০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
ফেরারির বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘লুচে’ ঘিরে বিতর্ক, ভক্তদের ক্ষোভে চাপে কিংবদন্তি ব্র্যান্ড ইলন মাস্কের রাজনীতি নিয়ে বিতর্ক, প্রযুক্তির নায়ক নাকি বিভাজনের মুখ? ট্রাম্পের শরণার্থী নীতিতে অগ্রাধিকার আফ্রিকানারদের, বাদ পড়ছেন অন্যরা ম্যানাম্বেরি সেতু: মাদাগাস্কারের ভ্যানিলা অর্থনীতির নীরব জীবনরেখা কানাডার নতুন নাগরিকত্ব আইনে আগ্রহ বাড়ছে মার্কিনদের, আবেদন অনুমোদনে বড় উল্লম্ফন শাংরি-লা সংলাপে চীনের অনুপস্থিতি ঘিরে প্রশ্ন, এশিয়ার নিরাপত্তা আলোচনায় নতুন বিতর্ক চীনের ‘নতুন সামরিকীকরণ’ অভিযোগ উড়িয়ে দিল জাপান, পাল্টা দ্রুত অস্ত্র সম্প্রসারণের অভিযোগ বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ায় ট্যাটুশিল্পীদের দীর্ঘ লড়াইয়ের জয়, তিন দশকের নিষেধাজ্ঞার অবসান অকাস জোটের নতুন পদক্ষেপ: সমুদ্রতলের ড্রোন প্রযুক্তি আনছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া ডিজিটাল যুগে ভারতের জনশুমারি: ডাকটিকিট থেকে স্মার্টফোনে দীর্ঘ যাত্রা

গণভোট ঘিরে গুজব, সরকারের স্পষ্ট বার্তা

আসন্ন গণভোটকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে। গুজবে বলা হচ্ছে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বেশি পড়লে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়বে। তবে সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে—এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

প্রেস-উইং

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট সামনে রেখে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে। ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের একটি ফটোকার্ড ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে এই গুজব ছড়ানো হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছিল নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা ১৮০ দিন সাংবিধানিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকবেন।

সরকারের ব্যাখ্যায় জানানো হয়, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ কোথাও বলেননি যে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ওই সময় ক্ষমতায় থাকবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নির্বাচনের পর সংসদ স্বাভাবিকভাবেই সরকার গঠন ও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবে। পাশাপাশি নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাই আলাদা শপথ নিয়ে ১৮০ দিনের মধ্যে সাংবিধানিক সংস্কার শেষ করবেন।

গণভোট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেই হরিরামপুরের বেশিরভাগ মানুষের

‘জুলাই জাতীয় সনদ (সাংবিধানিক সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ অনুযায়ী, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বেশি হলে সংসদের একটি দ্বৈত ভূমিকা থাকবে। তবে এতে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ বাড়ানোর কোনো বিধান নেই।

সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, সংস্কার প্রক্রিয়া শেষ হলে সংসদ আবার স্বাভাবিক কাঠামোয় ফিরে যাবে। তাই গণভোটের ফল নিয়ে সরকারের মেয়াদ বাড়ার যে কথা বলা হচ্ছে, তা নিছক গুজব ছাড়া কিছুই নয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেরারির বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘লুচে’ ঘিরে বিতর্ক, ভক্তদের ক্ষোভে চাপে কিংবদন্তি ব্র্যান্ড

গণভোট ঘিরে গুজব, সরকারের স্পষ্ট বার্তা

০৭:০৬:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন গণভোটকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে। গুজবে বলা হচ্ছে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বেশি পড়লে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়বে। তবে সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে—এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

প্রেস-উইং

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট সামনে রেখে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে। ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের একটি ফটোকার্ড ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে এই গুজব ছড়ানো হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছিল নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা ১৮০ দিন সাংবিধানিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকবেন।

সরকারের ব্যাখ্যায় জানানো হয়, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ কোথাও বলেননি যে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ওই সময় ক্ষমতায় থাকবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নির্বাচনের পর সংসদ স্বাভাবিকভাবেই সরকার গঠন ও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবে। পাশাপাশি নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাই আলাদা শপথ নিয়ে ১৮০ দিনের মধ্যে সাংবিধানিক সংস্কার শেষ করবেন।

গণভোট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেই হরিরামপুরের বেশিরভাগ মানুষের

‘জুলাই জাতীয় সনদ (সাংবিধানিক সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ অনুযায়ী, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বেশি হলে সংসদের একটি দ্বৈত ভূমিকা থাকবে। তবে এতে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ বাড়ানোর কোনো বিধান নেই।

সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, সংস্কার প্রক্রিয়া শেষ হলে সংসদ আবার স্বাভাবিক কাঠামোয় ফিরে যাবে। তাই গণভোটের ফল নিয়ে সরকারের মেয়াদ বাড়ার যে কথা বলা হচ্ছে, তা নিছক গুজব ছাড়া কিছুই নয়।