হাইড্রোজেন‑ভিত্তিক ইস্পাত উৎপাদন ভবিষ্যতে নির্গমন কমাতে পারে, কিন্তু বর্তমানে এগুলো ব্যয়বহুল ও সীমিত। নীতি সমন্বয় না হলে ধনী ও দরিদ্র দেশের মধ্যে ‘দুই গতির’ রূপান্তর তৈরি হতে পারে—ধনী দেশগুলো দ্রুত কার্বন কমাবে, আর দরিদ্র দেশগুলো উচ্চ কার্বন বৃদ্ধিতে আটকে থাকবে। উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি দ্রুত বদলালে চাকরি ও স্থিতিশীলতা ঝুঁকিতে পড়তে পারে; আবার ধীরগতিতে এগোলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা Paris চুক্তির সীমা ছাড়িয়ে যাবে। তাই উন্নয়নশীলদের উন্নয়ন চাহিদা মেনে পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তির প্রসার এবং অর্থায়ন নিশ্চিতে নীতিনির্ধারকদের নতুন পরিকল্পনা দরকার।

Countries with the most data centres | The Business Standard

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ১৬ দেশ থেকে আসছেন ৫৭ পর্যবেক্ষক

উন্নয়নশীল অর্থনীতির কার্বন নির্ভরতা বিশ্বজুড়ে রূপান্তর বাধাগ্রস্ত করছে

০৫:০৫:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

উন্নয়নশীল অর্থনীতির ভারী শিল্প ও কয়লা নির্ভরতা

উন্নত দেশগুলো যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে দ্রুত এগোচ্ছে, তখন এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ এখনও ইস্পাত, সিমেন্ট ও রাসায়নিক উৎপাদনের মতো পুরোনো শিল্পে ভরসা রাখছে। এসব কারখানায় প্রচুর কয়লা ও গ্যাস লাগে এবং এগুলোর আয়ু দীর্ঘ হওয়ায় দ্রুত পরিবর্তন সম্ভব নয়। রয়টার্সের পরিসংখ্যানে দেখা যায় বৈশ্বিক ইস্পাত ও রাসায়নিক উৎপাদনের বড় অংশ এবং সিমেন্টের অধিকাংশ উত্তরের বাইরে। এই শিল্প কাঠামো কর্মসংস্থান ও সাপ্লাই চেইন তৈরি করে, তাই সরকারগুলো ব্যয়বহুল পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পথে যেতে ইতস্তত করে।

China's new climate target branded 'disappointing', 'underwhelming' |  Climate Crisis News | Al Jazeera

দুই গতি রূপান্তরের ঝুঁকি

উন্নত দেশগুলো ডেটা সেন্টার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ করছে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে নিট‑শূন্য নির্গমন অর্জনের লক্ষ্যে ঘরোয়া কয়লা বিদ্যুৎ বন্ধ করছে। তবে ইন্দোনেশিয়া, ভারত, চীন ও আফ্রিকার কিছু অঞ্চলে এখনও নতুন কয়লা কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে, কারণ এগুলো সাশ্রয়ী। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো মনে করে, প্রযুক্তি যেমন কার্বন ক্যাপচার ও হাইড্রোজেন‑ভিত্তিক ইস্পাত উৎপাদন ভবিষ্যতে নির্গমন কমাতে পারে, কিন্তু বর্তমানে এগুলো ব্যয়বহুল ও সীমিত। নীতি সমন্বয় না হলে ধনী ও দরিদ্র দেশের মধ্যে ‘দুই গতির’ রূপান্তর তৈরি হতে পারে—ধনী দেশগুলো দ্রুত কার্বন কমাবে, আর দরিদ্র দেশগুলো উচ্চ কার্বন বৃদ্ধিতে আটকে থাকবে। উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি দ্রুত বদলালে চাকরি ও স্থিতিশীলতা ঝুঁকিতে পড়তে পারে; আবার ধীরগতিতে এগোলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা Paris চুক্তির সীমা ছাড়িয়ে যাবে। তাই উন্নয়নশীলদের উন্নয়ন চাহিদা মেনে পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তির প্রসার এবং অর্থায়ন নিশ্চিতে নীতিনির্ধারকদের নতুন পরিকল্পনা দরকার।

Countries with the most data centres | The Business Standard