০৩:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামের হোটেলে রহস্যজনক মৃত্যু, কক্ষে মিলল দম্পতির মরদেহ পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রীর পদত্যাগ ফেরারির বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘লুচে’ ঘিরে বিতর্ক, ভক্তদের ক্ষোভে চাপে কিংবদন্তি ব্র্যান্ড ইলন মাস্কের রাজনীতি নিয়ে বিতর্ক, প্রযুক্তির নায়ক নাকি বিভাজনের মুখ? ট্রাম্পের শরণার্থী নীতিতে অগ্রাধিকার আফ্রিকানারদের, বাদ পড়ছেন অন্যরা ম্যানাম্বেরি সেতু: মাদাগাস্কারের ভ্যানিলা অর্থনীতির নীরব জীবনরেখা কানাডার নতুন নাগরিকত্ব আইনে আগ্রহ বাড়ছে মার্কিনদের, আবেদন অনুমোদনে বড় উল্লম্ফন শাংরি-লা সংলাপে চীনের অনুপস্থিতি ঘিরে প্রশ্ন, এশিয়ার নিরাপত্তা আলোচনায় নতুন বিতর্ক চীনের ‘নতুন সামরিকীকরণ’ অভিযোগ উড়িয়ে দিল জাপান, পাল্টা দ্রুত অস্ত্র সম্প্রসারণের অভিযোগ বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ায় ট্যাটুশিল্পীদের দীর্ঘ লড়াইয়ের জয়, তিন দশকের নিষেধাজ্ঞার অবসান

ছুটি চেয়েও পেলেন না, সন্তানের মৃত্যুতে ভেঙে পড়া পুলিশ সদস্যের হৃদয়বিদারক আক্ষেপ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দায়িত্ব পালনের কারণে ছুটি না পাওয়ার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হৃদয়বিদারক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য মেহেদি হাসান। সন্তানের মৃত্যুর মতো গভীর ব্যক্তিগত শোকের মধ্যেও ছুটি না মেলায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলে জানান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা

শনিবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মেহেদি হাসান লেখেন, ছুটি চেয়েও পাননি, আর সেই সময়েই তার সন্তান মারা গেছে। আরেকটি বাক্যে তিনি তীব্র কষ্টের সঙ্গে উল্লেখ করেন, যেন তিনি না থাকলে নির্বাচনই আটকে যেত—এ কথা ভেবে স্ত্রীর কাছে কী জবাব দেবেন, সেই প্রশ্নও তোলেন।

স্ত্রীর কাছে গোপন রাখা সন্তানের মৃত্যু সংবাদ

প্রথম পোস্টের প্রায় এক ঘণ্টা পর দেওয়া আরেকটি বার্তায় তিনি জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শে তখনো তার স্ত্রীকে সন্তানের মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি। একই সঙ্গে রাতের ডিউটি পালন এবং সন্তানের মরদেহ তার কাছে পৌঁছানো নিয়ে সহায়তার আবেদনও করেন তিনি।

ব্যক্তিগত সংকট ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা

পোস্টগুলোতে নিজের আর্থিক ও পারিবারিক অবস্থার কথাও তুলে ধরেন এই পুলিশ সদস্য। তিনি জানান, চাকরিটি তার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হলেও এমন পরিস্থিতিতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বিকল্প কাজের সন্ধান করার কথাও বলেন।

শোকের ভার বহন করতে না পারার আর্তনাদ

পরবর্তী আরেকটি পোস্টে সন্তানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে মেহেদি হাসান লেখেন, তার সন্তান আর এই পৃথিবীতে নেই—এই সত্য তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। শোকের ভার যেন তাকে ভেতর থেকে ভেঙে দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, মেহেদি হাসান ২০১৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশে কর্মরত এবং তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়।

চট্টগ্রামের হোটেলে রহস্যজনক মৃত্যু, কক্ষে মিলল দম্পতির মরদেহ

ছুটি চেয়েও পেলেন না, সন্তানের মৃত্যুতে ভেঙে পড়া পুলিশ সদস্যের হৃদয়বিদারক আক্ষেপ

০৭:০৯:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দায়িত্ব পালনের কারণে ছুটি না পাওয়ার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হৃদয়বিদারক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য মেহেদি হাসান। সন্তানের মৃত্যুর মতো গভীর ব্যক্তিগত শোকের মধ্যেও ছুটি না মেলায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলে জানান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা

শনিবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মেহেদি হাসান লেখেন, ছুটি চেয়েও পাননি, আর সেই সময়েই তার সন্তান মারা গেছে। আরেকটি বাক্যে তিনি তীব্র কষ্টের সঙ্গে উল্লেখ করেন, যেন তিনি না থাকলে নির্বাচনই আটকে যেত—এ কথা ভেবে স্ত্রীর কাছে কী জবাব দেবেন, সেই প্রশ্নও তোলেন।

স্ত্রীর কাছে গোপন রাখা সন্তানের মৃত্যু সংবাদ

প্রথম পোস্টের প্রায় এক ঘণ্টা পর দেওয়া আরেকটি বার্তায় তিনি জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শে তখনো তার স্ত্রীকে সন্তানের মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি। একই সঙ্গে রাতের ডিউটি পালন এবং সন্তানের মরদেহ তার কাছে পৌঁছানো নিয়ে সহায়তার আবেদনও করেন তিনি।

ব্যক্তিগত সংকট ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা

পোস্টগুলোতে নিজের আর্থিক ও পারিবারিক অবস্থার কথাও তুলে ধরেন এই পুলিশ সদস্য। তিনি জানান, চাকরিটি তার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হলেও এমন পরিস্থিতিতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বিকল্প কাজের সন্ধান করার কথাও বলেন।

শোকের ভার বহন করতে না পারার আর্তনাদ

পরবর্তী আরেকটি পোস্টে সন্তানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে মেহেদি হাসান লেখেন, তার সন্তান আর এই পৃথিবীতে নেই—এই সত্য তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। শোকের ভার যেন তাকে ভেতর থেকে ভেঙে দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, মেহেদি হাসান ২০১৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশে কর্মরত এবং তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়।