১০:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপে রেকর্ড প্রাইজমানি: চ্যাম্পিয়ন পাবে ৫ কোটি ডলার, বাড়ছে সব দলের পুরস্কার দাপুটে জয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ, শেষ ম্যাচেই নির্ধারিত হবে ভাগ্য জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত মোজাফফর সেনা হেফাজতে, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রিকশা ছিনতাইয়ের সন্দেহে রাজবাড়ীতে চালককে হত্যা, মরদেহ উদ্ধার যশোরে তরুণ সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার, মানসিক চাপে মর্মান্তিক পরিণতি মেক্সিকোতে আইনকে হাতিয়ার বানিয়ে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ গুরগ্রামে আটক ১৩ বাংলাদেশি নাগরিককে মালদায় পাঠাল পুলিশ, শুরু হচ্ছে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া নির্বাসিত মিয়ানমারের রাঁধুনিদের হাতে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হচ্ছে দেশটির খাবার ফেনীতে মহাসড়কে বাসচাপায় নারী নিহত, উদ্ধার করেও বাঁচানো গেল না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘনঘটা-২: বর্ষার ছন্দে জমে উঠল নৃত্য উৎসব

ছুটি চেয়েও পেলেন না, সন্তানের মৃত্যুতে ভেঙে পড়া পুলিশ সদস্যের হৃদয়বিদারক আক্ষেপ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দায়িত্ব পালনের কারণে ছুটি না পাওয়ার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হৃদয়বিদারক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য মেহেদি হাসান। সন্তানের মৃত্যুর মতো গভীর ব্যক্তিগত শোকের মধ্যেও ছুটি না মেলায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলে জানান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা

শনিবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মেহেদি হাসান লেখেন, ছুটি চেয়েও পাননি, আর সেই সময়েই তার সন্তান মারা গেছে। আরেকটি বাক্যে তিনি তীব্র কষ্টের সঙ্গে উল্লেখ করেন, যেন তিনি না থাকলে নির্বাচনই আটকে যেত—এ কথা ভেবে স্ত্রীর কাছে কী জবাব দেবেন, সেই প্রশ্নও তোলেন।

স্ত্রীর কাছে গোপন রাখা সন্তানের মৃত্যু সংবাদ

প্রথম পোস্টের প্রায় এক ঘণ্টা পর দেওয়া আরেকটি বার্তায় তিনি জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শে তখনো তার স্ত্রীকে সন্তানের মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি। একই সঙ্গে রাতের ডিউটি পালন এবং সন্তানের মরদেহ তার কাছে পৌঁছানো নিয়ে সহায়তার আবেদনও করেন তিনি।

ব্যক্তিগত সংকট ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা

পোস্টগুলোতে নিজের আর্থিক ও পারিবারিক অবস্থার কথাও তুলে ধরেন এই পুলিশ সদস্য। তিনি জানান, চাকরিটি তার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হলেও এমন পরিস্থিতিতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বিকল্প কাজের সন্ধান করার কথাও বলেন।

শোকের ভার বহন করতে না পারার আর্তনাদ

পরবর্তী আরেকটি পোস্টে সন্তানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে মেহেদি হাসান লেখেন, তার সন্তান আর এই পৃথিবীতে নেই—এই সত্য তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। শোকের ভার যেন তাকে ভেতর থেকে ভেঙে দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, মেহেদি হাসান ২০১৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশে কর্মরত এবং তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে রেকর্ড প্রাইজমানি: চ্যাম্পিয়ন পাবে ৫ কোটি ডলার, বাড়ছে সব দলের পুরস্কার

ছুটি চেয়েও পেলেন না, সন্তানের মৃত্যুতে ভেঙে পড়া পুলিশ সদস্যের হৃদয়বিদারক আক্ষেপ

০৭:০৯:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দায়িত্ব পালনের কারণে ছুটি না পাওয়ার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হৃদয়বিদারক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য মেহেদি হাসান। সন্তানের মৃত্যুর মতো গভীর ব্যক্তিগত শোকের মধ্যেও ছুটি না মেলায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলে জানান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা

শনিবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মেহেদি হাসান লেখেন, ছুটি চেয়েও পাননি, আর সেই সময়েই তার সন্তান মারা গেছে। আরেকটি বাক্যে তিনি তীব্র কষ্টের সঙ্গে উল্লেখ করেন, যেন তিনি না থাকলে নির্বাচনই আটকে যেত—এ কথা ভেবে স্ত্রীর কাছে কী জবাব দেবেন, সেই প্রশ্নও তোলেন।

স্ত্রীর কাছে গোপন রাখা সন্তানের মৃত্যু সংবাদ

প্রথম পোস্টের প্রায় এক ঘণ্টা পর দেওয়া আরেকটি বার্তায় তিনি জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শে তখনো তার স্ত্রীকে সন্তানের মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি। একই সঙ্গে রাতের ডিউটি পালন এবং সন্তানের মরদেহ তার কাছে পৌঁছানো নিয়ে সহায়তার আবেদনও করেন তিনি।

ব্যক্তিগত সংকট ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা

পোস্টগুলোতে নিজের আর্থিক ও পারিবারিক অবস্থার কথাও তুলে ধরেন এই পুলিশ সদস্য। তিনি জানান, চাকরিটি তার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হলেও এমন পরিস্থিতিতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বিকল্প কাজের সন্ধান করার কথাও বলেন।

শোকের ভার বহন করতে না পারার আর্তনাদ

পরবর্তী আরেকটি পোস্টে সন্তানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে মেহেদি হাসান লেখেন, তার সন্তান আর এই পৃথিবীতে নেই—এই সত্য তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। শোকের ভার যেন তাকে ভেতর থেকে ভেঙে দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, মেহেদি হাসান ২০১৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশে কর্মরত এবং তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়।