০৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ ভোটে রেকর্ড ৯২.৯% উপস্থিতি, শেষ দফায় উত্তেজনা ও সহিংসতার অভিযোগ কেন্দুয়ায় পানির নিচে ৩৭৫ হেক্টর ধান, ক্ষতিগ্রস্ত ৩১০০ কৃষক ইরানে হামলা নিয়ে নতুন পরিকল্পনার খবরে চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তেলের দাম যখন অর্থ ফুরিয়ে যায়, ভবিষ্যৎ গড়ে কে? টঙ্গীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ডিবির ওপর হামলা, সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার; আটক ২৮ কুড়িগ্রামে দারিদ্র্য ৭০% ছাড়িয়েছে, নদীভাঙনে বন্দি লাখো মানুষ ইরান অচলাবস্থায় তেলের দামে নতুন রেকর্ড, ব্যারেল ১২৩ ডলার ছুঁলো হরমুজ প্রণালীতে দম্ভের সংঘর্ষ: ভুল হিসাব, দীর্ঘ যুদ্ধ আর বিশ্ব অর্থনীতির ঝুঁকি কোহিনূর ফেরত দিন—রাজাকে সরাসরি বার্তা নিউইয়র্ক মেয়রের গণতন্ত্রের মানচিত্রে নতুন রেখা: আদালত না রাজনীতি?

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ গাভাস্কার, আইসিসির প্রতি কড়া বার্তা

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত ঘিরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। শেষ মুহূর্তের এই ঘোষণায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার। বিষয়টি নিয়ে তিনি সরাসরি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল-এর কঠোর ভূমিকা দাবি করেছেন।

শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন
গাভাস্কার মনে করেন, টুর্নামেন্ট শুরুর একেবারে আগে কোনো দল সরে দাঁড়ালে পুরো আয়োজনই চাপে পড়ে। তাঁর ভাষায়, আগেভাগে সিদ্ধান্ত হলে বিষয়টি আলাদা হতে পারত, কিন্তু শেষ মুহূর্তে এমন হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার হস্তক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়ে। ভবিষ্যতে যেন কোনো দল এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে না পারে, সে জন্য আইসিসির স্পষ্ট পদক্ষেপ প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আইসিসির ভূমিকা কী হবে
গাভাস্কারের আশঙ্কা, এই সিদ্ধান্তের পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়াও ভাবতে পারে আইসিসি। যদিও এর পরিণতি কী হবে, তা এখনই নিশ্চিত নয়। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকারের সিদ্ধান্তে বোর্ড প্রভাবিত হলেও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের নিয়ম মানার দায় এড়ানো যায় না। একক কোনো বোর্ড নয়, বরং সব বোর্ডের স্বার্থ রক্ষায় কঠোর নীতি দরকার।

বাংলাদেশ প্রসঙ্গ ও সংহতির দাবি
এর আগে নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ ভারতের মাঠে ম্যাচ না খেলার অনুরোধ জানিয়েছিল। সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে আইসিসি। সেই ঘটনার পর বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান বলে জানানো হয়েছে।

এই ঘটনায় আবারও প্রশ্ন উঠেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রাজনীতি ও নিরাপত্তা কতটা প্রভাব ফেলছে। টুর্নামেন্টের ধারাবাহিকতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় আইসিসির সিদ্ধান্তই এখন নজরের কেন্দ্রে।

পশ্চিমবঙ্গ ভোটে রেকর্ড ৯২.৯% উপস্থিতি, শেষ দফায় উত্তেজনা ও সহিংসতার অভিযোগ

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ গাভাস্কার, আইসিসির প্রতি কড়া বার্তা

০২:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত ঘিরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। শেষ মুহূর্তের এই ঘোষণায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার। বিষয়টি নিয়ে তিনি সরাসরি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল-এর কঠোর ভূমিকা দাবি করেছেন।

শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন
গাভাস্কার মনে করেন, টুর্নামেন্ট শুরুর একেবারে আগে কোনো দল সরে দাঁড়ালে পুরো আয়োজনই চাপে পড়ে। তাঁর ভাষায়, আগেভাগে সিদ্ধান্ত হলে বিষয়টি আলাদা হতে পারত, কিন্তু শেষ মুহূর্তে এমন হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার হস্তক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়ে। ভবিষ্যতে যেন কোনো দল এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে না পারে, সে জন্য আইসিসির স্পষ্ট পদক্ষেপ প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আইসিসির ভূমিকা কী হবে
গাভাস্কারের আশঙ্কা, এই সিদ্ধান্তের পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়াও ভাবতে পারে আইসিসি। যদিও এর পরিণতি কী হবে, তা এখনই নিশ্চিত নয়। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকারের সিদ্ধান্তে বোর্ড প্রভাবিত হলেও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের নিয়ম মানার দায় এড়ানো যায় না। একক কোনো বোর্ড নয়, বরং সব বোর্ডের স্বার্থ রক্ষায় কঠোর নীতি দরকার।

বাংলাদেশ প্রসঙ্গ ও সংহতির দাবি
এর আগে নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ ভারতের মাঠে ম্যাচ না খেলার অনুরোধ জানিয়েছিল। সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে আইসিসি। সেই ঘটনার পর বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান বলে জানানো হয়েছে।

এই ঘটনায় আবারও প্রশ্ন উঠেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রাজনীতি ও নিরাপত্তা কতটা প্রভাব ফেলছে। টুর্নামেন্টের ধারাবাহিকতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় আইসিসির সিদ্ধান্তই এখন নজরের কেন্দ্রে।