১২:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
জেপিমরগান প্রধানের সতর্কবার্তা: ইরান যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা আনতে পারে ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় হামলা, প্রাণহানির খবর নেই তেলের দাম ও শেয়ারবাজারে অনিশ্চয়তা, কূটনৈতিক বার্তা ও উত্তেজনার টানাপোড়েন হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা চরমে, হামলার হুমকিতে পাল্টা জবাবের সতর্কতা ইরানের বেক্সিমকো ফার্মা নির্মিত শিশু হাসপাতালের নতুন বহির্বিভাগ চালু মার্চে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয় ১৯.৭৮ শতাংশ কমেছে ইরান-সংক্রান্ত যুদ্ধে মার্কিন নীতি: বিশ্বকে সতর্কবার্তা তেল আবিবে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ, লেবাননে নিহত শিশুদের ছবি নিয়ে প্রতিবাদ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৮ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে জ্বালানি পাস ব্যবস্থা এই মাসেই চালু হচ্ছে, কিউআর কোডে নজরদারি

ঢাকা–টোকিওর মধ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি

ঢাকা ও টোকিওর মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় নতুন অধ্যায় যুক্ত হলো। বাংলাদেশ ও জাপান ‘প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর’ বিষয়ে একটি চুক্তি সই করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে আদান–প্রদান হওয়া প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তির ওপর যথাযথ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

চুক্তি সই ও কার্যকারিতা
মঙ্গলবার ঢাকার পক্ষে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান এবং জাপানের পক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, চুক্তিটি ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে।

প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর নিয়ে চুক্তি করছে বাংলাদেশ-জাপান

চুক্তির মূল কাঠামো ও উদ্দেশ্য
জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপান সরকারের মধ্যে একটি আইনি কাঠামো গড়ে তোলা হলো। এর আওতায় দুই দেশ যৌথভাবে নির্ধারিত প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর করতে পারবে। এসব প্রকল্প আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায়ও ভূমিকা রাখতে পারে।

ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণের নিয়ম
চুক্তিতে প্রতিটি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া নির্ধারণ এবং হস্তান্তরিত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মৌলিক নীতিমালা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিশেষ করে তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে পরবর্তী হস্তান্তর বা নির্ধারিত উদ্দেশ্যের বাইরে ব্যবহারের বিষয়ে কঠোর নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে।

দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতায় প্রত্যাশা
জাপানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও ঘনিষ্ঠ হবে। পাশাপাশি জাপানের প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ধরে রাখা ও উন্নয়নে এটি সহায়ক হবে, যা শেষ পর্যন্ত জাপানের নিরাপত্তা জোরদার করতেও অবদান রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জেপিমরগান প্রধানের সতর্কবার্তা: ইরান যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা আনতে পারে

ঢাকা–টোকিওর মধ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি

০৭:৪৯:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা ও টোকিওর মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় নতুন অধ্যায় যুক্ত হলো। বাংলাদেশ ও জাপান ‘প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর’ বিষয়ে একটি চুক্তি সই করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে আদান–প্রদান হওয়া প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তির ওপর যথাযথ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

চুক্তি সই ও কার্যকারিতা
মঙ্গলবার ঢাকার পক্ষে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান এবং জাপানের পক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, চুক্তিটি ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে।

প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর নিয়ে চুক্তি করছে বাংলাদেশ-জাপান

চুক্তির মূল কাঠামো ও উদ্দেশ্য
জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপান সরকারের মধ্যে একটি আইনি কাঠামো গড়ে তোলা হলো। এর আওতায় দুই দেশ যৌথভাবে নির্ধারিত প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর করতে পারবে। এসব প্রকল্প আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায়ও ভূমিকা রাখতে পারে।

ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণের নিয়ম
চুক্তিতে প্রতিটি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া নির্ধারণ এবং হস্তান্তরিত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মৌলিক নীতিমালা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিশেষ করে তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে পরবর্তী হস্তান্তর বা নির্ধারিত উদ্দেশ্যের বাইরে ব্যবহারের বিষয়ে কঠোর নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে।

দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতায় প্রত্যাশা
জাপানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও ঘনিষ্ঠ হবে। পাশাপাশি জাপানের প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ধরে রাখা ও উন্নয়নে এটি সহায়ক হবে, যা শেষ পর্যন্ত জাপানের নিরাপত্তা জোরদার করতেও অবদান রাখবে।