১১:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
ফেরারির বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘লুচে’ ঘিরে বিতর্ক, ভক্তদের ক্ষোভে চাপে কিংবদন্তি ব্র্যান্ড ইলন মাস্কের রাজনীতি নিয়ে বিতর্ক, প্রযুক্তির নায়ক নাকি বিভাজনের মুখ? ট্রাম্পের শরণার্থী নীতিতে অগ্রাধিকার আফ্রিকানারদের, বাদ পড়ছেন অন্যরা ম্যানাম্বেরি সেতু: মাদাগাস্কারের ভ্যানিলা অর্থনীতির নীরব জীবনরেখা কানাডার নতুন নাগরিকত্ব আইনে আগ্রহ বাড়ছে মার্কিনদের, আবেদন অনুমোদনে বড় উল্লম্ফন শাংরি-লা সংলাপে চীনের অনুপস্থিতি ঘিরে প্রশ্ন, এশিয়ার নিরাপত্তা আলোচনায় নতুন বিতর্ক চীনের ‘নতুন সামরিকীকরণ’ অভিযোগ উড়িয়ে দিল জাপান, পাল্টা দ্রুত অস্ত্র সম্প্রসারণের অভিযোগ বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ায় ট্যাটুশিল্পীদের দীর্ঘ লড়াইয়ের জয়, তিন দশকের নিষেধাজ্ঞার অবসান অকাস জোটের নতুন পদক্ষেপ: সমুদ্রতলের ড্রোন প্রযুক্তি আনছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া ডিজিটাল যুগে ভারতের জনশুমারি: ডাকটিকিট থেকে স্মার্টফোনে দীর্ঘ যাত্রা

ব্যবহৃত মোবাইল হস্তান্তর বা বিক্রির আগে নিবন্ধন বাতিল বাধ্যতামূলক: বিটিআরসি

ব্যবহৃত মোবাইল ফোন অন্যের কাছে হস্তান্তর বা বিক্রি করার আগে অবশ্যই নিবন্ধন বাতিল করতে হবে। এমন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন। জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল ফোন ব্যবস্থাপনাকে আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ করতে ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার বা এনইআইআর সিস্টেম পুরোপুরি চালু হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু

বিটিআরসি জানিয়েছে, গত ১ জানুয়ারি থেকে দেশে এনইআইআর সিস্টেম পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হয়েছে। এই ব্যবস্থার আওতায় বর্তমানে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে সক্রিয় থাকা সব বৈধ মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধনের মধ্যে চলে এসেছে। এর ফলে অবৈধ ও চোরাই মোবাইল ফোন শনাক্ত ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে বলে মনে করছে কমিশন।

ফোন বিক্রি বা হস্তান্তর নিয়ে বিটিআরসির নতুন নির্দেশনা

হস্তান্তর বা বিক্রির আগে কী করতে হবে

কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিজের নামে নিবন্ধিত কোনো মোবাইল ফোনে সিমকার্ড পরিবর্তন করতে হলে বা ফোনটি অন্য কারও কাছে ব্যবহারের জন্য দেওয়া কিংবা বিক্রি করার আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট হ্যান্ডসেটটি জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে যুক্ত নিবন্ধন থেকে মুক্ত করতে হবে।

ডি-রেজিস্ট্রেশনের জন্য যা লাগবে

ডি-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিম কেনার সময় যে পরিচয়পত্র ব্যবহার করা হয়েছিল, সেই জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

সহায়তা ও তথ্য জানার উপায়

ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য বিটিআরসি’র নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি কমিশনের কল সেন্টারের মাধ্যমে অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা নেওয়া যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেরারির বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘লুচে’ ঘিরে বিতর্ক, ভক্তদের ক্ষোভে চাপে কিংবদন্তি ব্র্যান্ড

ব্যবহৃত মোবাইল হস্তান্তর বা বিক্রির আগে নিবন্ধন বাতিল বাধ্যতামূলক: বিটিআরসি

০৮:৫৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্যবহৃত মোবাইল ফোন অন্যের কাছে হস্তান্তর বা বিক্রি করার আগে অবশ্যই নিবন্ধন বাতিল করতে হবে। এমন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন। জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল ফোন ব্যবস্থাপনাকে আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ করতে ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার বা এনইআইআর সিস্টেম পুরোপুরি চালু হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু

বিটিআরসি জানিয়েছে, গত ১ জানুয়ারি থেকে দেশে এনইআইআর সিস্টেম পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হয়েছে। এই ব্যবস্থার আওতায় বর্তমানে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে সক্রিয় থাকা সব বৈধ মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধনের মধ্যে চলে এসেছে। এর ফলে অবৈধ ও চোরাই মোবাইল ফোন শনাক্ত ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে বলে মনে করছে কমিশন।

ফোন বিক্রি বা হস্তান্তর নিয়ে বিটিআরসির নতুন নির্দেশনা

হস্তান্তর বা বিক্রির আগে কী করতে হবে

কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিজের নামে নিবন্ধিত কোনো মোবাইল ফোনে সিমকার্ড পরিবর্তন করতে হলে বা ফোনটি অন্য কারও কাছে ব্যবহারের জন্য দেওয়া কিংবা বিক্রি করার আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট হ্যান্ডসেটটি জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে যুক্ত নিবন্ধন থেকে মুক্ত করতে হবে।

ডি-রেজিস্ট্রেশনের জন্য যা লাগবে

ডি-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিম কেনার সময় যে পরিচয়পত্র ব্যবহার করা হয়েছিল, সেই জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

সহায়তা ও তথ্য জানার উপায়

ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য বিটিআরসি’র নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি কমিশনের কল সেন্টারের মাধ্যমে অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা নেওয়া যাবে।