দেশের বাজারে আবারও বড় ব্যবধানে বেড়েছে স্বর্ণের দাম। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হয়েছে নতুন দর, একই সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে রুপার মূল্যও। ফলে গয়নার বাজারে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন হিসাব–নিকাশ শুরু হয়েছে।
দাম বাড়ার কারণ ও সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রতি ভরিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়া হয়, যা কার্যকর হয়েছে বর্তমান সমন্বয়ের মাধ্যমে।

নতুন দরে স্বর্ণের মূল্য
নতুন নির্ধারিত দামে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকায়। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকায়। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত বহুবার দামের সমন্বয় হয়েছে, যার বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরও একই ধারা ছিল, যেখানে বাড়ার সংখ্যাই ছিল বেশি।
রুপার বাজারেও ঊর্ধ্বগতি
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও নতুন করে বাড়ানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সমন্বয়ের ফলে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট রুপা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা। ২১ ক্যারেট রুপা ৬ হাজার ২৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪ টাকায়। চলতি বছরেও রুপার দামে একাধিকবার সমন্বয় হয়েছে, যেখানে বাড়ার ঘটনাই বেশি দেখা গেছে।

বাজার পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য প্রভাব
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি এবং স্থানীয় চাহিদার ওঠানামা—সব মিলিয়েই স্বর্ণ ও রুপার দামে ধারাবাহিক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। এতে সাধারণ ক্রেতাদের ওপর চাপ বাড়লেও বিনিয়োগ হিসেবে মূল্যবান ধাতুর প্রতি আগ্রহ কমেনি।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















