০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
স্ট্রোক: প্রতিরোধ, দ্রুত চিকিৎসা ও দীর্ঘ পুনর্বাসনের এক অবিচ্ছিন্ন লড়াই চার শতাব্দী পর ফিরল প্রকৃতির হারানো সন্তান, গ্লেন অ্যাফ্রিকে জন্ম নিল বুনো বিভারের নতুন প্রজন্ম ‘সবাইকে হত্যা করতে হবে’— প্রতিশোধের নামে সহিংসতার পক্ষে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর উসকানি, আতঙ্কে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা এমঅ্যান্ডএসে খোলা-অংশের অন্তর্বাস বিক্রি ঘিরে বিতর্ক: ‘চমক’ নাকি বদলে যাওয়া বাজারের বাস্তবতা? প্রতিশোধের নামে হত্যার আহ্বান, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতির বাসিন্দার বিস্ফোরক মন্তব্যে নতুন বিতর্ক ট্রাম্পের নতুন নিশানায় ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’: ইরানের গোপন পারমাণবিক ঘাঁটি নিয়ে কেন বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা? ট্রাম্পের অভিযোগ ভেঙে পড়ল, আদালতে সরকারের স্বীকারোক্তি: ভাঙচুর নয়, তড়িঘড়ি মেরামতের ভুলেই ক্ষতিগ্রস্ত লিংকন রিফ্লেক্টিং পুল গোলাপি ডোরাকাটা রহস্যের অবসান: ৪০ বছরের অনুসন্ধানে মিলল সমুদ্রের নতুন শৈবাল প্রজাতি মৃত্যুর দিকে ছুটে চলা জীবনে থামার সময় কি এখনও আসেনি? প্যাক্স সিলিকা: কর্মসংস্থান নাকি নতুন নির্ভরতা? ফিলিপাইনের সামনে সুযোগের পাশাপাশি বড় ঝুঁকির সতর্কবার্তা

শক্তি প্রদর্শনের মাঝেই সংলাপের ইঙ্গিত, ইরান ইস্যুতে দ্বিমুখী পথে যুক্তরাষ্ট্র

ইরান নিয়ে কঠোর অবস্থান ও সম্ভাব্য সামরিক প্রস্তুতির মধ্যেই দেশটির সঙ্গে কথা বলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পাশাপাশি হোয়াইট হাউস স্পষ্ট করেছে, পরিস্থিতি যেদিকে গড়াবে, সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে প্রস্তুত রয়েছে ওয়াশিংটন।

ইরানের সঙ্গে কথা বলার পরিকল্পনা
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। তবে কবে, কীভাবে এবং কার নেতৃত্বে এই আলোচনা হবে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি। ট্রাম্পের ভাষায়, ইরানের দিকে শক্তিশালী নৌবহর এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু সেগুলো ব্যবহার না করলেই ভালো হবে। এই মন্তব্যে কূটনৈতিক ইঙ্গিতের পাশাপাশি সামরিক চাপের বার্তাও স্পষ্ট।

সামরিক প্রস্তুতি ও পেন্টাগনের অবস্থান
হোয়াইট হাউসে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ জানান, ইরান যেন পরমাণু সক্ষমতার পথে না এগোয়, সেটিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা। প্রেসিডেন্ট যা নির্দেশ দেবেন, তা বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলেও তিনি মন্তব্য করেন। মধ্যপ্রাচ্যে ইতোমধ্যে বড় আকারের মার্কিন সামরিক উপস্থিতি গড়ে তোলা হয়েছে।

বিক্ষোভ, পরমাণু কর্মসূচি ও উত্তেজনার পটভূমি
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। যদিও অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক দমননীতির বিরুদ্ধে চলা আন্দোলন আপাতত কিছুটা স্তিমিত। এর আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যাকাণ্ড চলতে থাকলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পারে। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরান যদি আবার পরমাণু কর্মসূচি জোরদার করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ নেবে।

সংলাপ না সংঘাত, সিদ্ধান্তের সন্ধিক্ষণ
বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসন বিভিন্ন বিকল্প পর্যালোচনা করছে। এখনো সরাসরি হামলার সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। ফলে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে সংলাপ ও সংঘাত—দুই পথই খোলা থাকছে, যা আঞ্চলিক রাজনীতিকে আরও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ট্রোক: প্রতিরোধ, দ্রুত চিকিৎসা ও দীর্ঘ পুনর্বাসনের এক অবিচ্ছিন্ন লড়াই

শক্তি প্রদর্শনের মাঝেই সংলাপের ইঙ্গিত, ইরান ইস্যুতে দ্বিমুখী পথে যুক্তরাষ্ট্র

০৫:৫১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

ইরান নিয়ে কঠোর অবস্থান ও সম্ভাব্য সামরিক প্রস্তুতির মধ্যেই দেশটির সঙ্গে কথা বলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পাশাপাশি হোয়াইট হাউস স্পষ্ট করেছে, পরিস্থিতি যেদিকে গড়াবে, সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে প্রস্তুত রয়েছে ওয়াশিংটন।

ইরানের সঙ্গে কথা বলার পরিকল্পনা
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। তবে কবে, কীভাবে এবং কার নেতৃত্বে এই আলোচনা হবে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি। ট্রাম্পের ভাষায়, ইরানের দিকে শক্তিশালী নৌবহর এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু সেগুলো ব্যবহার না করলেই ভালো হবে। এই মন্তব্যে কূটনৈতিক ইঙ্গিতের পাশাপাশি সামরিক চাপের বার্তাও স্পষ্ট।

সামরিক প্রস্তুতি ও পেন্টাগনের অবস্থান
হোয়াইট হাউসে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ জানান, ইরান যেন পরমাণু সক্ষমতার পথে না এগোয়, সেটিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা। প্রেসিডেন্ট যা নির্দেশ দেবেন, তা বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলেও তিনি মন্তব্য করেন। মধ্যপ্রাচ্যে ইতোমধ্যে বড় আকারের মার্কিন সামরিক উপস্থিতি গড়ে তোলা হয়েছে।

বিক্ষোভ, পরমাণু কর্মসূচি ও উত্তেজনার পটভূমি
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। যদিও অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক দমননীতির বিরুদ্ধে চলা আন্দোলন আপাতত কিছুটা স্তিমিত। এর আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যাকাণ্ড চলতে থাকলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পারে। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরান যদি আবার পরমাণু কর্মসূচি জোরদার করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ নেবে।

সংলাপ না সংঘাত, সিদ্ধান্তের সন্ধিক্ষণ
বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসন বিভিন্ন বিকল্প পর্যালোচনা করছে। এখনো সরাসরি হামলার সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। ফলে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে সংলাপ ও সংঘাত—দুই পথই খোলা থাকছে, যা আঞ্চলিক রাজনীতিকে আরও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।