০৯:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
উদারতাবাদের ক্লান্তি ও পুনর্জাগরণের সন্ধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে অস্বীকার: এরপর কী, কী বলছে নিয়ম পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে চুরির অভিযোগে গাছে বেঁধে নির্যাতন, দুই শিশুকে ঘিরে তোলপাড় গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের আন্দোলন স্থগিত, ঈদের আগেই দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস এপ্রিলে মব ভায়োলেন্সে ২২ নিহত, রাজনৈতিক সংঘাতে আরও ৬: এইচআরএসএস প্রতিবেদন ৩৯ কর্মকর্তার বড় রদবদল, এক দিনে বদলি ৯ ডিআইজি এক ভোটেই হার-জিত: তামিলনাড়ু ভোটে সাবেক মন্ত্রীর পরাজয়, ‘সারকার’-এর বার্তা ফের প্রমাণিত বাংলা-আসাম ফলাফল ঘিরে গণতন্ত্রে হুমকি, ঐক্যের ডাক রাহুল গান্ধীর সংসার যখন চালায় ভাগ্য, তখন অর্থনীতি কোথায় দাঁড়িয়ে? গ্রামেও ভ্যাট বসাতে চায় সরকার, টোকেন কর নিয়ে নতুন পরিকল্পনা

উন্নয়নশীল অর্থনীতির কার্বন নির্ভরতা বিশ্বজুড়ে রূপান্তর বাধাগ্রস্ত করছে

উন্নয়নশীল অর্থনীতির ভারী শিল্প ও কয়লা নির্ভরতা

উন্নত দেশগুলো যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে দ্রুত এগোচ্ছে, তখন এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ এখনও ইস্পাত, সিমেন্ট ও রাসায়নিক উৎপাদনের মতো পুরোনো শিল্পে ভরসা রাখছে। এসব কারখানায় প্রচুর কয়লা ও গ্যাস লাগে এবং এগুলোর আয়ু দীর্ঘ হওয়ায় দ্রুত পরিবর্তন সম্ভব নয়। রয়টার্সের পরিসংখ্যানে দেখা যায় বৈশ্বিক ইস্পাত ও রাসায়নিক উৎপাদনের বড় অংশ এবং সিমেন্টের অধিকাংশ উত্তরের বাইরে। এই শিল্প কাঠামো কর্মসংস্থান ও সাপ্লাই চেইন তৈরি করে, তাই সরকারগুলো ব্যয়বহুল পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পথে যেতে ইতস্তত করে।

China's new climate target branded 'disappointing', 'underwhelming' |  Climate Crisis News | Al Jazeera

দুই গতি রূপান্তরের ঝুঁকি

উন্নত দেশগুলো ডেটা সেন্টার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ করছে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে নিট‑শূন্য নির্গমন অর্জনের লক্ষ্যে ঘরোয়া কয়লা বিদ্যুৎ বন্ধ করছে। তবে ইন্দোনেশিয়া, ভারত, চীন ও আফ্রিকার কিছু অঞ্চলে এখনও নতুন কয়লা কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে, কারণ এগুলো সাশ্রয়ী। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো মনে করে, প্রযুক্তি যেমন কার্বন ক্যাপচার ও হাইড্রোজেন‑ভিত্তিক ইস্পাত উৎপাদন ভবিষ্যতে নির্গমন কমাতে পারে, কিন্তু বর্তমানে এগুলো ব্যয়বহুল ও সীমিত। নীতি সমন্বয় না হলে ধনী ও দরিদ্র দেশের মধ্যে ‘দুই গতির’ রূপান্তর তৈরি হতে পারে—ধনী দেশগুলো দ্রুত কার্বন কমাবে, আর দরিদ্র দেশগুলো উচ্চ কার্বন বৃদ্ধিতে আটকে থাকবে। উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি দ্রুত বদলালে চাকরি ও স্থিতিশীলতা ঝুঁকিতে পড়তে পারে; আবার ধীরগতিতে এগোলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা Paris চুক্তির সীমা ছাড়িয়ে যাবে। তাই উন্নয়নশীলদের উন্নয়ন চাহিদা মেনে পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তির প্রসার এবং অর্থায়ন নিশ্চিতে নীতিনির্ধারকদের নতুন পরিকল্পনা দরকার।

Countries with the most data centres | The Business Standard

জনপ্রিয় সংবাদ

উদারতাবাদের ক্লান্তি ও পুনর্জাগরণের সন্ধান

উন্নয়নশীল অর্থনীতির কার্বন নির্ভরতা বিশ্বজুড়ে রূপান্তর বাধাগ্রস্ত করছে

০৫:০৫:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

উন্নয়নশীল অর্থনীতির ভারী শিল্প ও কয়লা নির্ভরতা

উন্নত দেশগুলো যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে দ্রুত এগোচ্ছে, তখন এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ এখনও ইস্পাত, সিমেন্ট ও রাসায়নিক উৎপাদনের মতো পুরোনো শিল্পে ভরসা রাখছে। এসব কারখানায় প্রচুর কয়লা ও গ্যাস লাগে এবং এগুলোর আয়ু দীর্ঘ হওয়ায় দ্রুত পরিবর্তন সম্ভব নয়। রয়টার্সের পরিসংখ্যানে দেখা যায় বৈশ্বিক ইস্পাত ও রাসায়নিক উৎপাদনের বড় অংশ এবং সিমেন্টের অধিকাংশ উত্তরের বাইরে। এই শিল্প কাঠামো কর্মসংস্থান ও সাপ্লাই চেইন তৈরি করে, তাই সরকারগুলো ব্যয়বহুল পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পথে যেতে ইতস্তত করে।

China's new climate target branded 'disappointing', 'underwhelming' |  Climate Crisis News | Al Jazeera

দুই গতি রূপান্তরের ঝুঁকি

উন্নত দেশগুলো ডেটা সেন্টার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ করছে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে নিট‑শূন্য নির্গমন অর্জনের লক্ষ্যে ঘরোয়া কয়লা বিদ্যুৎ বন্ধ করছে। তবে ইন্দোনেশিয়া, ভারত, চীন ও আফ্রিকার কিছু অঞ্চলে এখনও নতুন কয়লা কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে, কারণ এগুলো সাশ্রয়ী। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো মনে করে, প্রযুক্তি যেমন কার্বন ক্যাপচার ও হাইড্রোজেন‑ভিত্তিক ইস্পাত উৎপাদন ভবিষ্যতে নির্গমন কমাতে পারে, কিন্তু বর্তমানে এগুলো ব্যয়বহুল ও সীমিত। নীতি সমন্বয় না হলে ধনী ও দরিদ্র দেশের মধ্যে ‘দুই গতির’ রূপান্তর তৈরি হতে পারে—ধনী দেশগুলো দ্রুত কার্বন কমাবে, আর দরিদ্র দেশগুলো উচ্চ কার্বন বৃদ্ধিতে আটকে থাকবে। উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি দ্রুত বদলালে চাকরি ও স্থিতিশীলতা ঝুঁকিতে পড়তে পারে; আবার ধীরগতিতে এগোলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা Paris চুক্তির সীমা ছাড়িয়ে যাবে। তাই উন্নয়নশীলদের উন্নয়ন চাহিদা মেনে পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তির প্রসার এবং অর্থায়ন নিশ্চিতে নীতিনির্ধারকদের নতুন পরিকল্পনা দরকার।

Countries with the most data centres | The Business Standard