চীনের সীমান্তপারের বাণিজ্যে যুক্ত ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন এক বাস্তবতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিদেশে অঘোষিত আয়ের ওপর কর আদায় জোরদার করায় ব্যয় কাঠামো বদলে যাচ্ছে, মুনাফার পরিমাণ কমছে এবং রপ্তানিকারকদের তাদের কার্যক্রম নতুনভাবে সাজাতে হচ্ছে।
মুনাফায় বড় ধাক্কা
ঝেজিয়াংভিত্তিক রপ্তানিকারক হেনরি হুয়াং বলেন, বাড়তি করের চাপ সরাসরি মুনাফায় আঘাত হেনেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দামের প্রতি সংবেদনশীল ক্রেতাদের কাছে অতিরিক্ত ব্যয় চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগও খুব কম। তার ভাষায়, এই পরিস্থিতি পুরো শিল্পখাতকেই প্রভাবিত করছে।

কড়া নজরদারির পেছনের কারণ
২০২২ সাল থেকে বিদেশে অর্জিত কিন্তু অঘোষিত আয়ের ওপর কর সংগ্রহে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তৎপরতা বেড়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনও রাজস্ব বাড়ানোর নতুন উৎস খুঁজছে। ফলে কর ব্যবস্থার আওতা আরও বিস্তৃত হচ্ছে।
বিগ ডেটায় শনাক্ত অঘোষিত আয়
স্থানীয় কর দপ্তর জানিয়েছে, বিগ ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে এমন করদাতাদের চিহ্নিত করা হয়েছে যারা বিদেশি আয় ঘোষণা করেননি। তাদের যথাযথ ঘোষণা দিতে এবং নিয়ম মেনে চলতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

লেনদেনের পূর্ণ নজরদারি
হুয়াং জানান, অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সব লেনদেনই এখন অনুসরণযোগ্য, যেন মোবাইল বিল পরীক্ষা করার মতো সহজ। এমনকি বিদেশি প্ল্যাটফর্ম থেকেও নিরীক্ষার জন্য তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। ফলে সম্পূর্ণভাবে নিয়ম মেনে চলা ছাড়া কার্যত আর কোনো বিকল্প নেই।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















