রপ্তানি মডেল ক্ষীণ, নতুন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান
জার্মানির অর্থনীতিমন্ত্রী বলেছেন, দেশটি আর শুধু গাড়ি ও যন্ত্র প্রকৌশলের উপর নির্ভর করে সমৃদ্ধি বজায় রাখতে পারবে না; তাকে ডিজিটালাইজেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জৈবপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য শক্তি ও প্রতিরক্ষা খাতে ঝুঁকতে হবে। বার্লিনে তিনি বলেন, উচ্চ জ্বালানি ব্যয় ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা পুরোনো রপ্তানি মডেলকে দুর্বল করেছে, তাই নতুন শিল্প নীতি ও বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা জরুরি। সরকার ২০২৬ ও ২০২৭ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে ১.০ ও ১.৩ শতাংশ করেছে, যা কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা দেখাচ্ছে।

এআই, জৈবপ্রযুক্তি ও সবুজ শক্তিতে গুরুত্ব
মন্ত্রী জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনে দ্রুত এআই ও কোয়ান্টাম প্রযুক্তির অগ্রগতি জার্মানির জন্য সতর্কবার্তা। তিনি গ্রিন হাইড্রোজেন, ব্যাটারি ও অফশোর বায়ু প্রকল্পে বিনিয়োগ বাড়ানোর এবং বিদ্যুৎ গ্রিড ও অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান জানান। এমআরএনএ ভ্যাকসিন ও জিন থেরাপির সম্ভাবনা থাকলেও কঠোর নিয়ম স্টার্টআপের অগ্রগতি থামিয়ে দেয়; তাই কর সুবিধা ও অনুমোদন সহজ করার কথা ভাবা হচ্ছে। রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর প্রতিরক্ষা ও সাইবার নিরাপত্তায় বিনিয়োগের তাগিদ বেড়েছে, যা উদ্ভাবন ও চাকরি সৃষ্টি করতে পারে। ব্যবসায়ীরা মন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি স্বাগত জানালেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও উচ্চ বিদ্যুৎ মূল্যের সমাধান চান। বিশ্লেষকরা বলেন, গবেষণাকে বাজারে রূপ দিতে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, বিশ্ববিদ্যালয়‑শিল্প অংশীদারিত্ব ও ব্যর্থতার প্রতি সহনশীলতা দরকার। মন্ত্রী মনে করেন, সরকার ও শিল্পের যৌথ বিনিয়োগ নতুন মূলধন উন্মুক্ত করবে ও অর্থনৈতিক মডেল পুনর্গঠনে সহায়তা করবে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















