০৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
গাজীপুরের শ্রীপুরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৩৬টি বসতঘর, বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হাদির ন্যায়বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অবস্থান, ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিবাদে নতুন মাত্রা যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন-রাশিয়ার ঐতিহাসিক বন্দি বিনিময়ে সম্মতি, যুদ্ধ অবসানের পথে নতুন আশা বিদ্যুৎ ক্রয়ে বড় সাশ্রয়, তিন সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ কমালো অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের দিনে বাড়তি মেট্রোরেল চলবে, যাত্রী ভোগান্তি এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা ফেনীতে নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর, ভোটের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা মির্জা আব্বাস, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মেঘনা আলম- ‘ভাইরাল’ ঢাকা ৮ আসনে কী চলছে? পল্লবীতে ঘরের ভেতর চার লাশ, ঋণের চাপে নাকি চরম সিদ্ধান্তে পরিবার চট্টগ্রাম বন্দরে উত্তেজনা, নৌপরিবহন উপদেষ্টার গাড়িবহর ঘেরাও; টানা ধর্মঘটে স্থবির কার্যক্রম নির্বাচন ঘিরে সুনামগঞ্জে কড়া নিরাপত্তা, ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত ৪৫১ কেন্দ্র; মোতায়েন ১৮ হাজার ৩০০ সদস্য

নাইজেরিয়ায় গণহত্যা, দুই রাজ্যে অন্তত ১৯১ নিহতের বিভীষিকা

আফ্রিকার সবচেয়ে জনবহুল দেশ নাইজেরিয়ায় দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা সংকট নতুন করে রক্তাক্ত রূপ নিয়েছে। মধ্য ও উত্তরাঞ্চলের পৃথক গ্রামে সশস্ত্র হামলায় অন্তত ১৯১ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় প্রশাসন ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, উগ্রপন্থী মতাদর্শ মানতে অস্বীকৃতি জানানো সাধারণ মানুষকেই লক্ষ্য করে এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছে।

কোয়ারা রাজ্যে আগুন, গুলি ও নির্মম হত্যাকাণ্ড
মধ্যাঞ্চলের কোয়ারা রাজ্যের ওরো ও নুকু গ্রামে হামলাকারীরা বাড়িঘর ও দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়। এরপর বেঁধে ফেলে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়। কাছ থেকে গুলি, গলা কেটে দেওয়া এবং জীবন্ত পুড়িয়ে মারার মতো ভয়াবহতার কথা জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। হামলার পরও অনেক পরিবার নিখোঁজ স্বজনের খোঁজে ধ্বংসস্তূপে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। কয়েক জনকে অপহরণের ঘটনা ও ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে। পুরো ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর অনুপস্থিতি নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে।

কাটসিনা রাজ্যে পৃথক হামলায় নিহত আরও ২১
উত্তরের কাটসিনা রাজ্যের ডোমা গ্রামে আরেকটি সশস্ত্র হামলায় অন্তত ২১ জন নিহত হন। হামলাকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে গুলি চালায় বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এর আগে ওই এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তিচুক্তি ছিল, যা এই হামলার পর কার্যত ভেঙে পড়েছে।

সরকারের অভিযোগ উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে
নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট এই হামলাকে কাপুরুষোচিত ও পাশবিক বলে নিন্দা জানিয়ে উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠীকে দায়ী করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, চরমপন্থী মতাদর্শ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানো নিরীহ মানুষদের হত্যা করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোয়ারা রাজ্যে সেনাবাহিনীর একটি ইউনিট মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা সংকটে চাপে সরকার
জঙ্গি তৎপরতা ও সশস্ত্র দস্যু গোষ্ঠীর কারণে বহু বছর ধরেই অস্থিতিশীলতায় ভুগছে নাইজেরিয়া। সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের পর সংকট মোকাবিলায় সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ আরও বেড়েছে। সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে সহায়তার জন্য সীমিত পরিসরে বিদেশি সামরিক সহযোগিতার কথাও উঠে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুরের শ্রীপুরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৩৬টি বসতঘর, বিপুল ক্ষয়ক্ষতি

নাইজেরিয়ায় গণহত্যা, দুই রাজ্যে অন্তত ১৯১ নিহতের বিভীষিকা

০৬:৫৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আফ্রিকার সবচেয়ে জনবহুল দেশ নাইজেরিয়ায় দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা সংকট নতুন করে রক্তাক্ত রূপ নিয়েছে। মধ্য ও উত্তরাঞ্চলের পৃথক গ্রামে সশস্ত্র হামলায় অন্তত ১৯১ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় প্রশাসন ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, উগ্রপন্থী মতাদর্শ মানতে অস্বীকৃতি জানানো সাধারণ মানুষকেই লক্ষ্য করে এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছে।

কোয়ারা রাজ্যে আগুন, গুলি ও নির্মম হত্যাকাণ্ড
মধ্যাঞ্চলের কোয়ারা রাজ্যের ওরো ও নুকু গ্রামে হামলাকারীরা বাড়িঘর ও দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়। এরপর বেঁধে ফেলে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়। কাছ থেকে গুলি, গলা কেটে দেওয়া এবং জীবন্ত পুড়িয়ে মারার মতো ভয়াবহতার কথা জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। হামলার পরও অনেক পরিবার নিখোঁজ স্বজনের খোঁজে ধ্বংসস্তূপে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। কয়েক জনকে অপহরণের ঘটনা ও ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে। পুরো ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর অনুপস্থিতি নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে।

কাটসিনা রাজ্যে পৃথক হামলায় নিহত আরও ২১
উত্তরের কাটসিনা রাজ্যের ডোমা গ্রামে আরেকটি সশস্ত্র হামলায় অন্তত ২১ জন নিহত হন। হামলাকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে গুলি চালায় বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এর আগে ওই এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তিচুক্তি ছিল, যা এই হামলার পর কার্যত ভেঙে পড়েছে।

সরকারের অভিযোগ উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে
নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট এই হামলাকে কাপুরুষোচিত ও পাশবিক বলে নিন্দা জানিয়ে উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠীকে দায়ী করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, চরমপন্থী মতাদর্শ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানো নিরীহ মানুষদের হত্যা করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোয়ারা রাজ্যে সেনাবাহিনীর একটি ইউনিট মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা সংকটে চাপে সরকার
জঙ্গি তৎপরতা ও সশস্ত্র দস্যু গোষ্ঠীর কারণে বহু বছর ধরেই অস্থিতিশীলতায় ভুগছে নাইজেরিয়া। সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের পর সংকট মোকাবিলায় সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ আরও বেড়েছে। সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে সহায়তার জন্য সীমিত পরিসরে বিদেশি সামরিক সহযোগিতার কথাও উঠে এসেছে।